তাহিইয়াতুহুম ইয়াওমা ইয়ালকাওনাহূছালা-মুন ওয়া আ‘আদ্দা লাহুম আজরন কারীমা-।উচ্চারণ
যেদিন তারা তাঁর সাথে সাক্ষাত করবে, তাদের অভ্যর্থনা হবে সালামের মাধ্যমে তাফহীমুল কুরআন
মুমিনগণ যে দিন আল্লাহর সাথে মিলিত হবে, সেদিন তাদেরকে অভ্যর্থনা জানানো হবে সালাম দ্বারা। আল্লাহ তাদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।মুফতী তাকী উসমানী
যেদিন তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে সেদিন তাদের প্রতি অভিবাদন হবে ‘সালাম’। তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন উত্তম প্রতিদান।মুজিবুর রহমান
যেদিন আল্লাহর সাথে মিলিত হবে; সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম। তিনি তাদের জন্যে সম্মানজনক পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যেদিন তারা আল্লাহ্ র সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, সেদিন তাদের প্রতি অভিবাদন হবে ‘সালাম’। তিনি তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন উত্তম প্রতিদান। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যেদিন তারা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে সেদিন তাদের অভিবাদন হবে: ‘সালাম’। আর তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন সম্মানজনক প্রতিদান।আল-বায়ান
যেদিন তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে সেদিন তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’। তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন সম্মানজনক প্রতিদান।তাইসিরুল
যেদিন তারা তাঁর সঙ্গে মোলাকাত করবে সেদিন তাদের সম্ভাষণ হবে "সালাম"! আর তাদের জন্য তিনি তৈরী রেখেছেন এক মহান প্রতিদান।মাওলানা জহুরুল হক
৪৪. যেদিন তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে, সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম।(১) আর তিনি তাদের জন্য প্ৰস্তুত রেখেছেন সম্মানজনক প্রতিদান।
(১) আয়াতে বলা হয়েছেঃ “তার সাথে মোলাকাতের সময় সেদিন তাদের অভ্যর্থনা হবে সালাম”। অর্থাৎ যেদিন আল্লাহ তা'আলার সাথে এদের সাক্ষাত ঘটবে-তখন তাঁর পক্ষ থেকে এদেরকে সালাম বা আসসালামু আলাইকুমের মাধ্যমে সম্ভাষণ জানানো হবে। এখন প্রশ্ন হলো, এ সালাম কখন দেয়া হবে? এর উত্তরে বিভিন্ন সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে। অধিকাংশের মতে, এখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম দেয়ার কথা বলা হয়েছে। সুতরাং এ সালাম মুমিনগণের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে হয় বা হবে। ইমাম রাগেব প্রমূখের মতে, আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের দিন হলো আখেরাতের দিন। আবার কোন কোন তাফসীরকারকের মতে এ সাক্ষাতের সময় হলো জান্নাতে প্রবেশকাল যেখানে তাদের প্রতি আল্লাহ ও ফেরেশতাগণের পক্ষ থেকে সালাম পৌছানো হবে। আবার কোন কোন মুফাসসির মৃত্যু দিবসকে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের দিন বলে মন্তব্য করেছেন। সেদিন সমগ্ৰ বিশ্বের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আল্লাহ সমীপে উপস্থিত হওয়ার দিন। আবার কোন কোন মুফাস্সিরের মতে, এ সালাম মুমিনগণ পরস্পর পরস্পরকে প্রদান করবে। (দেখুন: ইবন কাসীর, ফাতহুল কাদীর)
(৪৪) যেদিন তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সেদিন তাদের প্রতি অভিবাদন হবে সালাম (শান্তি)। (1) আর তিনি তাদের জন্য সম্মানজনক প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন।
(1) অর্থাৎ, জান্নাতে ফিরিশতাগণ মু’মিনদেরকে অথবা মু’মিনগণ আপোসে একজন অপরজনকে সালাম করবেন।