قَالُواْ طَـٰٓئِرُكُم مَّعَكُمۡ أَئِن ذُكِّرۡتُمۚ بَلۡ أَنتُمۡ قَوۡمٞ مُّسۡرِفُونَ

ক-লূতাইরুকুম মা‘আকুম আইন যুক্কিরতুম বাল আনতুম কাওমুম মুছরিফূন।উচ্চারণ

রসূলরা জবাব দিল, "তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের নিজেদের সাথেই লেগে আছে। ১৫ তোমাদের উপদেশ দেয়া হয়েছে বলেই কি তোমরা একথা বলছো? আসল কথা হচ্ছে, তোমরা সীমালংঘনকারী লোক।" ১৬ তাফহীমুল কুরআন

রাসূলগণ বলল, তোমাদের অশুভতা খোদ তোমাদেরই সঙ্গে রয়েছে। তোমাদের কাছে উপদেশ-বাণী পৌঁছেছে বলেই কি (তোমরা একথা বলছ?) প্রকৃতপক্ষে তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।মুফতী তাকী উসমানী

তারা বললঃ তোমাদের অমঙ্গল তোমাদেরই সাথে, এটা কি এ জন্য যে, আমরা তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছি? বস্তুতঃ তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।মুজিবুর রহমান

রসূলগণ বলল, তোমাদের অকল্যাণ তোমাদের সাথেই! এটা কি এজন্যে যে, আমরা তোমাদেরকে সদুপদেশ দিয়েছি? বস্তুতঃ তোমরা সীমা লংঘনকারী সম্প্রদায় বৈ নও।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তারা বলল, ‘তোমাদের অমঙ্গল তোমাদেরই সঙ্গে; এটা কি এইজন্যে যে, আমরা তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছি ? বস্তুত তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা বলল, তোমাদের অমঙ্গলের কারণ তোমাদের সাথেই। তোমাদেরকে উপদেশ দেয়া হয়েছে বলেই কি এরূপ বলছ? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী কওম’।আল-বায়ান

রসূলগণ বলল- তোমাদের অমঙ্গলের কারণ তোমাদের সাথেই আছে (আর তা হল তোমাদের অপকর্ম)। তোমাদেরকে নসীহত করা হলেই কি (সেটাকে তোমরা তোমাদের অমঙ্গলের কারণ মনে কর)? আসলে তোমরা হচ্ছ এক সীমালঙ্ঘনকারী জাতি।তাইসিরুল

তাঁরা বললেন, "তোমাদের পাখিগুলো তোমাদের সঙ্গেই রয়েছে। তোমাদের তো স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে! বস্তুতঃ তোমরা হচ্ছ অমিতাচারী জাতি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৫

অর্থাৎ কেউ কারোর জন্য অপয়া ও অলক্ষণ নয়। প্রত্যেক ব্যক্তির তাকদীরের লিখন তার নিজেরই গলায় ঝুলছে। কোন অকল্যাণ ও অঘটন ঘটলে তা হয় তার নিজের তাকদীরের ফল এবং শুভ ও কল্যাণকর কিছু ঘটলে তাও হয় তার তাকদীরের ফল।

وَكُلَّ إِنْسَانٍ أَلْزَمْنَاهُ طَائِرَهُ فِي عُنُقِهِ – بنى اسرائيل – 13

“প্রত্যেক ব্যক্তির কল্যাণ ও অকল্যাণের পরোয়ানা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি।”

১৬

আসলে তোমরা কল্যাণ থেকে পালাতে চাও এবং হিদায়াতের পরিবর্তে গোমরাহী পছন্দ করো। তাই তোমরা যুক্তির মাধ্যমে হক ও বাতিলের ফায়সালা করার পরিবর্তে কুসংস্কার ও পৌরানিক ভাব কল্পনার মাধ্যমে বাহানাবাজি করছো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ তোমাদের অশুভতার মূল কারণ তো কুফর ও শিরক, যাতে তোমরা লিপ্ত রয়েছ।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৯. তারা বললেন, তোমাদের অমঙ্গল তোমাদেরই সাথে(১); এটা কি এজন্যে যে, তোমাদেরকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে?(২) বরং তোমরা এক সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।

(১) যেমন অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “প্রত্যেক ব্যক্তির কল্যাণ ও অকল্যাণের পরোয়ানা আমি তার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছি।” (সূরা আল-ইসরা: ১৩)

(২) অর্থাৎ তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে উপদেশ দেয়াতে, আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়াতেই কি তোমরা আমাদের অলক্ষুণে মনে করছ? তোমরা তো সীমালজম্বানকারী সম্প্রদায়। (তাবারী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৯) তারা বলল, ‘তোমাদের অমঙ্গল তোমাদের সঙ্গেই।(1) এ কি এ জন্য যে, তোমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে? বরং তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।’

(1) অর্থাৎ, ওটা তো তোমাদের স্বকৃত পাপকর্মের ফল, যা তোমাদের সঙ্গেই আছে, আমাদের সঙ্গে নয়।