وَلَقَدۡ صَدَّقَ عَلَيۡهِمۡ إِبۡلِيسُ ظَنَّهُۥ فَٱتَّبَعُوهُ إِلَّا فَرِيقٗا مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ

ওয়া লাকাদ সাদ্দাকা ‘আলাইহিম ইবলীছূজান্নাহূফাত্তাবা‘ঊহু ইল্লা-ফারীকাম মিনাল মু’মিনীন।উচ্চারণ

তাদের ব্যাপারে ইবলিস তার ধারণা সঠিক পেয়েছে এবং একটি ক্ষুদ্র মু’মিন দল ছাড়া বাকি সবাই তারই অনুসরণ করছে। ৩৫ তাফহীমুল কুরআন

বস্তুত ইবলিস তাদের সম্পর্কে নিজ ধারণাকে সঠিক পেল। সুতরাং তারা তার অনুগামী হল, কেবল মুমিনদের একটি দল ছাড়া। #%১৫%#মুফতী তাকী উসমানী

তাদের সম্বন্ধে ইবলীস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করল, ফলে তাদের মধ্যে একটি মু’মিন দল ব্যতীত সবাই তার অনুসরণ করল।মুজিবুর রহমান

আর তাদের উপর ইবলীস তার অনুমান সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। ফলে তাদের মধ্যে মুমিনদের একটি দল ব্যতীত সকলেই তার পথ অনুসরণ করল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এদের সম্বন্ধে ইবলিস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করল, ফলে এদের মধ্যে একটি মু’মিন দল ব্যতীত সকলেই তার অনুসরণ করল ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তাদের ব্যাপারে ইবলীস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করল, ফলে মুমিনদের একটি দল ছাড়া সবাই তার অনুসরণ করল।আল-বায়ান

তাদের ব্যাপারে ইবলীস তার ধারণা সত্য প্রমাণিত করল (যে ধারণা ইবলীস আল্লাহর নিকট ব্যক্ত করেছিল যে, অল্প সংখ্যক ব্যতীত সে মানুষদেরকে নিজের বশীভূত করে ছাড়বে)। ফলে মু’মিনদের একটি দল ছাড়া তারা সবাই তার অনুসরণ করল।তাইসিরুল

আর ইবলিস নিশ্চয়ই তার অনুমানকে সঠিক ঠাওরেছিল, কেননা মুমিনদের একটি দল ব্যতীত তারা তার অনুসরণ করেছিল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৫

ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকে সাবা জাতির মধ্যে এমন একটি দল ছিল যারা অন্য উপাস্যদেরকে মেনে চলার পরিবর্তে এক আল্লাহকে মেনে চলতো। বর্তমান যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে ইয়ামনের প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ থেকে যেসব শিলালিপি উদ্ধার করা হয় তার মধ্য থেকে কোন কোনটি এই স্বল্প সংখ্যক দলের অস্তিত্ব চিহ্নিত করে। খৃঃ পূঃ ৬৫০ অব্দের কাছাকাছি সময়ের কোন কোন শিলালিপি একথা বলে যে, সাবা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে এমন কিছু ইবাদাত গৃহ স্থাপিত ছিল যেগুলো আসমানি বা আসমান ওয়ালার (অর্থাৎ আসমানের রব) ইবাদাতের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। কোন কোন স্থানে এ উপাস্যের নাম ملكن ذوسموى (আকাশসমুহের মালিক বাদশাহ) লেখা হয়েছে। এ দলের লোকেরা এক নাগাড়ে শত শত বছর ইয়ামনে বাস করে থাকে। কাজেই ৩৭৮ খৃস্টাব্দে একটি শিলালিপিতে اله ذوسموى (আকাশসমূহের ইলাহ) নামে একটি ইবাদাত গৃহ নির্মাণের উল্লেখ দেখা যায়। তারপর ৪৬৫ খৃস্টাব্দের একটি শিলালিপিতে এ শব্দগুলো পাওয়া যায়ঃ بنصر وردا الهن بعل سمعين وارضين (অর্থাৎ এমন খোদার মদদ ও সাহায্য সহকারে যিনি আকাশ সমূহ ও পৃথিবীর মালিক) একই সময়ের ৪৫৮ খৃস্টাব্দের আর একটি শিলালিপিতে এই খোদার জন্য “রহমান” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। মুল শব্দ হচ্ছে بردا رحمنن (অর্থাৎ রহমানের সাহায্যে)।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ হযরত আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করার সময় ইবলিস ধারণা করেছিল সে তাঁর আওলাদকে বিপথগামী করতে পারবে। তো এই অবাধ্যদের সম্পর্কে তার ধারণা সত্যেই পরিণত হল যে, তারা তার অনুসারী হয়ে গেল।

তাফসীরে জাকারিয়া

২০. আর অবশ্যই তাদের সম্বন্ধে ইবলীস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করল, ফলে তাদের মধ্যে একটি মুমিন দল ছাড়া সবাই তার অনুসরণ করল;

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২০) তাদের উপর ইবলীস তার অনুমান সত্য হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করল, ফলে ওদের মধ্যে একটি বিশ্বাসী দল ছাড়া সকলেই তার অনুসরণ করল;