وَقَالُواْ لَوۡلَآ أُنزِلَ عَلَيۡهِ ءَايَٰتٞ مِّن رَّبِّهِۦۚ قُلۡ إِنَّمَا ٱلۡأٓيَٰتُ عِندَ ٱللَّهِ وَإِنَّمَآ أَنَا۠ نَذِيرٞ مُّبِينٌ

ওয়া ক-লূলাওলাউনঝিলা ‘আলাইহি আ-য়া-তুম মির রব্বিহী কুল ইন্নামাল আ-য়াতু‘ইনদাল্লা-হি ওয়া ইন্নামাআনা নাযীরুম মুবীন।উচ্চারণ

এরা বলে “কেনই বা এই ব্যক্তির ওপর নিদর্শনাবলী অবর্তীর্ণ করা হয়নি ৯০ এর রবের পক্ষ থেকে?” বলো, “নিদর্শনাবলী তো রয়েছে আল্লাহর কাছে এবং আমি কেবলমাত্র পরিষ্কারভাবে সতর্ককারী।” তাফহীমুল কুরআন

তারা বলে, তার প্রতি (অর্থাৎ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি) তার প্রতিপালকের পক্ষ হতে কেন নিদর্শনাবলী অবতীর্ণ করা হল না? #%৩৬%# (হে রাসূল! তাদেরকে) বল, নিদর্শনাবলী তো আল্লাহরই কাছে। আমি একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।মুফতী তাকী উসমানী

তারা বলেঃ রবের নিকট হতে তার প্রতি নিদর্শন প্রেরিত হয়না কেন? বলঃ নিদর্শন আল্লাহর ইচ্ছাধীন, আমিতো একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী মাত্র।মুজিবুর রহমান

তারা বলে, তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে তার প্রতি কিছু নিদর্শন অবতীর্ণ হল না কেন? বলুন, নিদর্শন তো আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আমি তো একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা বলে, ‘তার প্রতিপালকের নিকট হতে তার নিকট নিদর্শন প্রেরিত হয় না কেন ?’ বল, ‘নিদর্শন আল্লাহ্ র ই ইখ্তিয়ারে। আমি তো একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী মাত্র।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘তার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে নিদর্শনসমূহ নাযিল হয় না কেন’? বল, ‘নিদর্শনসমূহ তো আল্লাহর কাছে, আর আমি তো কেবল একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী’।আল-বায়ান

তারা বলে- তার কাছে তার প্রতিপালকের নিকট হতে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন? বল, নিদর্শন তো আছে আল্লাহর কাছে, আমি কেবল একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।তাইসিরুল

আর তারা বলে -- "কেন তার প্রভুর কাছ থেকে তার নিকটে নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ হয় না?" তুমি বলো -- "নিঃসন্দেহ নিদর্শনসমূহ কেবল আল্লাহ্‌র কাছে রয়েছে। আর আমি তো একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৯০

অর্থাৎ মু’জিযা, যেগুলো দেখে বিশ্বাস করা যায় সত্যই মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর নবী।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ, আমরা যেসব মুজিযা দাবি করছি তাকে তা কেন দেওয়া হল না? মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বহু মুজিযা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও মক্কার কাফেরগণ নিত্য-নতুন মুজিযা দাবি করে যাচ্ছিল। সূরা বনী ইসরাঈলে (১৭ : ৯৩) এটা বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। জবাব দেওয়া হয়েছে যে, মুজিযা দেখানোর বিষয়টা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ তাআলার এখতিয়ারে। আমি তোমাদেরকে কেবল সতর্ক করার জন্যই এসেছি। পরবর্তী আয়াতে বলা হয়েছে, কুরআন মাজীদ নিজেই একটি বড় মুজিযা। একজন সত্য সন্ধানীর জন্য এর পর অন্য কোন মুজিযার প্রয়োজন থাকে না।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫০. তারা আরও বলে, তার রব এর কাছ থেকে তার কাছে নিদর্শনসমূহ নাযিল হয় না কেন? বলুন, নিদর্শনসমূহ তো আল্লাহরই কাছে। আর আমি তো একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী মাত্র।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫০) ওরা বলে, ‘তার প্রতিপালকের নিকট হতে তার কাছে নিদর্শনাবলী অবতীর্ণ করা হয় না কেন?’ বল, ‘নিদর্শন তো আল্লাহরই নিয়ন্ত্রণাধীন।(1) আর আমি তো একজন প্রকাশ্য সতর্ককারী মাত্র।’

(1) অর্থাৎ, এই সকল নিদর্শন কেবল আল্লাহরই হিকমত ও ইচ্ছাধীন। তিনি যার প্রতি অবতীর্ণ করতে চান, তার প্রতি অবতীর্ণ করেন। এতে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কোন এখতিয়ার নেই।