ফামান তাওয়াল্লা-বা‘দা যা-লিকা ফাউলাইকা হুমুল ফা-ছিকূ ন।উচ্চারণ
আল্লাহ্ বললেনঃ “আচ্ছা, তাহলে তোমরা সাক্ষী থাকো এবং আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী থাকলাম, এরপর যারাই এ অঙ্গীকার ভঙ্গ করবে তারাই হবে ফাসেক।” ৭০ তাফহীমুল কুরআন
এরপরও যারা (হিদায়াত থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেবে, তারাই নাফরমান।মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর এর পরে যারা ফিরে যাবে তারাই দুস্কার্যকারী।মুজিবুর রহমান
অতঃপর যে লোক এই ওয়াদা থেকে ফিরে দাঁড়াবে, সেই হবে নাফরমান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এর পর যারা মুখ ফিরাবে তারাই সত্যপথত্যাগী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং এরপর যারা ফিরে যাবে, তারা তো ফাসিক।আল-বায়ান
অতঃপর যারা মুখ ফিরিয়ে নিবে তারাই হল ফাসেক।তাইসিরুল
অতএব যে কেউ এরপর ফিরে যায়, তা হলে তারা নিজেরাই হচ্ছে পাপাচারী।মাওলানা জহুরুল হক
৭০
এ বক্তব্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে আহলি কিতাবদের এই মর্মে সতর্ক করা যে, তোমরা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গ করছো এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অস্বীকার ও তাঁর বিরোধিতা করে তোমাদের নবীদের থেকে যে অঙ্গীকার নেয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধাচরণ করছো। কাজেই এখন তোমরা ফাসেক হয়ে গেছো। অর্থাৎ আল্লাহর আনুগত্যের শিকল কেটে বের হয়ে গেছো।
৮২. সুতরাং এরপর যারা মুখ ফিরাবে তারাই তো ফাসেক।
(৮২) অতএব এর পর যারা মুখ ফিরিয়ে নেবে, তারাই হবে ফাসেক (সত্যত্যাগী)। (1)
(1) এখানে আহলে-কিতাব (ইয়াহুদী- খ্রিষ্টান) এবং অন্য সকল ধর্মাবলম্বিদের সতর্ক করা হচ্ছে যে, মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর প্রেরণের পরও তাঁর উপর ঈমান না এনে স্ব স্ব দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা সেই অঙ্গীকারের বিপরীত, যা মহান আল্লাহ নবীদের মাধ্যমে প্রত্যেক উম্মতের কাছ থেকে নিয়েছেন এবং এই অঙ্গীকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া কুফরী। আর এখানে ‘ফাসে্ক’এর অর্থঃ কাফের। কেননা, মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নবূওয়াতের অস্বীকৃতি কেবল ‘ফিসক্ব’ নয়, বরং একেবারে কুফরী।