إِن كَانَتۡ إِلَّا صَيۡحَةٗ وَٰحِدَةٗ فَإِذَا هُمۡ خَٰمِدُونَ

ইন ক-নাত ইল্লা-সাইহাতাওঁ ওয়া-হিদাতান ফাইযা-হুম খা-মিদূন।উচ্চারণ

ব্যস, একটি বিস্ফোরণের শব্দ হলো এবং সহসা তারা সব নিস্তব্ধ হয়ে গেলো। ২৪ তাফহীমুল কুরআন

তা ছিল কেবল একটি মহানাদ, যাতে তারা সব নিভে নিথর হয়ে গেল।মুফতী তাকী উসমানী

ওটা ছিল শুধুমাত্র এক মহানাদ। ফলে তারা নিথর নিস্তব্ধ হয়ে গেল।মুজিবুর রহমান

বস্তুতঃ এ ছিল এক মহানাদ। অতঃপর সঙ্গে সঙ্গে সবাই স্তদ্ধ হয়ে গেল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তা ছিল কেবল এক মহানাদ। ফলে এরা নিথর নিস্তব্ধ হয়ে গেল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তা ছিল শুধুই একটি বিকট আওয়াজ, ফলে তারা নিথর-নিস্তব্ধ হয়ে পড়ল।আল-বায়ান

ওটা ছিল মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ, ফলে তারা সহসাই নিস্তব্ধ হয়ে গেল।তাইসিরুল

এটি অবশ্য একটিমাত্র মহাগর্জন বৈ তো নয়, তখন দেখো, তারা নিথরদেহী হয়ে গেল!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৪

মুল শব্দটি হচ্ছে “নিভে গেল”। এ শব্দের মধ্যে রয়েছে একটি সূক্ষ্ম ব্যাঙ্গ। নিজেদের শক্তির জন্য তাদের অহংকার এবং সত্যদ্বীনের বিরুদ্ধে তাদের সমস্ত ক্ষোভ ও আক্রোশ ছিল যেন একটি জলন্ত অগ্নিশিখা। তারা মনে করছিল, এটি ঐ তিন জন নবী ও তাঁদের অনুসারীদেরকে জ্বালিয়ে ভষ্ম করে দেবে। কিন্তু আল্লাহ‌র আযাবের একটি আঘাতেই এ অগ্নিশিখা ঠাণ্ডা হয়ে গেলো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

২৯. সেটা ছিল শুধুমাত্র এক বিকট শব্দ ফলে তারা নিথর নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৯) কেবলমাত্র এক মহাগর্জন হল। ফলে ওরা নিথর-নিস্তব্ধ হয়ে গেল। (1)

(1) বলা হয়েছে যে, জিবরীল (আঃ) একটি হুঙ্কার দিয়েছিলেন, যাতে সকলের শরীর থেকে প্রাণ বের হয়ে গিয়েছিল এবং তারা নিভানো আগুনের মত স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। জীবন যেন এক প্রজ্বলিত অগ্নিশিখা। আর মৃত্যু হল তা নিভে ভষ্মে পরিণত হওয়া।