تَنزِيلَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ

তানঝীলাল ‘আঝীঝির রহীম।উচ্চারণ

(এবং এ কুরআন) প্রবল পরাক্রমশালী ও করুণাময় সত্তার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত, তাফহীমুল কুরআন

এ কুরআন অবতীর্ণ করা হচ্ছে সেই সত্তার পক্ষ হতে, যিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়াময়মুফতী তাকী উসমানী

কুরআন অবতীর্ণ পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর নিকট হতে।মুজিবুর রহমান

কোরআন পরাক্রমশালী পরম দয়ালু আল্লাহর তরফ থেকে অবতীর্ণ,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

কুরআন অবতীর্ণ পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহ্ র নিকট হতে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

(এ কুরআন) মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়াময় (আল্লাহ) কর্তৃক নাযিলকৃত।আল-বায়ান

(এ কুরআন) মহাপরাক্রমশালী পরম করুণাময় (আল্লাহ) হতে অবতীর্ণ।তাইসিরুল

মহাশক্তিশালী, অফুরন্ত ফলদাতার থেকে এক অবতারণ, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

এখানে কুরআন নাযিলকারীর দু’টি গুণের কথা বলা হয়েছে। এক, তিনি প্রবল ও পরাক্রান্ত। দুই, তিনি করুণাময়। প্রথম গুণটি বর্ণনা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে এ সত্যটি সম্পর্কে সতর্ক করা যে, এ কুরআন কোন অক্ষম উপদেষ্টার উপদেশ নয় যে, একে উপেক্ষা করলে তোমাদের কোন ক্ষতি হবে না। বরং এটি এমন বিশ্ব-জাহানের মালিকের ফরমান যিনি সবার ওপর প্রবল পরাক্রান্ত, যাঁর ফায়সালাসমূহ প্রয়োগ করার পথে কোন শক্তি বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে না এবং যাঁর পাকড়াও থেকে রেহাই পাবার ক্ষমতা করো নেই। আর দ্বিতীয় গুণটি বর্ণনা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে এ অনুভূতি সৃষ্টি করা যে, তিনি নিছক দয়াপরবশ হয়ে তোমাদের হিদায়াত ও পথ দেখাবার জন্য নিজের রসূল পাঠিয়েছেন এবং এ মহান কিতাবটি নাযিল করেছেন, যাতে তোমরা গোমরাহী মুক্ত হয়ে এমন সরল সঠিক পথে চলতে পারো যে পথে চলে তোমরা দুনিয়া ও আখেরাতের সাফল্য লাভ করতে পারবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫. এ কুরআন প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর কাছ থেকে নাযিলকৃত।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫) কুরআন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ। (1)

(1) এ কুরআন পরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। অর্থাৎ, তা যারা অস্বীকার করে এবং তাঁর রসূল (সাঃ)-কে যারা মিথ্যা মনে করে তাদের নিকট থেকে তিনি বদলা নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তিনি পরম দয়ালু; অর্থাৎ, যে তাঁর প্রতি ঈমান আনবে এবং তাঁর প্রকৃত দাস হয়ে যাবে, তার প্রতি তিনি পরম দয়ালু।