কুল ইয়াওমাল ফাতহিলা-ইয়ানফা‘উল্লাযীনা কাফারূঈমা-নুহুম ওয়ালা-হুম ইউনজারূন।উচ্চারণ
এদেরকে বলে দাও, “যারা কুফরী করেছে ফায়সালার দিন ঈমান আনা তাদের জন্য মোটেই লাভজনক হবে না এবং এরপর এদের কোন অবকাশ দেয়া হবে না।” ৪২ তাফহীমুল কুরআন
বলে দাও, যে দিন মীমাংসা হবে, সে দিন অস্বীকারকারীর জন্য তাদের ঈমান আনয়ন কোন উপকারে আসবে না এবং তাদেরকে কোন অবকাশও দেওয়া হবে না। #%১৫%#মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ ফাইসালার দিন কাফিরদের ঈমান আনা তাদের কোন কাজে আসবেনা এবং তাদেরকে অবকাশ দেয়া হবেনা।মুজিবুর রহমান
বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে অবকাশ ও দেয়া হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘ফয়সালার দিনে কাফিরদের ঈমান আনয়ন এদের কোন কাজে আসবে না এবং এদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ফয়সালার দিনে কাফিরদের ঈমান গ্রহণ তাদের কোন উপকার করবে না। আর তাদেরকে অবকাশ দেয়া হবে না।আল-বায়ান
বল, ফয়সালার দিনে (সব কিছু দেখার পর) কাফিরদের ঈমান আনয়ন তাদের কোন উপকার দিবে না, আর তাদেরকে কোন সময়ও দেয়া হবে না।তাইসিরুল
বলো -- "বিজয়ের দিনে যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের বিশ্বাসে কোনো উপকার হবে না, আর তাদের প্রতীক্ষা করতে হবে না।"মাওলানা জহুরুল হক
৪২
অর্থাৎ এটা এমন কি জিনিস যে জন্য তোমরা অস্থির হয়ে পড়েছো? আল্লাহর আযাব একবার এসে গেলে তখন তো আর তোমরা সংযত হবার সুযোগ পাবে না। আযাব আসার আগে তোমরা যে অবকাশটা পাচ্ছো এটাকে দুর্লভ মনে করো। আযাবকে সরাসরি সামনে দেখার পর ঈমান আনলে কোন লাভ হবে না।
অর্থাৎ এখনও সময় আছে। আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং সেই দিন যাতে মুক্তি লাভ করতে পার তার চেষ্টা কর। অন্যথায় সেই দিনটি এসে গেলে তখন ঈমান আনার দ্বারা কোন কাজ হবে না। তখন শাস্তি দেরি করা হবে না এবং ভবিষ্যতে সংশোধন হয়ে আসার সুযোগও দেওয়া হবে না। কাজেই এখনকার সুযোগকে কাজে লাগাও। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে সময় নষ্ট করো না। মীমাংসার সে সময় স্থির হয়ে আছে। একদিন তা অবশ্যই আসবে। কেউ তা টলাতে পারবে না। কাজেই তা কখন আসবে, মীমাংসা কখন হবে এটা একটা ফযুল প্রশ্ন (-অনুবাদক, তাফসীরে উসমানী থেকে)।
২৯. বলুন, বিজয়ের দিন কাফেরদের ঈমান আনা তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।(১)
(১) অর্থাৎ যখন আল্লাহর আযাব এসে যাবে এবং তার ক্ৰোধ আপতিত হবে, তখন কাফেরদের ঈমান কোন কাজে আসবে না। আর তাদেরকে তখন আর কোন সুযোগও দেয়া হবে না। যেমন অন্য আয়াতে এসেছে, “অতঃপর তাদের কাছে যখন স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তাদের রাসূলগণ আসলেন, তখন তারা নিজেদের কাছে বিদ্যমান থাকা জ্ঞানে উৎফুল্ল হল। আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত তা-ই তাদেরকে বেষ্টন করল। অতঃপর তারা যখন আমাদের শাস্তি দেখল তখন বলল, “আমরা একমাত্র আল্লাহর উপর ঈমান আনলাম এবং আমরা তাঁর সাথে যাদেরকে শরীক করতাম তাদের সাথে কুফরী করলাম।” কিন্তু তারা যখন আমার শাস্তি দেখল তখন তাদের ঈমান তাদের কোন উপকারে আসল না। আল্লাহর এ বিধান পূর্ব থেকেই তাঁর বান্দাদের মধ্যে চলে আসছে এবং তখনই কাফিররা ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েছে।” (সূরা গাফির: ৮৩–৮৫)
(২৯) বল, ‘বিচার-ফায়সালার দিনে অবিশ্বাসীদের বিশ্বাস ওদের কোন কাজে আসবে না, এবং ওদের অবকাশও দেওয়া হবে না।’ (1)
(1) يوم الفتح এর অর্থ হল শেষ ফায়সালার দিন, কিয়ামতের দিন। যেদিন না ঈমান গ্রহণ করা হবে, না কোন অবকাশ দেওয়া হবে। এখানে ‘ফাতহে মক্কা’ (মক্কা বিজয়ে)র দিন উদ্দেশ্য নয়। কারণ সেদিন ক্ষমাপ্রাপ্ত মুক্ত মানুষদের ইসলাম গ্রহণ করে নেওয়া হয়েছিল; যারা গণনায় দুই হাজারের মত ছিল। (ইবনে কাসীর) ক্ষমাপ্রাপ্ত মুক্ত মানুষ হল ঐ সকল মক্কাবাসী, যাদেরকে মহানবী (সাঃ) মক্কা বিজয়ের দিন শাস্তির পরিবর্তে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন এবং এই কথা বলে তাদেরকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন যে, আজ তোমাদের পূর্বকৃত যুলমের কোন প্রতিশোধ নেওয়া হবে না। সুতরাং তাদের অধিকাংশই মুসলমান হয়ে গিয়েছিল।