ওয়া লাইন ছাআলতাহুম মান্নাঝঝালা মিনাছছামাই মাআন ফাআহইয়া-বিহিল আরদা মিম বা‘দি মাওতিহা- লাইয়াকূলুন্নাল্লা-হু কুল্লি হামদুলিল্লা-হি বাল আকছারুহুম লা-ইয়া‘কিলূন।উচ্চারণ
আর যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, কে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন এবং তার সাহায্যে মৃত পতিত ভূমিকে সঞ্জীবিত করেছেন, তাহলে তারা অবশ্যই বলবে আল্লাহ। বলো, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য ১০১ কিন্তু অধিকাংশ লোক বোঝে না। তাফহীমুল কুরআন
তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, কে আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন অতঃপর তা দ্বারা ভূমিকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেছেন, তবে তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ! বল, ‘আলহামদুলিল্লাহ’। #%৪১%# কিন্তু তাদের অধিকাংশেই বুদ্ধিকে কাজে লাগায় না।মুফতী তাকী উসমানী
যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ ভূমি মৃত হওয়ার পর আকাশ হতে বারি বর্ষণ করে কে ওকে সঞ্জীবিত করে? তারা অবশ্যই বলবেঃ আল্লাহ! বলঃ প্রশংসা আল্লাহরই। কিন্তু তাদের অধিকাংশই এটা অনুভব করেনা।মুজিবুর রহমান
যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, কে আকাশ থেকে বারি বর্ষণ করে, অতঃপর তা দ্বারা মৃত্তিকাকে উহার মৃত হওয়ার পর সঞ্জীবিত করে? তবে তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বোঝে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যদি তুমি এদেরকে জিজ্ঞাসা কর, আকাশ হতে বারি বর্ষণ করে কে ভূমিকে সঞ্জীবিত করেন এর মৃত্যুর পর ? এরা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ্’। বল, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ র ই।’ কিন্তু এদের অধিকাংশই এটা অনুধাবন করে না।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তুমি যদি তাদেরকে প্রশ্ন কর, ‘কে আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা দ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন’? তবে তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ’। বল, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর’। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা বুঝে না।আল-বায়ান
যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- আকাশ হতে কে পানি বর্ষণ ক’রে যমীনকে তার মৃত্যুর পর আবার সঞ্জীবিত করেন? তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- আল্লাহ। বল, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বুঝে না।তাইসিরুল
আর যদি তুমি তাদের জিজ্ঞাসা কর -- 'কে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন ও তার দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পরে সঞ্জীবিত করেন?’ -- তারা নিশ্চয়ই বলবে -- "আল্লাহ।" তুমি বলো -- "সকল প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বুঝতে পারে না।মাওলানা জহুরুল হক
১০১
এখানে “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য” শব্দগুলোর দু’টি অর্থ প্রকাশিত হচ্ছে। একটি অর্থ হচ্ছে, এসব যখন আল্লাহরই কাজ তখন একমাত্র তিনিই প্রশংসার অধিকারী। অন্যেরা প্রশংসালাভের অধিকার অর্জন করলো কোথায় থেকে? দ্বিতীয় অর্থটি হচ্ছে, আল্লাহর শোকর, তোমরা নিজেরাও একথা স্বীকার করছো।
আলহামদুলিল্লাহ, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। তারা নিজেদের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছে, এই বিশ্বজগতের সৃষ্টিকর্তা কেবল আল্লাহ তাআলা, অন্য কেউ নয়। এ স্বীকারোক্তির অনিবার্য ফল হল, তাদের অংশীবাদীসুলভ আকীদা-বিশ্বাস সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিলকুল বাতিল।
৬৩. আর যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আকাশ হতে বারি বর্ষণ করে কে ভূমিকে সঞ্জীবিত করেন তার মৃত্যুর পর? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ। বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই।(১) কিন্তু তাদের অধিকাংশই এটা অনুধাবন করে না।
(১) এখানে “সমস্ত প্ৰশংসা আল্লাহর জন্য” শব্দগুলোর দু'টি অর্থ প্রকাশিত হচ্ছে। একটি অর্থ হচ্ছে, এসব যখন আল্লাহরই কাজ তখন একমাত্র তিনিই প্ৰশংসার অধিকারী। অন্যেরা প্রশংসা লাভের অধিকার অর্জন করলো কোথায় থেকে? দ্বিতীয় অর্থটি হচ্ছে, আল্লাহর শোকর, তোমরা নিজেরাও একথা স্বীকার করছো। (দেখুন: ফাতহুল কাদীর)
(৬৩) যদি তুমি ওদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘ভূমি মৃত হওয়ার পর কে আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করে ওকে সঞ্জীবিত করে?’ ওরা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ।’ বল, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।’ কিন্তু ওদের অধিকাংশই জ্ঞান করে না। (1)
(1) কারণ, জ্ঞানী হলে ও জ্ঞান করলে তারা নিজ প্রতিপালকের সাথে সাথে পাথর ও মৃতদেরকেও প্রতিপালক মনে করত না এবং তাদের মাঝে স্ববিরোধিতা থাকত না। যেহেতু আল্লাহ তাআলাকে স্রষ্টা ও প্রতিপালক স্বীকার করার পরেও তারা মূর্তিদেরকে প্রয়োজন পূরণকারী এবং ইবাদতের যোগ্য মনে করত।