যুররিইইয়াতাম বা‘দুহা-মিম বা‘দিন ওয়াল্লা-হু ছামী‘উন ‘আলীম।উচ্চারণ
এরা সবাই একই ধারায় অন্তর্গত ছিল, একজনের উদ্ভব ঘটেছিল অন্যজনের বংশ থেকে। আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন। ৩১ তাফহীমুল কুরআন
এরা এমন বংশধর, যার সদস্যগণ (সৎকর্ম ও ইখলাসে) একে অন্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। #%১৩%# আর আল্লাহ (প্রত্যেকের কথা) শোনেন এবং (সবকিছু) জানেন।মুফতী তাকী উসমানী
তারা একে অপরের বংশধর এবং আল্লাহ শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।মুজিবুর রহমান
যারা বংশধর ছিলেন পরস্পরের। আল্লাহ শ্রবণকারী ও মহাজ্ঞানী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা একে অপরের বংশধর। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা একে অপরের বংশধর। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।আল-বায়ান
এরা একে অন্যের বংশধর এবং আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।তাইসিরুল
এক বংশ পরম্পরা -- একের থেকে তাদের অন্যরা। আর আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।মাওলানা জহুরুল হক
৩১
খৃস্টানদের ভ্রষ্টতার প্রধানতম কারণ এই যে, তারা হযরত ঈসাকে (আঃ) আল্লাহর বান্দা ও নবী হবার পরিবর্তে তাঁকে আল্লাহর পুত্র ও আল্লাহর কর্তৃত্বে অংশীদার গণ্য করে। তাদের বিশ্বাসের এই মৌলিক গলদটি দূর করতে পারলে সঠিক ও নির্ভুল ইসলামের দিকে তাদের ফিরিয়ে আনা অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই এই ভাষণের ভূমিকা এভাবে ফাঁদা হয়েছেঃ আদম, নূহ, ইবরাহীমের বংশের ও ইমরানের বংশের সকল নবীই ছিলেন মানুষ। একজনের বংশে আর একজনের জন্ম হয়েছে। তাদের কেউ খোদা ছিলেন না। তাদের বৈশিষ্ট্য ছিল এই যে, আল্লাহ তাঁর দ্বীনের প্রচার ও দুনিয়াবাসীর সংশোধনের জন্য তাদেরকে মনোনীত করেছিলেন।
আয়াতের এ তরজমা করা হয়েছে কাতাদা (রাযি.)-এর তাফসীরের উপর ভিত্তি করে (দেখুন রুহুল মাআনী, ৩য় খণ্ড, ১৭৬)। প্রকাশ থাকে যে, ইমরান যেমন হযরত মুসা আলাইহিস সালামের পিতার নাম ছিল, তেমনি হযরত মারয়াম আলাইহাস সালামেরও পিতার নাম। (উভয় ‘ইমরানের মধ্যে দীর্ঘকালের ব্যবধান। যামাখশারী বলেন, এক হাজার আটশ’ বছর) এস্থলে ইমরান দ্বারা উভয়ের যে কোনও একজনকে বোঝানো যেতে পারে। কিন্তু সামনে যেহেতু মারয়াম আলাইহাস সালামের ঘটনা আসছে, তাই এটাই বেশি পরিষ্কার যে, এস্থলে ইমরান বলতে হযরত মারয়াম আলাইহাস সালামের পিতাকে বোঝানোই উদ্দেশ্য।
৩৪. তারা একে অপরের বংশধর। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
(৩৪) এরা হল পরস্পর পরস্পরের বংশধর(1) এবং আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।
(1) অথবা এর দ্বিতীয় অর্থ হল, দ্বীনের ব্যাপারে একে অপরের সহযোগী ও সাহায্যকারী।