وَٱلطَّيۡرَ مَحۡشُورَةٗۖ كُلّٞ لَّهُۥٓ أَوَّابٞ

ওয়াত্তাইর মাহশূরতান কুল্লুল্লাহূআওওয়া-ব।উচ্চারণ

পাখ-পাখালী সমবেত হতো এবং সবাই তাঁর তাসবীহ অভিমুখী হয়ে যেতো। ১৯ তাফহীমুল কুরআন

এবং পাখিদেরকেও, যাদেরকে একত্র করে নেওয়া হত। তারা তার সঙ্গে মিলে আল্লাহর যিকিরে লিপ্ত থাকত। #%১৩%#মুফতী তাকী উসমানী

এবং সমবেত বিহংকুলকেও, সবাই ছিল তার অভিমুখী।মুজিবুর রহমান

আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হত। সবাই ছিল তাঁর প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং সমবেত বিহঙ্গকুলকেও; সকলেই ছিল তাঁর অভিমুখী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সমবেত পাখীদেরকেও (অনুগত করেছিলাম); প্রত্যেকেই ছিল অধিক আল্লাহ অভিমুখী।আল-বায়ান

আর পাখীরা সমবেত হত, সকলেই তার সঙ্গে আল্লাহ অভিমুখী হত (তাসবীহ করার মাধ্যমে)।তাইসিরুল

আর পাখীরা সমবেত হতো। সবাই ছিল তাঁর প্রতি অনুগত।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, আল আম্বিয়া, ৭১ টীকা।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

সূরা আম্বিয়ায় (২১ : ৭৯) বলা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা হযরত দাঊদ আলাইহিস সালামকে সুমধুর কণ্ঠ দিয়েছিলেন। তাঁর বিশেষ মুজিযা ছিল, তিনি যখন আল্লাহ তাআলার যিকির করতেন, তখন পাহাড়ও তাঁর সাথে যিকির ও তাসবীহ পাঠে রত হত। এমনকি উড়ন্ত পাখিরাও থেমে গিয়ে তাঁর সঙ্গে যিকিরে মশগুল হয়ে যেত।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৯. এবং সমবেত পাখীদেরকেও; সবাই ছিল তার অভিমুখী।(১)

(১) এ আয়াতে দাউদ আলাইহিসসালাম-এর সাথে পর্বতমালা ও পক্ষীকুলের ইবাদতের তাসবীহে শরীক হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এর ব্যাখ্যা সূরা আম্বিয়া ও সূরা সাবায় বর্ণিত হয়েছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় এই যে, পর্বতমালা ও পক্ষীকুলের তাসবীহ পাঠকে আল্লাহ তা’আলা এখানে দাউদ আলাইহিস সালাম-এর প্রতি নেয়ামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ, এতে দাউদ আলাইহিস সালাম-এর একটি মু'জিযা প্রকাশ পেয়েছে। বলাবাহুল্য, মু'জিযা এক বড় নেয়ামত। (দেখুন: কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৯) এবং (বশীভূত করেছিলাম) পক্ষীকুলকেও সমবেত অবস্থায়, সকলেই ছিল তার অনুসারী।(1)

(1) অর্থাৎ, এগুলি সবই দাঊদের অনুসারী ছিল। অথবা এগুলি সবই আল্লাহ-অভিমুখী। অর্থাৎ, সকাল-সন্ধ্যায় পর্বতমালা দাউদ (আঃ) এর সাথে তসবীহ পাঠে রত হত এবং উড়ন্ত পক্ষীকুলও যবুর পড়া শুনে শূন্যে জমায়েত হত এবং তাঁর সাথে তসবীহ পাঠ করত। ‘مَحْشُوْرَة ’ অর্থ ‘জমায়েত অবস্থায়’।