ফাখারজা ‘আলা-কাওমিহী ফী ঝীনাতিহী ক-লাল্লাযীনা ইউরীদূ নাল হায়া-তাদ দুনইয়া-ইয়া-লাইতা লানা-মিছলা মাঊতিয়া ক-রূনু ইন্নাহূলাযূহাজ্জিন ‘আজীম।উচ্চারণ
একদিন সে তার সম্প্রদায়ের সামনে বের হলো পূর্ণ জাঁকজমক সহকারে। যারা দুনিয়ার জীবনের ঐশ্বর্যের জন্য লালায়িত ছিল তারা তাকে দেখে বললো, “আহা! কারূণকে যা দেয়া হয়েছে তা যদি আমরাও পেতাম! সে তো বড়ই সৌভাগ্যবান।” তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর (একদিন) সে তার সম্প্রদায়ের সামনে নিজ জাঁকজমকের সাথে বের হয়ে আসল। যারা পার্থিব জীবন কামনা করত তারা (তা দেখে) বলতে লাগল, আহা! কারূনকে যা দেওয়া হয়েছে, অনুরূপ যদি আমাদেরও থাকত! বস্তুত সে মহা ভাগ্যবান।মুফতী তাকী উসমানী
কারূন তার সম্প্রদায়ের সামনে উপস্থিত হয়েছিল জাকজমক সহকারে। যারা পার্থিব জীবন কামনা করত তারা বললঃ আহা! কারূনকে যেরূপ দেয়া হয়েছে আমাদেরকে যদি তা দেয়া হত! প্রকৃতই সে মহা ভাগ্যবান!মুজিবুর রহমান
অতঃপর কারুন জাঁকজমক সহকারে তার সম্প্রদায়ের সামনে বের হল। যারা পার্থিব জীবন কামনা করত, তারা বলল, হায়, কারুন যা প্রাপ্ত হয়েছে, আমাদেরকে যদি তা দেয়া হত! নিশ্চয় সে বড় ভাগ্যবান।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কারূন তার সম্প্রদায়ের সামনে উপস্থিত হয়েছিল জাঁকজমকসহকারে। যারা পার্থিব জীবন কামনা করত তারা বলল, ‘আহা, কারূনকে যেইরূপ দেওয়া হয়েছে আমাদেরকেও যদি তা দেওয়া হত। প্রকৃতই সে মহাভাগ্যবান।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে তার কওমের সামনে জাঁকজমকের সাথে বের হল। যারা দুনিয়ার জীবন চাইত তারা বলল, ‘আহা! কারূনকে যেমন দেয়া হয়েছে আমাদেরও যদি তেমন থাকত! নিশ্চয় সে বিরাট সম্পদশালী।’আল-বায়ান
কারূন শান-শওকাতের সাথে তার সম্প্রদায়ের সামনে হাজির হল। যারা পার্থিব জীবন কামনা করে তারা বলে উঠল- ‘হায়! কারূনকে যা দেয়া হয়েছে আমাদের জন্যও যদি তা হত! সত্যই সে মহা ভাগ্যবান ব্যক্তি।’তাইসিরুল
কাজেকাজেই সে তার স্বজাতির সামনে তার জাঁকজমকের সাথে বাহির হয়েছিল। যারা এই দুনিয়ার জীবন কামনা করেছিল তারা বলত -- "হায়! ক্কারূনকে যা দেওয়া হয়েছে তার মতো যদি আমাদেরও থাকতো! নিঃসন্দেহ সে বিরাট সৌভাগ্যের অধিকারী!"মাওলানা জহুরুল হক
৭৯. অত:পর কারূন তার সম্প্রদায়ের সামনে বের হয়েছিল জাকজমকের সাথে। যারা দুনিয়ার জীবন কামনা করত তারা বলল, আহা, কারূনকে যেরূপ দেয়া হয়েছে আমাদেরকেও যদি সেরূপ দেয়া হত! প্রকৃতই সে মহাভাগ্যবান।(১)
(১) হ্যাঁ সত্যিই সে মহা ভাগ্যবান, তবে সেটা তাদের দৃষ্টিতে, যাদের কাছে মানুষের ভাগ্য শুধু দুনিয়ার প্রাচুর্যের উপর নির্ভরশীল। যারা মৃত্যুর পরের জগত সম্পর্কে মোটেও চিন্তা করে না, সেখানকার অবস্থা সম্পর্কে চিন্তা করে না। তারা তো এটা বলবেই (সা’দী)
(৭৯) কারূন তার সম্প্রদায়ের সম্মুখে জাঁকজমক সহকারে বের হল। (1) যারা পার্থিব জীবন কামনা করত তারা বলল,(2) ‘আহা! কারূনকে যা দেওয়া হয়েছে সেরূপ যদি আমাদেরও থাকত; প্রকৃতই সে মহা ভাগ্যবান।’
(1) অর্থাৎ, শোভা-সৌন্দর্য, সাজ-সজ্জা ও চাকর-বাকরসহ।
(2) এ কথা কারা বলেছিল? কেউ কেউ বলেন, ঈমানদার লোকেরাই কারূনের আধিপত্য ও ধন-সম্পদে প্রভাবিত হয়ে এ কথা বলেছিল। আবার কেউ বলেন, এ কথা বলেছিল কাফেররা।