وَٱسۡتَكۡبَرَ هُوَ وَجُنُودُهُۥ فِي ٱلۡأَرۡضِ بِغَيۡرِ ٱلۡحَقِّ وَظَنُّوٓاْ أَنَّهُمۡ إِلَيۡنَا لَا يُرۡجَعُونَ

ওয়াছতাকবার হুওয়া ওয়া জুনূদুহূফিল আরদি বিগাইরিল হাক্কি ওয়া জাননূআন্নাহুম ইলাইনা-লা-ইউরজা‘ঊন।উচ্চারণ

সে এবং তার সৈন্যরা পৃথিবীতে কোন সত্য ছাড়াই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের অহংকার করলো ৫৪ এবং মনে করলো তাদের কখনো আমার কাছে ফিরে আসতে হবে না। ৫৫ তাফহীমুল কুরআন

বস্তুত ফির‘আউন ও তার বাহিনী ভূমিতে অন্যায় অহমিকা প্রদর্শন করেছিল। তারা মনে করেছিল তাদেরকে আমার কাছে ফিরে আসতে হবে না।মুফতী তাকী উসমানী

ফির‘আউন ও তার বাহিনী অন্যায়ভাবে পৃথিবীতে অহংকার করেছিল যে, তারা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবেনা।মুজিবুর রহমান

ফেরাউন ও তার বাহিনী অন্যায়ভাবে পৃথিবীতে অহংকার করতে লাগল এবং তারা মনে করল যে, তারা আমার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

ফির‘আওন ও তার বাহিনী অন্যায়ভাবে পৃথিবীতে অহংকার করেছিল এবং এরা মনে করেছিল যে, এরা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ফির‘আউন ও তার সেনাবাহিনী অন্যায়ভাবে যমীনে অহঙ্কার করেছিল এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদেরকে আমার নিকট ফিরিয়ে আনা হবে না।আল-বায়ান

ফেরাউন ও তার বাহিনী অকারণে পৃথিবীতে অহংকার করেছিল আর তারা ভেবেছিল যে, তাদেরকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনা হবে না।তাইসিরুল

আর সে ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ অসঙ্গতভাবে দুনিয়াতে গর্ব করেছিল, আর তারা ভেবেছিল যে আমাদের কাছে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫৪

অর্থাৎ এ বিশ্ব-জাহানে একমাত্র আল্লাহ‌ রব্বুল আলামীনই শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। কিন্তু ফেরাউন এবং তার সৈন্যরা পৃথিবীর একটু ক্ষুদ্র অংশে সামান্য একটু কর্তৃত্বের অধিকারী হয়ে মনে করে বসলো এখানে একমাত্র তারাই শ্রেষ্ঠ এবং তাদেরই সর্বময় কর্তৃত্ব ও আধিপত্য বিরাজিত।

৫৫

অর্থাৎ তারা নিজেদের ব্যাপারে মনে করলো তাদেরকে কোথাও জিজ্ঞাসিত হতে হবে না। আর তাদেরকে কারো কাছে জবাবদিহি করতে হবে না মনে করে তারা স্বেচ্ছাচারমূলক কাজ করতে লাগলো।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৯. আর ফিরআউন ও তার বাহিনী অন্যায়ভাবে যমীনে অহংকার করেছিল এবং তারা মনে করেছিল যে, তাদেরকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে আনা হবে না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৯) ফিরআউন ও তার বাহিনী অন্যায়ভাবে পৃথিবীতে অহংকার করেছিল(1) এবং ওরা মনে করেছিল যে, ওরা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে না ।

(1) এখানে পৃথিবী, যমীন বা দেশ বলতে ‘মিসর’কে বুঝানো হয়েছে, যেখানে ফিরআউন রাজত্ব করত। অহংকার অর্থ, অকারণে নাহক নিজেকে বড় মনে করা। অর্থাৎ তার নিকট কোন প্রমাণ ছিল না যার দ্বারা মূসা (আঃ)-এর প্রমাণ ও মু’জিযাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারত। কিন্তু সে অহংকার ও শত্রুতাবশতঃ অস্বীকার করার রাস্তা অবলম্বন করল।