ওয়া ইযইয়াকূ লুলমুনা-ফিকূনা ওয়াল্লাযীনা ফী কুলূবিহিম মারদুম মা-ওয়া‘আদানাল্লাহুয়া রছূলুহূইল্লা-গুরূর-।উচ্চারণ
স্মরণ করো যখন মুনাফিকরা এবং যাদের অন্তরে রোগ ছিল তারা পরিষ্কার বলছিল, আল্লাহ ও তাঁর রসূল আমাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২২ তা ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই ছিল না। তাফহীমুল কুরআন
এবং স্মরণ কর যখন মুনাফেকগণ এবং যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে, তারা বলছিল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়। #%১৩%#মুফতী তাকী উসমানী
এবং মুনাফিকরাও যাদের অন্তরে ছিল ব্যাধি, তারা বলছিলঃ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়।মুজিবুর রহমান
এবং যখন মুনাফিক ও যাদের অন্তরে রোগ ছিল তারা বলছিল, আমাদেরকে প্রদত্ত আল্লাহ ও রসূলের প্রতিশ্রুতি প্রতারণা বৈ নয়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আর স্মরণ কর, মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ছিল ব্যাধি, তারা বলছিল, ‘আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ব্যতীত কিছুই নয়।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর স্মরণ কর, যখন মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ব্যাধি ছিল তারা বলছিল, ‘আল্লাহ ও তার রাসূল আমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়’।আল-বায়ান
আর স্মরণ কর, যখন মুনাফিকরা এবং যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা বলছিল- আল্লাহ ও তাঁর রসূল আমাদেরকে যে ওয়া‘দা দিয়েছেন তা ধোঁকা ছাড়া আর কিছুই নয়।তাইসিরুল
আর স্মরণ করো! মুনাফিকরা ও যাদের হৃদয়ে ব্যাধি রয়েছে তারা বলছিল -- "আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল আমাদের কাছে প্রতারণা করা ছাড়া অন্য ওয়াদা করেন নি।"মাওলানা জহুরুল হক
২২
অর্থাৎ এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি যে, ঈমানদাররা আল্লাহর সাহায্য-সমর্থন লাভ করবে এবং তাদেরকে চূড়ান্ত বিজয় দান করা হবে।
বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বর্ণনায় আছে, হযরত সালমান ফারসী (রাযি.) যে স্থানে পরিখা খনন করেছিলেন, সেখানে একটি কঠিন পাথরের চাঁই বের হয়ে এসেছিল। সেটি কোনক্রমেই ভাঙ্গা যাচ্ছিল না। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষয়টা অবগত করা হলে তিনি স্বয়ং সেখানে উপস্থিত হন এবং হাতে কোদাল নেন। তিনি প্রথমে পাঠ করলেন, وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ صِدْقًا “এবং তোমার প্রতিপালকের বাণী সত্যিকারভাবে পূর্ণতা লাভ করল”। তারপর পাথরের উপর কোদাল মারলেন। তাতে পাথরটির এক-তৃতীয়াংশ ভেঙ্গে গেল। সেই সঙ্গে তা থেকে আগুনের এমন এক ফুলকি ছুটল, যার আলোয় তিনি ইয়ামান ও কিসরার অট্টালিকাসমূহ দেখতে পেলেন। তারপর তিনি আবার পাঠ করলেন, وَتَمَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ صِدْقًا وَّعَدْلًا “এবং তোমার প্রতিপালকের বাণী সত্যিকার ও ন্যায়সঙ্গতভাবে পূর্ণতা লাভ করল”। এই বলে তিনি দ্বিতীয় বার কোদাল মারলেন। তাতে পাথরটির দ্বিতীয় অংশ ভেঙ্গে গেল এবং সেই সঙ্গে আগুনের এমন এক ফুলকি ছুটল, যার আলোয় তিনি রোমের অট্টালিকাসমূহ দেখতে পেলেন। তারপর তৃতীয় আঘাত হানলেন এবং তাতে সম্পূর্ণ পাথরটি ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, ইয়ামান, ইরান ও রোমের অট্টালিকাসমূহ দেখিয়ে আমাকে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, এসব দেশ আমার উম্মতের করতলগত হবে। মুনাফেকরা তো একথা শুনে হেসেই খুন। তারা ব্যঙ্গ করে বলল, যারা নিজেদের নগর রক্ষা করতেই হিমশিম খাচ্ছে, তারা কিনা রোম ও ইরান জয়ের স্বপ্ন দেখছে। মুফাসসিরগণ বলেন, এ আয়াতে মুনাফেকদের সেই সব মন্তব্যের প্রতিই ইশারা করা হয়েছে।
১২. আর স্মরণ কর, যখন মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ছিল ব্যাধি, তারা বলছিল, আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়।
(১২) এবং যখন মুনাফিক (কপটচারি)গণ এবং যাদের অন্তরে ব্যাধি ছিল তারা বলছিল, ‘আল্লাহ এবং তাঁর রসূল আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা বৈ কিছুই নয়।’(1)
(1) অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সাহায্যের ওয়াদা একটা ধোঁকাবাজি ছিল। প্রায় সত্তর জন মুনাফিক ছিল, যাদের মনের কথা মুখে প্রকাশ হয়ে পড়ে।