হাত্তাইযা- জাঊক-লা আকাযযাবতুমবিআ-য়া-তী ওয়া লাম তুহীতূবিহা‘ইলমান আম্মা-যা-কুনতুম তা‘মালূন।উচ্চারণ
অবশেষে যখন সবাই এসে যাবে তখন (তাদের রব তাদেরকে) জিজ্ঞেস করবেন, “তোমরা আমার আয়াত অস্বীকার করেছো অথচ তোমরা জ্ঞানগতভাবে তা আয়ত্ত করো নি? ১০২ যদি এ না হয়ে থাকে তাহলে তোমরা আর কি করেছিলে।” ১০৩ তাফহীমুল কুরআন
পরিশেষে যখন সকলেই এসে পৌঁছবে, তখন আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি ভালোভাবে না জেনেই আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছিলে কিংবা তোমরা আসলে কী করছিলে? #%৪৩%#মুফতী তাকী উসমানী
যখন তারা সমবেত হবে তখন (আল্লাহ তাদেরকে) বলবেনঃ তোমরা আমার নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করেছিলে, অথচ ওটা তোমরা জ্ঞানায়ত্ত করতে পারনি? না তোমরা অন্য কিছু করছিলে?মুজিবুর রহমান
যখন তারা উপস্থিত হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছিলে? অথচ এগুলো সম্পর্কে তোমাদের পুর্ণ জ্ঞান ছিল না। না তোমরা অন্য কিছু করছিলে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন এরা সমাগত হবে তখন আল্লাহ্ এদেরকে বলবেন, ‘তোমরা কি আমার নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করেছিলে, অথচ তা তোমরা জ্ঞানায়ত্ত করতে পার নাই ? বরং তোমরা আরও কিছু করছিলে ?’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবশেষে যখন তারা আসবে, তখন আল্লাহ বলবেন, ‘তোমরা কি আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিলে, অথচ সে বিষয়ে তোমাদের কোন জ্ঞানই ছিল না? নাকি তোমরা আরো কী করেছিলে?’আল-বায়ান
যখন তারা এসে যাবে তখন আল্লাহ বলবেন- তোমরা কি আমার নিদর্শনকে মিথ্যে বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলে যদিও তা তোমরা জ্ঞানায়ত্ত করতে পারনি; নাকি তোমরা অন্য কিছু করছিলে?তাইসিরুল
তারপর যখন তারা এসে পেছঁবে তখন তিনি বলবেন -- "তোমরা কি আমার নির্দেশসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিলে যখন তোমরা জ্ঞানে তার ধারণা করতে পার নি? অথবা কী তা যা তোমরা করে চলেছিলে?"মাওলানা জহুরুল হক
১০২
অর্থাৎ কোন তাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে তোমরা এ আয়াতগুলোর মিথ্যা হবার কথা জানতে পেরেছিলে, এ আয়াতগুলো অস্বীকার করার পেছনে তোমাদের এ কারণ কখনোই ছিল না। তোমরা কোন প্রকার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা-অনুসন্ধান ছাড়াই আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছিলে।
১০৩
অর্থাৎ যদি এমন না হয়, তাহলে কি তোমরা একথা প্রমাণ করতে পারবে যে, গবেষণা-অনুসন্ধানের পর তোমরা এ আয়াতগুলোকে মিথ্যা পেয়েছিলে এবং সত্যিই কি তোমরা এ আয়াতগুলোয় যা বর্ণনা করা হয়েছে তা প্রকৃত সত্য নয়, এ ধরনের কোন জ্ঞান লাভ করেছিলে?
