ফালতাকাতাহূ আ-লুফির‘আওনা লিয়াকূনা লাহুম ‘আদুওওয়াওঁ ওয়া হাঝানান ইন্না ফির‘আওনা ওয়া হা-মা-না ওয়া জুনূদাহুমা-ক-নূখা-তিঈন।উচ্চারণ
শেষ পর্যন্ত ফেরাউনের পরিবারবর্গ তাকে (দরিয়া থেকে) উঠিয়ে নিল, যাতে সে তাদের শত্রু এবং তাদের দুঃখের কারণ হয়। ১১ যথার্থই ফেরাউন, হামান ও তার সৈন্যরা (তাদের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে) ছিল বড়ই অপরাধী। তাফহীমুল কুরআন
অতঃপর ফির‘আওনের লোকজন তাকে (অর্থাৎ শিশু মূসা আলাইহিস সালামকে) তুলে নিল। এর পরিণাম তো ছিল এই যে, সে হবে তাদের শত্রু ও তাদের দুঃখের কারণ। নিশ্চয়ই ফির‘আওন, হামান ও তাদের সৈন্যরা বড়ই ভুলের উপর ছিল। মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর ফির‘আউনের লোকজন তাকে কুড়িয়ে নিল। এর পরিণামতো এই ছিল যে, সে তাদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হবে। ফির‘আউন, হামান ও তাদের বাহিনী ছিল অপরাধী।মুজিবুর রহমান
অতঃপর ফেরাউন পরিবার মূসাকে কুড়িয়ে নিল, যাতে তিনি তাদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হয়ে যান। নিশ্চয় ফেরাউন, হামান, ও তাদের সৈন্যবাহিনী অপরাধী ছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর ফির‘আওনের লোকজন তাকে উঠিয়ে নিল। এটার পরিণাম তো এই ছিল যে, সে এদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হবে। অবশ্যই ফির‘আওন, হামান ও এদের বাহিনী ছিল অপরাধী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর ফির‘আউন পরিবার তাকে উঠিয়ে নিল, পরিণামে সে তাদের শত্রু ও দুঃশ্চিন্তার কারণ হবে। নিশ্চয় ফির‘আউন, হামান ও তাদের সৈন্যরা ছিল অপরাধী।আল-বায়ান
অতঃপর ফেরাউনের লোকজন তাকে উঠিয়ে নিল যাতে সে তাদের জন্য শত্রু হতে ও দুঃখের কারণ হতে পারে। ফেরাউন, হামান ও তাদের বাহিনীর লোকেরা তো ছিল অপরাধী।তাইসিরুল
"তারপর তাঁকে তোলে নিল ফিরআউনের পরিজনবর্গ যেন তিনি তাদের জন্য হতে পারেন একজন শত্রু ও দুঃখ। নিঃসন্দেহ ফিরআউন ও হামান ও তাদের সৈন্যসামন্ত ছিল দোষী।মাওলানা জহুরুল হক
১১
এটা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না বরং এ ছিল তাদের কাজের পরিণাম। যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল। তারা এমন এক শিশুকে উঠাচ্ছিল যার হাতে শেষ পর্যন্ত তাদেরকে ধ্বংস হতে হবে।
‘তারা ভুলের উপর ছিল’ এর দুই ব্যাখ্যা হতে পারে। (ক) তারা ভুল পথের অনুসারী ছিল। তারা ছিল কাফের ও গুনাহগার। (খ) অথবা এর অর্থ তারা শিশুটিকে তুলে ভুল করেছিল। কেননা তারা ঈমান না আনার ফলে সেই শিশুই শেষ পর্যন্ত তাদের পতন ও ধ্বংসের কারণ হয়েছিল।
৮. তারপর ফির’আউনের লোকজন তাকে কুড়িয়ে নিল। এর পরিণাম তো এ ছিল যে, সে তাদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হবে।(১) নি:সন্দেহে ফিরআউন, হামান ও তাদের বাহিনী ছিল অপরাধী।
(১) অর্থাৎ এটা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। বরং এ ছিল তাদের কাজের পরিণাম। যা তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল। তারা এমন এক শিশুকে উঠাচ্ছিল যার হাতে শেষ পর্যন্ত তাদেরকে ধ্বংস হতে হবে। (দেখুন: কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর)
(৮) অতঃপর ফিরআউনের লোকজন মূসাকে উঠিয়ে নিল।(1) পরিণামে সে ওদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হল।(2) নিশ্চয় ফিরআউন, হামান ও ওদের বাহিনী ছিল অপরাধী। (3)
(1) সেই ব্যাক্তি ভাসতে ভাসতে ফিরআউনের প্রাসাদের নিকট পৌঁছল যা ছিল নদীর উপকূলে। ফিরআউনের কর্মচারীরা সেটি নদী থেকে তুলে নিয়ে এল।
(2) لِيَكُونَ এর লামটি পরিণামবাচক। অর্থাৎ, সে তো তাঁকে নিজ সন্তান ও চক্ষুশীতলতা স্বরূপ গ্রহণ করেছিল; শত্রু মনে করে নয়। কিন্তু তার এই কাজের পরিণাম এই হল যে, সে তার শত্রু ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়াল।
(3) এখানে পূর্বোক্ত কথার কারণ ব্যক্ত করা হয়েছে যে, মূসা (আঃ) তার শত্রু কেন প্রমাণিত হলেন? কারণ তারা ছিল সকলেই আল্লাহর অবাধ্য ও অপরাধী। আল্লাহ তাআলা শাস্তিস্বরূপ তাদের নিকট পালিত ব্যক্তিকেই তাদের ধ্বংসের কারণ বানালেন।