ওয়া ইযা-তুতলা-‘আলাইহিম আ-য়া-তুনা-বাইয়িনা-তিন ক-লূ মা-হা-যাইল্লা-রজূলুইঁ ইউরীদুআইঁ ইয়াসুদ্দাকুম ‘আম্মা-ক-না ইয়া‘বুদুআ-বাউকুম ওয়াক-লূমা-হাযাইল্লাইফকুম মুফতারওঁ- ওয়া ক-লাল্লাযীনা কাফারূলিল হাক্কিলাম্মাজাআহুম ইন হা-যাইল্লা-ছিহরুম মুবীন।উচ্চারণ
এদেরকে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াত শুনানো হয় তখন এরা বলে, “এ ব্যক্তি তো চায় তোমাদের বাপ-দাদারা যেসব উপাস্যের পূজা করে এসেছে তাদের থেকে তোমাদেরকে দূরে সরিয়ে দিতে।” আর বলে, “এ (কুরআন) নিছক একটি মনগড়া মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।” এ কাফেরদের সামনে যখনই সত্য এসেছে তখনই এরা বলে দিয়েছে “এ তো সুস্পষ্ট যাদু।” তাফহীমুল কুরআন
তাদেরকে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পড়ে শোনানো হয়, তখন তারা (আমার রাসূল সম্পর্কে) বলে, এই ব্যক্তি আর কিছুই নয়, কেবল এটাই চায় যে, সে তোমাদেরকে তোমাদের সেই মাবুদদের থেকে ফিরিয়ে দেবে, যাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদা পূজা করে আসছে এবং তারা বলে, এ কুরআন এক মনগড়া মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর যখন কাফেরদের কাছে সত্যের বাণী এসে গেল, তখন তারা সে সম্পর্কে বলল, এটা সুস্পষ্ট যাদু ছাড়া কিছুই নয়।মুফতী তাকী উসমানী
তাদের নিকট যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয় তখন তারা বলেঃ তোমাদের পূর্ব-পুরুষ যার ইবাদাত করত এই ব্যক্তিইতো তার ইবাদাতে তোমাদেরকে বাঁধা দিতে চায়। তারা আরও বলেঃ এটাতো মিথ্যা উদ্ভাবন ব্যতীত কিছু নয়। এবং কাফিরদের নিকট যখন সত্য আসে তখন তারা বলেঃ এটাতো এক সুস্পষ্ট যাদু!মুজিবুর রহমান
যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন তারা বলে, তোমাদের বাপ-দাদারা যার এবাদত করত এ লোকটি যে তা থেকে তোমাদেরকে বাধা দিতে চায়। তারা আরও বলে, এটা মনগড়া মিথ্যা বৈ নয়। আর কাফেরদের কাছে যখন সত্য আগমন করে, তখন তারা বলে, এতো এক সুস্পষ্ট যাদু।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এদের নিকট যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন এরা বলে, ‘তোমাদের পূর্বপুরুষ যার ‘ইবাদত করত এই ব্যক্তিই তো তার ‘ইবাদতে তোমাদেরকে বাধা দিতে চায়।’ এরা আরও বলে, ‘এটা তো মিথ্যা উদ্ভাবন ব্যতীত কিছু নয়,’ এবং কাফিরদের নিকট যখন সত্য আসে তখন এরা বলে, ‘এটা তো এক সুস্পষ্ট জাদু।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হত তখন তারা বলত, ‘এতো এমন এক ব্যক্তি যে তোমাদের বাধা দিতে চায় তা থেকে যার ইবাদাত তোমাদের পিতৃপুরুষগণ করত’। তারা আরও বলে, ‘এটি বানোয়াট মিথ্যা বৈ কিছু নয়।’ আর কাফিরদের নিকট যখনই সত্য আসে তখন তারা বলে, ‘এতো কেবল এক সুস্পষ্ট যাদু।’আল-বায়ান
তাদের সম্মুখে যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা বলে- এটা তো এমন একজন মানুষ, যে তোমাদেরকে তোমাদের পূর্বপুরুষ যার ‘ইবাদাত করত তাত্থেকে বাধা দিতে চায়। তারা আরো বলে যে, এটা মনগড়া মিথ্যে ছাড়া আর কিছুই নয়। সত্য যখন কাফিরদের নিকট আসে তখন তারা বলে- এটা তো সুস্পষ্ট যাদু।তাইসিরুল
আর যখন তাদের কাছে আমাদের সুস্পষ্ট নির্দেশাবলী আবৃত্তি করা হয় তখন তারা বলে -- "এ তো একজন মানুষ ছাড়া আর কেউ নয় যে তোমাদের ফিরিয়ে রাখতে চায় তা থেকে যার উপাসনা করত তোমাদের পিতৃপুরুষরা।" আর তারা বলে -- "এ একটি বানানো মিথ্যা ব্যতীত আর কিছু নয়।" আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা সত্য-সন্বন্ধে, এটি যখন তাদের কাছে আসে তখন, বলে -- "এ স্পষ্ট জাদু বৈ তো নয়।"মাওলানা জহুরুল হক
৪৩. আর তাদের কাছে যখন আমাদের সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন তারা বলে, তোমাদের পূর্বপুরুষ যার ইবাদাত করত এ ব্যক্তিই তো তার ইবাদাতে বাধা দিতে চায়। তারা আরও বলে, এটা তো মিথ্যা উদ্ভাবন ছাড়া আর কিছুই নয়। আর কাফিরদের কাছে যখন সত্য আসে তখন তারা বলে, এ তো এক সুস্পষ্ট জাদু।
(৪৩) এদের নিকট যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, তখন এরা বলে, ‘এ তো সেই ব্যক্তিই,(1) যে তোমাদের পূর্বপুরুষ যার উপাসনা করত, তার উপাসনায় বাধা দিতে চায়।’ এরা আরও বলে, ‘এ (কুরআন) তো মিথ্যা উদ্ভাবন ব্যতীত কিছু নয়।’(2) আর সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের নিকট যখন সত্য আসে, তখন তারা বলে, ‘এ তো এক সুস্পষ্ট যাদু।’ (3)
(1) ‘ব্যক্তি’ থেকে উদ্দেশ্য হল নবী করীম (সাঃ)। বাপ-দাদার ধর্ম তাদের নিকট সঠিক ধর্ম ছিল। যার ফলে তারা নবী (সাঃ)-এর এই অপরাধ বর্ণনা করেছে যে, এ তোমাদেরকে সেই সকল উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চায়, যাদের ইবাদত তোমাদের বাপ-দাদারা করত।
(2) দ্বিতীয় ‘هذا’ (এ)র উদ্দেশ্য হল কুরআন কারীম। কুরআনকে তারা তৈরী করা (স্বরচিত) বা মনগড়া এবং (আল্লাহর প্রতি) মিথ্যা অপবাদ বলে আখ্যায়িত করেছে।
(3) কাফেররা কুরআনকে প্রথমে মনগড়া মিথ্যা বলেছে এবং এখানে স্পষ্ট যাদু বলেছে। প্রথম কথার সম্পর্ক কুরআনের অর্থ ও তাৎপর্যের সাথে আর দ্বিতীয় কথা কুরআনের অলৌকিক ছন্দ ও বর্ণনাভঙ্গি এবং সাহিত্য-শৈলী ও শব্দস্বাচ্ছন্দ্যের সাথে সম্পৃক্ত।