আল্লাহ তা‘আলা ভালোভাবেই জানেন তারা কি করেছিল, তা সত্ত্বেও তাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন তিরস্কারস্বরূপ। প্রথমে তিরস্কার করবেন কোনরূপ চিন্তা-ভাবনা না করে ও ভালোভাবে না বুঝে কেন তারা সত্যের বাণী প্রত্যাখ্যান করল সেজন্য। অর্থাৎ তারা যদি একটু মাথা খাটাত তবে তো তার সত্যতা বুঝতে পারত এবং ঈমান আনার পক্ষে তা সহায়ক হত আর তা হলে আখিরাতে এই দূরবস্থার সম্মুখীন হতে হত না। তারপর তিরস্কার করবেন তাদের কৃতকর্মের ব্যাপারে যে, চিন্তা-ভাবনা না করে আমার বাণী প্রত্যাখ্যান তো করেছই, তা ছাড়াও তো আরও কত অন্যায়-অপরাধ তোমরা করেছ। তা বল তো তোমরা আর কি কি করেছ? পরের আয়াতে জানানো হয়েছে, আখিরাতের বিভীষিকা দেখে তাদের পক্ষে এর কোন জবাব দেওয়া সম্ভব হবে না। -অনুবাদক
৮৪. শেষ পর্যন্ত যখন তারা এসে যাবে তখন আল্লাহ তাদেরকে বলবেন, তোমরা কি আমার নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করেছিলে, অথচ তা তোমরা জ্ঞানে আয়ত্ত করতে পারনি?(১) নাকি তোমরা আর কিছু করছিলে?(২)
(১) অর্থাৎ কোন তথ্যভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে তোমরা এ আয়াতগুলোর মিথ্যা হবার কথা জানতে পেরেছিলে, এ আয়াতগুলো অস্বীকার করার পেছনে তোমাদের এ কারণ কখনোই ছিল না। তোমরা কোন প্রকার চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা-অনুসন্ধান ছাড়াই আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছিলে। (দেখুন: কুরতুবী; ফাতহুল কাদীর) এতে ইঙ্গিত রয়েছে যে, আল্লাহর আয়াতসমূহে মিথ্যা বলা একটি গুরুতর অপরাধ ও গোনাহ; বিশেষতঃ যখন কেউ চিন্তা-ভাবনাও বোঝা-শোনার চেষ্টা না করেই মিথ্যা বলতে থাকে। এমতাবস্থায় এটা দ্বিগুণ অপরাধ হয়ে যায়। এতে আরও প্রমাণিত হয় যে, যারা ইসলামী শরীআতের কোন ইলম যথা আরবী ভাষা বা উসুলে ফিকহ বা এ জাতীয় কিছুর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে তারা নিঃসন্দেহে মুর্খ। মূর্খতাই তাদেরকে এ ধরনের কার্যকলাপে নিপতিত করে। (ফাতহুল কাদীর)
(২) অর্থাৎ যদি এমন না হয়, তাহলে কি তোমরা একথা প্রমাণ করতে পারবে যে, গবেষণা-অনুসন্ধানের পর তোমরা এ আয়াতগুলোকে মিথ্যা পেয়েছিলে এবং সত্যিই কি তোমরা এ আয়াতগুলোয় যা বর্ণনা করা হয়েছে তা প্রকৃত সত্য নয়, এ ধরনের কোন জ্ঞান লাভ করেছিলে? মূলত: তোমরা এগুলোতে কোন শ্রম দাওনি। তোমরা তোমাদের কোন কাজে এত ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলে যে, আল্লাহর আয়াতসমূহের প্রতি নজর দিতে, আর সেগুলোর অর্থের প্রতি চিন্তা গবেষণা করা থেকে তোমাদেরকে বিরত রেখেছিল? (ফাতহুল কাদীর)
(৮৪) পরিশেষে যখন ওরা সমাগত হবে, তখন আল্লাহ ওদেরকে বলবেন, ‘তোমরা কি আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যাজ্ঞান করেছিলে; অথচ তা তোমরা জ্ঞানায়ত্ত করতে পারনি? (1) অথবা তোমরা কি করছিলে?’(2)
(1) অর্থাৎ, তোমরা আমার তাওহীদ ও দাওয়াতের প্রমাণগুলি বুঝার চেষ্টা করনি। বরং বুঝার চেষ্টা না করেই আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যাজ্ঞান করেছ।
(2) যার কারণে তোমরা আমার কথাগুলো চিন্তা ভাবনা করার সুযোগ পাওনি।