ওয়া ইয়ারল্লাযীনা ঊতুল ‘ইলমাল্লাযীউনঝিলা ইলাইকা মির রব্বিকা হুওয়াল হাক্কা ওয়া ইয়াহদীইলা-সির-তিল ‘আঝীঝিল হামীদ।উচ্চারণ
হে নবী! জ্ঞানবানরা ভালো করেই জানে, যা কিছু তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে তা পুরোপুরি সত্য এবং তা পরাক্রমশালী ও প্রশংসিত আল্লাহর পথ দেখায়। ৯ তাফহীমুল কুরআন
(হে নবী!) যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, তারা ভালো করেই বোঝে তোমার প্রতি তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে তা সত্য এবং তা সেই সত্তার পথ দেখায় যিনি ক্ষমতারও মালিক, সমস্ত প্রশংসারও উপযুক্ত।মুফতী তাকী উসমানী
যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার রবের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা সত্য। ইহা মানুষকে পরাক্রমশালী ও প্রশংসা আল্লাহর পথ নির্দেশ করে।মুজিবুর রহমান
যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, তারা আপনার পালনকর্তার নিকট থেকে অবর্তীর্ণ কোরআনকে সত্য জ্ঞান করে এবং এটা মানুষকে পরাক্রমশালী, প্রশংসার্হ আল্লাহর পথ প্রদর্শন করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাই সত্য ; এটা পরাক্রমশালী প্রশংসার্হ আল্লাহ্ র পথনির্দেশ করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা জানে যে, তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তা সত্য এবং তা মহাপরাক্রমশালী ও প্রশংসিত আল্লাহর পথের দিকে হিদায়াত করে।আল-বায়ান
যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তারা তোমার কাছে তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাকে সত্য বলে জানে এবং (তারা আরো জানে যে) তা মহাপরাক্রমশালী ও প্রশংসিত (আল্লাহ)’র পথে পরিচালিত করে।তাইসিরুল
আর যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তারা দেখতে পায় যে তোমার কাছে তোমার প্রভুর কাছ থেকে যা অবতারণ করা হয়েছে তাই সত্য, আর তা পরিচালিত করে মহাশক্তিশালী পরম প্রশংসিতের পথে।মাওলানা জহুরুল হক
৯
অর্থাৎ এ বিরোধীরা তোমার উপস্থাপিত সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য যতই জোর দিক না কেন তাদের এসব প্রচেষ্টা ও কৌশল সফলকাম হতে পারবে না। কারণ এসব কথার মাধ্যমে তারা কেবলমাত্র মূর্খদেরকেই প্রতারিত করতে পারবে। জ্ঞানবানরা তাদের প্রতারণার জালে পা দেবে না।
৬. আর যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তারা জানে যে, আপনার রবের কাছ থেকে আপনার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা-ই সত্য; এবং এটা পরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর পথ নির্দেশ করে।
(৬) যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, তারা সুনিশ্চিতভাবে জানে যে, তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা সত্য;(1) এবং তা মানুষকে পরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর পথ নির্দেশ করে। (2)
(1) এখানে يَرَى দেখার অর্থ হল অন্তর-চক্ষু দিয়ে দেখা; শুধু চোখের দেখা নয়। অর্থাৎ, ‘ইলমে ইয়াকীন’ দ্বারা সুনিশ্চিতরূপে জানে। ‘যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে’ বলে সাহাবায়ে-কিরামগণ অথবা আহলে কিতাবদের মু’মিন বা সকল মু’মিনদেরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ মু’মিনগণ তা জানেন ও তার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখেন।
(2) এর সংযোগ ‘সত্য’ শব্দের সাথে। অর্থাৎ, তারা এটাও জানে যে, এই কুরআন কারীম ঐ পথের দিশা দেয়, যা সেই আল্লাহর পথ, যিনি সৃষ্টি জগতে সকলের উপর প্রতাপশালী এবং আপন সৃষ্টির মাঝে প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। সে পথ হল তাওহীদের পথ, যে পথের দিকে সকল পয়গম্বরগণ নিজ নিজ সম্প্রদায়কে দাওয়াত দিয়েছিলেন।