আল্লাযীনা ইউবালিলাগূনা রিছা-লা-তিল্লা-হি ওয়া ইয়াখশাওনাহূওয়ালা-ইয়াখশাওনা আহাদান ইল্লাল্লা-হা ওয়া কাফা-বিল্লা-হি হাছীবা-।উচ্চারণ
(এ হচ্ছে আল্লাহর নিয়ম তাদের জন্য) যারা আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে থাকে, তাঁকেই ভয় করে এবং এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় করে না আর হিসেব গ্রহণের জন্য কেবলমাত্র আল্লাহই যথেষ্ট। ৭৬ তাফহীমুল কুরআন
(নবী তো তারা,) যারা আল্লাহর প্রেরিত বিধানাবলী মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়, তাঁকেই ভয় করে এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে না। হিসাব গ্রহণের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।মুফতী তাকী উসমানী
তারা আল্লাহর বাণী প্রচার করত এবং তাঁকে ভয় করত, আর আল্লাহকে ছাড়া অন্য কেহকেও ভয় করতনা। হিসাব গ্রহণে আল্লাহই যথেষ্ট।মুজিবুর রহমান
সেই নবীগণ আল্লাহর পয়গাম প্রচার করতেন ও তাঁকে ভয় করতেন। তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্যকাউকে ভয় করতেন না। হিসাব গ্রহণের জন্যে আল্লাহ যথেষ্ঠ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তারা আল্লাহ্ র বাণী প্রচার করত এবং তাঁকে ভয় করত, আর আল্লাহ্কে ব্যতীত অন্য কাউকেও ভয় করত না। হিসেব গ্রহণে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যারা আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দেয় ও তাঁকে ভয় করে এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না*, আর হিসাব গ্রহণকারীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট।আল-বায়ান
তারা (নবীগণ) আল্লাহর বাণী প্রচার করত আর তাঁকে ভয় করত। আল্লাহ ছাড়া কাউকে তারা ভয় করত না। (মানুষদের) হিসাব গ্রহণে আল্লাহই যথেষ্ট।তাইসিরুল
যারা আল্লাহ্র বাণী পৌঁছে দেয় এবং তাঁকে ভয় করে, আর আল্লাহ্ ছাড়া আর কাউকেও ভয় করে না। আর আল্লাহ্ই যথেষ্ট হিসাব-রক্ষকরূপে।মাওলানা জহুরুল হক
৭৬
মূল শব্দগুলো হচ্ছে, وَكَفَى بِاللَّهِ حَسِيبًا এর দু’টি অর্থ। এক, প্রত্যেকটি ভয় ও বিপদের মোকাবিলায় আল্লাহই যথেষ্ট। দুই, হিসেব নেবার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট। তাঁর ছাড়া আর কারো কাছে জবাবদিহির ভয় করার কোন প্রয়োজন নেই।
৩৯. তারা আল্লাহর বাণী প্রচার করত, আর তাঁকে ভয় করত এবং আল্লাহকে ছাড়া অন্য কাউকেও ভয় করত না।(১) আর হিসাব গ্রহণকারীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট।
(১) নবী আলাইহিমুস সালামগণের যে অপর এক গুণ বৈশিষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে তা এই যে, এসব মহাত্মবৃন্দ আল্লাহকে ভয় করেন এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় করেন না। (মুয়াস্সার, ফাতহুল কাদীর)
(৩৯) ওরা আল্লাহর বাণী প্রচার করত; ওরা তাঁকে ভয় করত এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাকেও ভয় করত না।(1) আর হিসাব গ্রহণে আল্লাহই যথেষ্ট। (2)
(1) যার ফলে কারোর ভয় বা প্রতাপ তাঁদেরকে আল্লাহর পয়গাম পৌছাতে না বাধা দিতো, আর না কারো মন্তব্য, নিন্দাবাদ, সমালোচনা ইত্যাদির তাঁরা পরোয়া করতেন।
(2) অর্থাৎ, তিনি সর্বত্র তাঁর ইলম ও ক্ষমতা নিয়ে বিদ্যমান, যার ফলে তিনি তাঁর বান্দাদের সাহায্যের জন্য যথেষ্ট এবং আল্লাহর দ্বীনের দাওয়াত-তবলীগে তাঁদের যে সমস্যা আসে তাতে তিনি সাহায্য করেন এবং শত্রুদের নাপাক বাসনা ও সম্মিলিত অসৎ প্রচেষ্টা থেকে তাঁদেরকে রক্ষা করেন।