ওয়া কীলাদ‘ঊ শুরকাআকুম ফাদা‘আওহুম ফালাম ইয়াছতাজীবূলাহুম ওয়ারআউল ‘আযা-বা লাও আন্নাহুম ক-নূইয়াহতাদূ ন।উচ্চারণ
তারপর তাদেরকে বলা হবে, এবার তোমরা যাদেরকে শরীক বানিয়েছিলে তাদেরকে ডাকো। ৮৯ এরা তাদেরকে ডাকবে কিন্তু তারা এদের কোন জবাব দেবে না এবং এরা আযাব দেখে নেবে। হায়! এরা যদি হিদায়াত গ্রহণকারী হতো! তাফহীমুল কুরআন
এবং তাদেরকে (অর্থাৎ কাফেরদেরকে) বলা হবে, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরীক সাব্যস্ত করেছিলে তাদেরকে ডাক। সুতরাং তারা তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে না। তারা তখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। আহা! যদি তারা হেদায়াত কবুল করত।মুফতী তাকী উসমানী
তাদেরকে বলা হবেঃ তোমাদের দেবতাগুলিকে আহবান কর। তখন তারা তাদেরকে ডাকবে। কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবেনা। তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে; হায়! তারা যদি সৎ পথ অনুসরণ করত!মুজিবুর রহমান
বলা হবে, তোমরা তোমাদের শরীকদের আহবান কর। তখন তারা ডাকবে,। অতঃপর তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবে না এবং তারা আযাব দেখবে। হায়! তারা যদি সৎপথ প্রাপ্ত হত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এদেরকে বলা হবে, ‘তোমাদের দেবতাগুলিকে আহ্বান কর।’ তখন এরা এদেরকে ডাকবে। কিন্তু এরা এদের ডাকে সাড়া দিবে না। এরা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। হায়! এরা যদি সৎপথ অনুসরণ করত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর বলা হবে, ‘তোমাদের দেবতাগুলোকে ডাক, অতঃপর তারা তাদেরকে ডাকবে, তখন তারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে না। আর তারা আযাব দেখতে পাবে। হায়, এরা যদি সৎপথ প্রাপ্ত হত!আল-বায়ান
তাদেরকে বলা হবে, ‘তোমাদের দেবতাগুলোকে ডাক, তখন তারা তাদেরকে ডাকবে’। কিন্তু তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবে না। তারা শাস্তি দেখতে পাবে (তাদের সামনে)। তারা যদি সৎপথপ্রাপ্ত হত!তাইসিরুল
আর বলা হবে -- "তোমাদের শরীকান-দেবতাদের ডাকো।" সুতরাং তারা তাদের প্রতি সাড়া দেবে না, আর তারা শাস্তি দেখতে পাবে। আহা! যদি তারা সৎপথ অনুসরণ করত!মাওলানা জহুরুল হক
৮৯
অর্থাৎ তাদেরকে সাহায্যের জন্য ডাকো, দুনিয়ায় তোমরা তাদের প্রতি নির্ভর করে আমার কথা রদ করে দিয়েছিলে। এখন এখানে তাদেরকে আসতে, তোমাদের সাহায্য করতে বলো এবং তোমাদেরকে আযাব থেকে বাঁচাতে বলো।
৬৪. আর তাদেরকে বলা হবে, তোমাদের (পক্ষ থেকে আল্লাহর জন্য শরীক করা) দেবতাগুলোকে ডাক।(১) তখন তারা ওদেরকে ডাকবে। কিন্তু ওরা এদের ডাকে সাড়া দেবে না। আর তারা শাস্তি দেখতে পাবে। হায়! এরা যদি সৎপথ অনুসরণ করত।(২)
(১) অর্থাৎ যাতে তারা তোমাদেরকে তোমাদের এ বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসে। যেভাবে তোমরা দুনিয়ার জীবনে এ উদ্ধারের আশায় তাদের ইবাদাত করতে। তখন তারা ডাকবে। কিন্তু সে উপাস্যগুলো এদের ডাকে সাড়া দিবে না। আর তারা আযাব দেখতে পাবে এবং তারা নিশ্চিত হয়ে যাবে যে, জাহান্নামের দিকেই তাদের পদযাত্রা শুরু হবে। (ইবন কাসীর)
(২) অর্থাৎ তারা তখন আশা করত যে, যদি দুনিয়ার জীবনে তারা সঠিক পথের উপর থাকত, তাহলেই কেবল তা তাদের উপকারে লাগত। (ইবন কাসীর)
(৬৪) ওদেরকে বলা হবে, ‘তোমাদের দেবতাগুলিকে আহবান কর।’(1) তখন ওরা ওদেরকে আহবান করবে; কিন্তু ওরা ওদের আহবানে সাড়া দেবে না। ওরা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।(2) হায়, ওরা যদি সৎপথ অনুসরণ করত (তাহলে তা প্রত্যক্ষ করত না)। (3)
(1) অর্থাৎ, তাদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর, যেমন পৃথিবীতে করতে। দেখ, তারা তোমাদেরকে কোন প্রকার সাহায্য করে কি না? অতঃপর তারা তাদেরকে আহবান করবে; কিন্তু সেখানে কার সাহস হবে যে, সে বলবে, আমি তোমার সাহায্য করব।
(2) অর্থাৎ, নিশ্চিতরূপে বিশ্বাস করে নেবে যে, আমরা সকলে জাহান্নামের জ্বালানী হব।
(3) অর্থাৎ,আযাব দেখে নেওয়ার পর তারা আশা করবে, হায়! যদি পৃথিবীতে হিদায়াতের পথ ধরতাম, তাহলে আজ এই পরিণাম হতে বেঁচে যেতাম। সূরা কাহফের ৫২-৫৩নং আয়াতেও এই বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।