ওয়ামা-ইয়ানজুরু হাউলাই ইল্লা-সাইহাতাওঁ ওয়া-হিদাতাম মা-লাহা-মিন ফাওয়া-ক।উচ্চারণ
এরাও শুধু একটি বিষ্ফোরণের অপেক্ষায় আছে, যার পর আর দ্বিতীয় কোন বিষ্ফোরণ হবে না। ১৪ তাফহীমুল কুরআন
এবং তারাও (অর্থাৎ মক্কাবাসীগণ) এমন এক মহা নাদ-এর অপেক্ষা করছে, যাতে কোন বিরতি থাকবে না। #%১০%#মুফতী তাকী উসমানী
তারাতো অপেক্ষা করছে একটি মাত্র প্রচন্ড নিনাদের যাতে কোন বিরাম থাকবেনা।মুজিবুর রহমান
কেবল একটি মহানাদের অপেক্ষা করছে, যাতে দম ফেলার অবকাশ থাকবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা তো অপেক্ষা করছে একটি মাত্র প্রচণ্ড নিনাদের, যাতে কোন বিরাম থাকবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর এরা তো কেবল একটি বিকট আওয়াজের অপেক্ষা করছে যাতে কোন বিরাম থাকবে না।আল-বায়ান
(আজ) এই লোকেরা তো প্রচন্ড একটা বিস্ফোরণের অপেক্ষায় আছে, (তা যখন ঘটবে) তাতে কোন বিরাম থাকবে না।তাইসিরুল
আর এরা তো প্রতীক্ষা করে না একটিমাত্র মহাগর্জন ব্যতীত আর কিছুর, তা থেকে কোনো অবকাশ থাকবে না।মাওলানা জহুরুল হক
১৪
অর্থাৎ আযাবের একটিমাত্র ধাক্কা তাদেরকে খতম করে দেবার জন্য যথেষ্ট হবে, দ্বিতীয় কোন ধাক্কার প্রয়োজন হবে না। এ বাক্যের দ্বিতীয় অর্থ হতে পারে, এরপর তারা আর কোন অবকাশ পাবে না। গরুর দুধ দোহন করার সময় এক বাঁট থেকে দুধ টেনে অন্য এক বাঁটে হাত দেবার মাঝখানে প্রথম বাঁটটিতে দুধ নামতে যতটুকু সময় লাগে ততটুকু অবকাশও তারা পাবে না।
এর দ্বারা শিঙ্গার ফুঁৎকার ধ্বনি বোঝানো উদ্দেশ্য, যার সাথে-সাথে কিয়ামত হয়ে যাবে।
১৫. আর এরা তো কেবল অপেক্ষা করছে একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দের, যাতে কোন বিরাম থাকবে না।(১)
(১) আরবীতে فواق এর একাধিক অর্থ হয়। (এক) একবার দুগ্ধ দোহনের পর পুনরায় স্তনে দুগ্ধ আসার মধ্যবর্তী সময়কে فواق বলা হয়। (দুই) সুখ-শান্তি। উদ্দেশ্য এই যে, ইসরাফিলের শিঙ্গার ফুক অনবরত চলতে থাকবে এতে কোন বিরতি হবে না। (দেখুন- বাগভী, কুরতুবী)
(১৫) এরা তো অপেক্ষা করছে এক মহাগর্জনের,(1) যাতে কোন বিরতি থাকবে না।(2)
(1) অর্থাৎ, শিঙ্গায় ফুৎকারের, যাতে কিয়ামত সংঘটিত হয়ে যাবে।
(2) দুধ দোহনকারী একবার দুধ দোহনের পর বাছুরকে উটনী, গাই বা মহিষের (অর্থাৎ তার মায়ের) নিকট ছেড়ে দেয়, যাতে তার দুধ পান করার ফলে পুনরায় স্তনে অধিক পরিমাণে দুধ এসে জমা হয়। সুতরাং কিছুক্ষণ পরে বাছুরকে জোরপূর্বক অন্যত্র সরিয়ে দিয়ে পুনরায় দুধ দোহন করতে আরম্ভ করে। উক্ত দুইবার দুধ দোহনের মধ্যবর্তী সময়কে فَوَاق বলা হয়। অর্থাৎ শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার পর এতটুকুও সময় পাওয়া যাবে না, বরং শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার সাথে সাথেই কিয়ামতের ভূমিকম্প আরম্ভ হয়ে যাবে।