কুল ‘আছাআইঁ ইয়াকূনা রদিফা লাকুম বা‘দুল্লাযী তাছতা‘জিলূন।উচ্চারণ
বলো বিচিত্র কি যে, আযাবের ব্যাপারে তোমরা ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছো তার একটি অংশ তোমাদের নিকটবর্তী হয়ে যাবে। ৮৯ তাফহীমুল কুরআন
বলে দাও, অসম্ভব নয় তোমরা যে আযাব তাড়াতাড়ি চাচ্ছ, তার কতক তোমাদের একদম কাছেই। #%৩৮%#মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ তোমরা যে বিষয়ে ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছ সম্ভবতঃ তার কিছু তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছে।মুজিবুর রহমান
বলুন, অসম্ভব কি, তোমরা যত দ্রুত কামনা করছ তাদের কিয়দংশ তোমাদের পিঠের উপর এসে গেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘তোমরা যে বিষয় ত্বরান্বিত করতে চাইছো সম্ভবত তার কিছু তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘আশা করা যায়, তোমরা যে বিষয়ে তাড়াহুড়া করছ তার কিছু অচিরেই হবে’।আল-বায়ান
বল, তোমরা যা পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করছ সম্ভবতঃ তার কিছু তোমাদের পিঠের পেছনে এসে গেছে।তাইসিরুল
তুমি বলো -- "হতে পারে তোমরা যার জন্য তাড়াতাড়ি করছ তার কতকটা তোমাদের নিকটেই এসে গেছে।"মাওলানা জহুরুল হক
৮৯
এটি একটি রাজসিক বাকভংগীমা। সর্বশক্তিমানের বাণীর মধ্যে যখন “সম্ভবত”, “বিচিত্র কি” এবং “অসম্ভব কি” ধরনের শব্দাবলী এসে যায় তখন তার মধ্যে সন্দেহের কোন অর্থ থাকে না বরং তার মাধ্যমে একটি বেপরোয়া ভাব ফুটে উঠে। অর্থাৎ তাঁর শক্তি এতই প্রবল ও প্রচণ্ড যে, তাঁর কোন জিনিস চাওয়া এবং তা হয়ে যাওয়া যেন একই ব্যাপার। তিনি কোন কাজ করতে চান এবং তা করা সম্ভব হলো না এমন কোন কথা কল্পনাও করা যেতে পারে না। এজন্য তাঁর পক্ষে “এমন হওয়া বিচিত্র কি” বলা এ অর্থ প্রকাশ করে যে, যদি তোমরা সোজা না হও তাহলে এমনটি হবেই। সামান্য একজন দারোগাও যদি পল্লীর কোন অধিবাসীকে বলে তোমার দুর্ভাগ্য হাতছানি দিচ্ছে। তাহলে তার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে সর্বশক্তিমান আল্লাহ যদি কাউকে বলেন, তোমার দুঃসময় তেমন দূরে নয়, তাহলে এরপরও সে কিভাবে নির্ভয়ে দিন কাটায়।
অর্থাৎ, কুফরের আসল শাস্তি তো আখেরাতেই হবে, তবে তার অংশবিশেষ তোমাদেরকে ইহকালেও ভোগ করতে হতে পারে। তা করতে হয়েছিল বৈকি! বদরের যুদ্ধে কুরাইশের বড়-বড় সর্দার মারা পড়েছিল আর বাকিদেরকে বরণ করতে হয়েছিল গ্লানিকর পরাজয়।
৭২. বলুন, তোমরা যে বিষয় ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছ সম্ভবত তার কিছু তোমাদের পেছনে এসেই আছে!(১)
(১) এটি একটি রাজসিক বাকভংগীমা। সর্বশক্তিমানের বাণীর মধ্যে যখন “সম্ভবত”, “বিচিত্র কি” এবং “অসম্ভব কি” ধরনের শব্দাবলী এসে যায় তখন তার মধ্যে সন্দেহের কোন অর্থ থাকে না বরং তার মাধ্যমে একটি বেপরোয়া ভাব ফুটে উঠে। ইবন আব্বাস বলেন, কুরআনে এ ধরনের শব্দ ‘অবশ্যম্ভাবী’ হওয়ার অর্থ দেয়। (দেখুন: তাবারী, সূরা আত-তাওবাহ এর ১৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়) অর্থাৎ তাঁর শক্তি এতই প্রবল ও প্রচণ্ড যে, তাঁর কোন জিনিস চাওয়া এবং তা হয়ে যাওয়া যেন একই ব্যাপার। তিনি কোন কাজ করতে চান এবং তা করা সম্ভব হলো না এমন কোন কথা কল্পনাও করা যেতে পারে না। এজন্য তাঁর পক্ষে “এমন হওয়া বিচিত্র কি” বলা এ অর্থ প্ৰকাশ করে যে, যদি তোমরা সোজা না হও তাহলে এমনটি হবেই।
(৭২) বল, ‘তোমরা যে বিষয়ে ত্বরান্বিত করতে চাচ্ছ, সম্ভবতঃ তার কিছু শীঘ্রই তোমাদের উপর এসে পড়বে।’ (1)
(1) এখানে বদরের যুদ্ধের ঐ শাস্তি যা হত্যা ও বন্দীরূপে কাফেরদেরকে দেওয়া হয়েছিল তা বুঝানো হয়েছে। অথবা কবরের আযাবকে বুঝানো হয়েছে। رَدِفَ অর্থঃ নিকটে। যেমন বাহনে সওয়ারীর পিছনে (নিকটে) যে বসে তাকে رَدِيف বলা হয়।