وَٱللَّهُ ٱلَّذِيٓ أَرۡسَلَ ٱلرِّيَٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابٗا فَسُقۡنَٰهُ إِلَىٰ بَلَدٖ مَّيِّتٖ فَأَحۡيَيۡنَا بِهِ ٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِهَاۚ كَذَٰلِكَ ٱلنُّشُورُ

ওয়াল্লা-হুল্লাযীআরছালার রিইয়া-হা ফাতুছীরু ছাহা-বান ফাছুকনা-হু ইলা-বালাদিম মাইয়িতিন ফাআহইয়াইনা-বিহিল আরদা বা‘দা মাওতিহা- কাযা-লিকান নুশূর।উচ্চারণ

আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন তারপর তা মেঘমালা উঠায় এরপর আমি তাকে নিয়ে যাই একটি জনমানবহীন এলাকার দিকে এবং মৃত পতিত যমীনকে সঞ্জীবিত করে তুলি। মৃত মানুষদের বেঁচে ওঠাও তেমনি ধরনের হবে। ১৯ তাফহীমুল কুরআন

আল্লাহই সেই সত্তা, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, তারপর তা মেঘ সঞ্চারিত করে, তারপর আমি তা চালিয়ে নিয়ে যাই এমন নগরের দিকে, যা (খরার কারণে) নির্জীব হয়ে গেছে। তারপর আমি তা (অর্থাৎ বৃষ্টি) দ্বারা ভূমিকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করি। এভাবেই পুনরুত্থান হবে।মুফতী তাকী উসমানী

আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করে তা দ্বারা মেঘমালা সঞ্চালিত করেন। অতঃপর আমি তা নির্জীব ভূ-খন্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর আমি ওটা দ্বারা ধরিত্রীকে ওর মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করি। পুনরুত্থান এ রূপেই হবে।মুজিবুর রহমান

আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে। অতঃপর আমি তা মৃত ভূ-খন্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর তদ্বারা সে ভূ-খন্ডকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করে দেই। এমনিভাবে হবে পুনরুত্থান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আল্লাহ্ই বায়ু প্রেরণ করে তা দিয়ে মেঘমালা সঞ্চারিত করেন। এরপর আমি তা নির্জীব ভ‚খণ্ডের দিকে পরিচালিত করি, এরপর আমি তা দিয়ে ধরিত্রীকে এর মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করি। এইরূপেই মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করে উঠানো হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তিনিই আল্লাহ যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘমালা সঞ্চালিত করে, তারপর তাকে আমি মৃত ভূমির দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর তা দিয়ে আমি যমীনকে তার মৃত্যুর পর জীবিত করি; এভাবেই পুনরুত্থান হবে।আল-বায়ান

আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা মেঘ সঞ্চার করে, অতঃপর আমি তা নির্জীব ভূখন্ডের দিকে পরিচালিত করি। অতঃপর আমি তা দিয়ে মৃত্তিকাকে তার মৃত্যুর পর আবার সঞ্জীবিত করি। এভাবেই (ঘটবে) পুনরুত্থান।তাইসিরুল

আর আল্লাহ্‌ই তিনি যিনি বায়ুপ্রবাহ পাঠান, ফলে এটি মেঘমালা সঞ্চালিত করে, তারপর আমরা তাকে নিয়ে যাই মৃত ভূখন্ডের দিকে, ফলে তার দ্বারা আমরা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে জীবনদান করি। এইভাবেই পুনরুত্থান হয়।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

অর্থাৎ এ মূর্খের দল আখেরাতকে অসম্ভব মনে করছে। তাই তারা নিজস্বভাবে এ চিন্তায় নিমগ্ন হয়েছে যে, দুনিয়ায় তারা যাই কিছু করতে থাকুক না কেন, তাদের জবাবদিহি করার জন্য আল্লাহর সামনে হাজির হবার সময়টি কখনো আসবে না। কিন্তু তারা যার মধ্যে নিমগ্ন আছে সেটি নিছক একটি খামখেয়ালি ছাড়া আর কিছুই নয়। কিয়ামতের দিন সামনের পেছনের সমস্ত মরা মানুষ মহান আল্লাহ‌র একটিমাত্র ইশারায় সহসা ঠিক তেমনিভাবে জীবিত হয়ে উঠবে যেমন একবার বৃষ্টি হবার পর শুকনো জমি অকস্মাৎ সবুজ শ্যামল হয়ে ওঠে এবং দীর্ঘকালের মৃত শিকড়গুলো সবুজ চারাগাছে রূপান্তরিত হয়ে মাটির বুক থেকে মাথা উঁচু করতে থাকে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৯. আর আল্লাহ, যিনি বায়ু পাঠিয়ে তা দ্বারা মেঘমালা সঞ্চারিত করেন। তারপর আমরা সেটাকে নির্জীব ভূখণ্ডের দিকে পরিচালিত করি, এরপর আমরা তা দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার জীবিত করি। এভাবেই হবে মৃত্যুর পর আবার জীবিত হয়ে উঠা।(১)

(১) মৃত্যুর পর জীবিত হয়ে উঠার জন্য আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে উদ্ভিদ উৎপন্ন করার উদাহরণ আল্লাহ্ তা'আলা কুরআনের অন্যত্রও পেশ করেছেন। (আদওয়াউল বায়ান)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯) আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করে তার দ্বারা মেঘমালা সঞ্চালিত করেন। অতঃপর তিনি তা নির্জীব ভূখন্ডের দিকে পরিচালিত করেন, অতঃপর তিনি তা দিয়ে পৃথিবীকে ওর মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন। পুনরুত্থান এরূপেই হবে। (1)

(1) অর্থাৎ, যেমন আমি মেঘ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করে মৃত পৃথিবীকে জীবিত করে থাকি অনুরূপ কিয়ামতের দিবস সকল মৃত মানুষকেও জীবিত করব। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘‘মানুষের সর্বাঙ্গ শরীর পচে-গলে নষ্ট হয়ে যায়, শুধু মেরুদন্ডের নিম্নাংশের অস্থির ছোট্ট একটি অংশ অবশিষ্ট থাকে। সেই অস্থি থেকে পুনরায় সৃষ্টি ও দেহ গঠিত হবে।’’ (বুখারী, মুসলিম)