আম্মাইঁ ইয়াহদীকুম ফী জুলুমা-তিল বাররি ওয়াল বাহরি ওয়া মাইঁ ইউরছিলুর রিয়া-হা বুশরম বাইনা ইয়াদাই রহমাতিহী আ ইলা-হুম মা‘আল্লা-হি তা‘আ-লাল্লা-হু ‘আম্মা-ইউশরিকূন।উচ্চারণ
আর কে জল-স্থলের অন্ধকারে তোমাদের পথ দেখান ৭৮ এবং কে নিজের অনুগ্রহের পূর্বাহ্নে বাতাস কে সুসংবাদ দিয়ে পাঠান? ৭৯ আল্লাহর সাথে কি অন্য ইলাহও (একাজ করে)? আল্লাহ অনেক উর্ধ্বে এ শিরক থেকে যা এরা করে। তাফহীমুল কুরআন
তবে কে তিনি, যিনি স্থল ও সমুদ্রের অন্ধকারে তোমাদেরকে পথ দেখান এবং যিনি নিজ রহমতের (বৃষ্টির) আগে (বৃষ্টির) সুসংবাদবাহীরূপে বাতাস পাঠান? (তবুও কি তোমরা বলছ) আল্লাহর সঙ্গে অন্য প্রভু আছে? (না, বরং) তারা যাকে শরীক করে আল্লাহ তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে।মুফতী তাকী উসমানী
কে তোমাদেরকে স্থলের ও পানির অন্ধকারে পথ প্রদর্শন করেন এবং কে স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন? আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা‘বূদ আছে কি? তারা যাকে শরীক করে আল্লাহ তা হতে বহু উর্ধ্বে।মুজিবুর রহমান
বল তো কে তোমাদেরকে জলে ও স্থলে অন্ধকারে পথ দেখান এবং যিনি তাঁর অনুগ্রহের পূর্বে সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন? অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তারা যাকে শরীক করে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বরং তিনি, যিনি তোমাদেরকে স্থলের ও পানির অন্ধকারে পথ প্রদর্শন করেন এবং যিনি স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহী বায়ু প্রেরণ করেন। আল্লাহ্ র সঙ্গে অন্য কোন ইলাহ্ আছে কি ? এরা যাকে শরীক করে আল্লাহ্ তা হতে বহু ঊর্ধ্বে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বরং তিনি, যিনি তোমাদেরকে স্থলে ও সমুদ্রের অন্ধকারে পথ দেখান এবং যিনি স্বীয় রহমতের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন। আল্লাহর সাথে কি অন্য কোন ইলাহ আছে? তারা যা কিছু শরীক করে আল্লাহ তা থেকে ঊর্ধ্বে।আল-বায়ান
নাকি তিনিই (শ্রেষ্ঠ) যিনি জল স্থলের গভীর অন্ধকারে পথ দেখান এবং যিনি তাঁর (বৃষ্টিরূপী) অনুগ্রহের পূর্বক্ষণে শুভবার্তাবাহী বাতাস প্রেরণ করেন? আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন ইলাহ্ আছে কি? তারা যাকে (আল্লাহর) শরীক করে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।তাইসিরুল
আচ্ছা! কে তোমাদের পথ দেখিয়ে দেন স্থলদেশের ও সমুদ্রের অন্ধকারে, আর কে পাঠিয়ে থাকেন বায়ুপ্রবাহ তাঁর করুণা-বিজড়িত সুসংবাদদাতারূপে? আল্লাহ্র সঙ্গে কি অন্য উপাস্য আছে? তারা যে-সব অংশী দাঁড় করায় তা থেকে আল্লাহ্ বহু ঊর্ধ্বে!মাওলানা জহুরুল হক
৭৮
অর্থাৎ যিনি তারকার সাহায্যে এমন ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যার ফলে তোমরা রাতের অন্ধকারেও নিজেদের পথের সন্ধান করতে পারো। মানুষ জলে-স্থলে যেসব সফর করে, সেখানে তাকে পথ দেখাবার জন্য আল্লাহ এমন সব উপায়-উপকরণ সৃষ্টি করে দিয়েছেন যার সাহায্যে সে নিজের গন্তব্য স্থলের দিকে নিজের চলার পথ নির্ধারণ করে নিত্তে পারে। দিনে ভূ-প্রকৃতির বিভিন্ন আলামত এবং সূর্যের উদয়াস্তের দিক তাকে সাহায্য করে এবং অন্ধকার রাতে আকাশের তারকারা তাকে পথ দেখায়। এ সবই আলাহর জ্ঞানগর্ভ ও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনারই একটি অংশ। সূরা নাহলে এসবগুলোকে আল্লাহর অনুগ্রহের মধ্যে গণ্য করা হয়েছে।
(وَعَلَامَاتٍ وَبِالنَّجْمِ هُمْ يَهْتَدُونَ-(ايت-16)
৭৯
রহমত বা অনুগ্রহ বলতে বৃষ্টিধারা বুঝানো হয়েছে। এর আগমনের পূর্বে বাতাস এর আগমনী সংবাদ দেয়।
৬৩. নাকি তিনি, যিনি তোমাদেরকে স্থলভূমি ও সমুদ্রের অন্ধকারে পথ দেখান(১) এবং যিনি তাঁর অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহ আছে কি? তারা যাকে শরীক করে আল্লাহ তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে।
(১) যেমন অন্য আয়াতে বলেছেন, “আর তিনিই তোমাদের জন্য তারকামণ্ডল সৃষ্টি করেছেন যেন তা দ্বারা তোমরা স্থলের ও সাগরের অন্ধকারে পথ খুঁজে পাও।” (সূরা আল-আনআমঃ ৯৭) অর্থাৎ যিনি তারকার সাহায্যে এমন ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যার ফলে তোমরা রাতের অন্ধকারেও নিজেদের পথের সন্ধান করতে পারো। মানুষ জলে-স্থলে যেসব সফর করে, সেখানে তাকে পথ দেখাবার জন্য আল্লাহ এমন সব উপায়-উপকরণ সৃষ্টি করেছেন যাতে সে সহজেই পথ চিনে নিতে পারে। (দেখুন: ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর) এ সবই আল্লাহর জ্ঞানগর্ভ ব্যবস্থাপনারই একটি অংশ। অন্যত্র এসবগুলোকে আল্লাহর অনুগ্রহের মধ্যে গণ্য করা হয়েছে। (দেখুন: সূরা আন-নাহল: ১৫–১৬)
(৬৩) কিংবা তিনি, যিনি তোমাদেরকে জলে ও স্থলের অন্ধকারে পথ প্রদর্শন করেন(1) এবং যিনি স্বীয় করুণার প্রাক্কালে (বৃষ্টির পূর্বে) সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন। (2) আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? ওরা যাকে অংশী করে, আল্লাহ তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে ।
(1) অর্থাৎ, আকাশে তারকারাজিতে উজ্জ্বলতা সৃষ্টিকারী কে, যার দ্বারা তোমরা সমুদ্র ও স্থল-সফরে অন্ধকারে পথের দিশা পাও? পাহাড় ও উপত্যকার সৃষ্টিকর্তা কে, যা পাশাপাশি দেশের মধ্যে সীমারেখার কাজ দেয় এবং পথের দিশাও।
(2) বৃষ্টির পূর্বে ঠান্ডা হাওয়া যা শুধু বৃষ্টির সুসংবাদই নয়; বরং তা অনাবৃষ্টি কবলিত মানুষের মনে-প্রাণে আনন্দের জোয়ার এনে দেয়।