ওয়া লাম্মা-জাআত রুছুলুনাইবর-হীমা বিলবুশর- ক-লূইন্না-মুহলিকূআহলি হাযিহিল কারইয়াতি ইন্না আহলাহা-ক-নূজা-লিমীন।উচ্চারণ
আর যখন আমার প্রেরিতগণ ইবরাহীমের কাছে সুসংবাদ নিয়ে পৌঁছলো, ৫৩ তারা তাকে বললো, “আমরা এ জনপদের লোকদেরকে ধ্বংস করে দেবো, ৫৪ এর অধিবাসীরা বড়ই জালেম হয়ে গেছে।” তাফহীমুল কুরআন
যখন আমার প্রেরিত ফিরিশতাগণ ইবরাহীমের কাছে (তার পুত্র জন্ম নেওয়ার) সুসংবাদ নিয়ে পৌঁছল, #%২০%# তখন তারা বলেছিল, আমরা এই জনপদবাসীদেরকে ধ্বংস করব। কেননা এর অধিবাসীগণ বড় জালেম।মুফতী তাকী উসমানী
যখন আমার প্রেরিত মালাইকা/ফেরেশতারা সুসংবাদসহ ইবরাহীমের নিকট এলো, তারা বলেছিলঃ আমরা এই জনপদবাসীকে ধ্বংস করব, এর অধিবাসীতো সীমা লংঘনকারী।মুজিবুর রহমান
যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতাগণ সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের কাছে আগমন করল, তখন তারা বলল, আমরা এই জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব। নিশ্চয় এর অধিবাসীরা জালেম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতাগণ সুসংবাদসহ ইব্রাহীমের নিকট এলো, তারা বলেছিল, ‘আমরা এই জনপদবাসীদেরকে ধ্বংস করব, এটার অধিবাসীরা তো জালিম।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমার ফেরেশতারা যখন ইবরাহীমের কাছে সুসংবাদ নিয়ে এসেছিল তখন তারা বলেছিল, ‘নিশ্চয় আমরা এ জনপদের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব, নিশ্চয় এর অধিবাসীরা যালিম’।আল-বায়ান
যখন আমার দূতগণ (অর্থাৎ ফেরেশতারা) ইব্রাহীমের কাছে সুসংবাদ নিয়ে আসল, তারা বলল- আমরা এ জনপদের বাসিন্দাদের ধ্বংস করব, এর অধিবাসীরা তো যালিম।তাইসিরুল
আর যখন আমাদের বাণীবাহকরা ইব্রাহীমের কাছে এসেছিল সুসংবাদ নিয়ে তখন তারা বলল -- "আমরা এই শহরের বাসিন্দাদের নিশ্চয়ই ধ্বংস করতে যাচ্ছি, কেননা এর বাসিন্দারা অন্যায়াচারী হয়ে রয়েছে।"মাওলানা জহুরুল হক
৫৩
সূরা হূদ ও সূরা হিজরে এর যে বিস্তারিত বর্ণনা এসেছে তা হচ্ছে এই যে, লূতের জাতির ওপর আযাব নাযিল করার জন্য যেসব ফেরেশতাকে পাঠানো হয়েছিল তারা প্রথমে হযরত ইবরাহীমের কাছে হাজির হন এবং তাকে হযরত ইসহাকের এবং তার পর হযরত ইয়াকূবের জন্মেও সুসংবাদ দেন তারপর বলেন, লূতের জাতিকে ধ্বংস করার জন্য আমাদের পাঠানো হয়েছে।
৫৪
“এ জনপদ” বলে লূত জাতির সমগ্র এলাকাকে বুঝানো হয়েছে। হযরত ইবরাহীম (আ) এ সময় ফিলিস্তিনের জাবরুন (বর্তমান আল খলীল) শহরে থাকতেন। এ শহরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কয়েক মাইল দূরে মরুসাগরে (Dead Sea) অংশ রয়েছে। সেখানে পূর্বে বাস করতো লূত জাতির লোকেরা এবং বর্তমানে এ সমগ্র এলাকা রয়েছে সাগরের পানির তলায়। এ এলাকাটি নিম্নভূমির দিকে অবস্থিত এবং জাবরুনের উঁচু উঁচু পর্বতগুলো থেকে পরিষ্কার দেখা যায়। তাই ফেরেশতারা সেদিকে ইঙ্গিত করে হযরত ইবরাহীমকে বলেন, “আমরা এ জনপদটি ধ্বংস করে দেবো।”(দেখুন সূরা আশ শু’আরাঃ ১১৪ টীকা)
‘হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের পুত্র সন্তান জন্ম নেবে’ এ সুসংবাদ নিয়ে যে ফিরিশতাগণ তাঁর কাছে এসেছিল তাদেরকেই হযরত লূত আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়কে শাস্তি দানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছিল। বিস্তারিত জ্ঞাতার্থে দ্রষ্টব্য সূরা হুদ (১১ : ৬৯) ও সূরা হিজর (১৫ : ৫১)।
৩১. আর যখন আমার প্রেরিত ফেরেশতাগণ সুসংবাদসহ ইবরাহীমের কাছে আসল, তারা বলেছিল, নিশ্চয় আমরা এ জনপদবাসীকে ধ্বংস করব(১), এর অধিবাসীরা তো যালিম।
(১) “এ জনপদ” বলে লুত জাতির এলাকা সাদূমকে বুঝানো হয়েছে। (বাগভী; মুয়াস্সার) ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এ সময় ফিলিস্তিনের বর্তমান আল খলীল শহরে থাকতেন। এ শহরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কয়েক মাইল দূরে মৃত্যসাগরের অংশ রয়েছে। সেখানে পূর্বে বাস করতো লুত জাতির লোকেরা এবং বর্তমানে এ সমগ্র এলাকা রয়েছে সাগরের পানির তলায়।
(৩১) যখন আমার প্রেরিত ফিরিশতাগণ সুসংবাদসহ ইব্রাহীমের নিকট এল, তখন তারা বলল, ‘আমরা এ শহরের অধিবাসীদেরকে ধ্বংস করব।(1) এর অধিবাসিগণ অবশ্যই সীমালংঘনকারী।’
(1) অর্থাৎ, লূত (আঃ)-এর দু’আ কবুল হল এবং মহান আল্লাহ লূত-জাতিকে ধ্বংস করার জন্য ফিরিশতাও প্রেরণ করলেন। তাঁরা প্রথমে ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকট গেলেন ও তাঁকে ইসহাক ও ইয়াকূব দুই সন্তানের সুসংবাদ দিলেন এবং সেই সঙ্গে এ কথাও শুনিয়ে দিলেন যে, আমরা লূত (আঃ)-এর বস্তি ধ্বংস করতে এসেছি।