কুল ইন্না রববী ইয়াবছুতু ররিঝকালিমাইঁ ইয়াশাউওয়াইয়াকদিরু ওয়া লা-কিন্না আকছারন্না-ছি লা-ইয়া‘লামূন।উচ্চারণ
হে নবী! তাদেরকে বলে দাও, আমার রব যাকে চান প্রশস্ত রিযিক দান করেন এবং যাকে চান মাপাজোকা দান করেন কিন্তু বেশীর ভাগ লোক এর প্রকৃত তাৎপর্য জানে না। ৫৬ তাফহীমুল কুরআন
বলে দাও, আমার প্রতিপালক যার জন্য ইচ্ছা করেন রিযক প্রশস্ত করে দেন এবং (যার জন্য ইচ্ছা) সংকীর্ণ করে দেন, কিন্তু অধিকাংশ লোক একথা বোঝে না। #%২০%#মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ আমার রাবব যার প্রতি ইচ্ছা রিয্ক বর্ধিত করেন, অথবা এটা সীমিত করেন; কিন্তু অধিকাংশ লোকই এটা জানেনা।মুজিবুর রহমান
বলুন, আমার পালনকর্তা যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং পরিমিত দেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা বোঝে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘আমার প্রতিপালক যার প্রতি ইচ্ছা তার রিযিক বর্ধিত করেন বা সীমিত করেন; কিন্তু অধিকাংশ লোকই এটা জানে না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আমার রব যার জন্য ইচ্ছা রিয্ক প্রশস্ত করেন অথবা সঙ্কুচিত করেন। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।’আল-বায়ান
বল- আমার প্রতিপালক যার জন্য চান রিযক প্রশস্ত করেন বা সীমিত করেন, কিন্তু (এর তাৎপর্য) অধিকাংশ লোকই জানে না।তাইসিরুল
তুমি বলো -- "আমার প্রভু যার জন্য ইচ্ছা করেন জীবিকা বাড়িয়ে দেন এবং সীমিতও করেন, কিন্তু অধিাকাংশ লোকেই জানে না।"মাওলানা জহুরুল হক
৫৬
অর্থাৎ দুনিয়ায় রিযিক বন্টনের ব্যবস্থা যে জ্ঞান, কৌশল ও কল্যাণ বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠিত তা তারা অনুধাবন করে না। ফলে তারা এ বিভ্রান্তির শিকার হয়ে পড়ে যে, আল্লাহ যাকে প্রশস্ত রিযিক দান করেন সে তাঁর প্রিয়পাত্র এবং যার রিযিক তিনি সংকীর্ণ করে দেন সে তাঁর গযবের মুখোমুখি হয়েছে। অথচ কোন ব্যক্তি সামান্য চোখ মেলে তাকালে দেখতে পারে, অনেক সময় বড়ই নোংরা ও ভয়ংকর চরিত্রের লোকেরা বিত্ত ও সম্পদশালী হয়েছে এবং আয়েশী জীবন যাপন করছে, পক্ষান্তরে অনেক সৎকর্মশীল ভদ্রলোক, যাদের চরিত্র গুণ সবার স্বীকৃতি পেয়েছে, তারা আর্থিক অনটনে জীবন যাপন করছে। এখন কোন্ বুদ্ধিমান ব্যক্তি বলতে পারে, আল্লাহ এ পাক-পবিত্র চরিত্রের অধিকারী লোকদের কে অপছন্দ করেন এবং দুষ্ট প্রকৃতির শয়তান চরিত্রের লোকদেরকেই ভালবাসেন?
প্রকৃত বিষয় না বোঝার কারণেই তাদের ধারণা হয়েছে, দুনিয়ায় যখন আমরা ধনে-জনে অন্যদের উপরে, তখন বোঝাই যাচ্ছে আমরা আল্লাহ তাআলার প্রিয় বান্দা। অথচ দুনিয়ায় অর্থ-সম্পদ দেওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহর মাপকাঠি এই নয় যে, যে আল্লাহর যত বেশি প্রিয় হবে তাকে তত বেশি সম্পদ দেওয়া হবে। প্রকৃতপক্ষে এটা নির্ভর করে কেবলই আল্লাহ তাআলার ইচ্ছার উপর। এখানে তিনি নিজ ইচ্ছা ও হেকমত অনুযায়ী যাকে ইচ্ছা বেশি সম্পদ দেন এবং যাকে ইচ্ছা কম দেন। তাঁর প্রিয় হওয়া বা না হওয়ার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।
৩৬. বলুন, আমার রব যার প্রতি ইচ্ছে তার রিযিক বাড়িয়ে দেন অথবা সীমিত করেন; কিন্তু অধিকাংশ লোকই এটা জানে না।
(৩৬) তুমি বল, ‘আমার প্রতিপালক যার জন্য ইচ্ছা তার রুযী বর্ধিত করেন অথবা তা সীমিত করেন;(1) কিন্তু অধিকাংশ লোক এ বোঝে না।’
(1) এই আয়াতে কাফেরদের উক্ত ভুল ধারণা ও সন্দেহ দূর করা হচ্ছে যে, রুযীর প্রশস্ততা ও সংকীর্ণতা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং তার সম্পর্ক আল্লাহর ইচ্ছা ও হিকমতের সাথে। এই জন্য তিনি সম্পদ যাকে পছন্দ করেন তাকেও দেন এবং যাকে অপছন্দ করেন তাকেও দেন। তিনি যাকে চান ধনী করেন এবং যাকে চান গরীব করেন।