ইউদা-‘আফ লাহুল ‘আযা-বুইয়াওমাল কিয়া-মাতি ওয়া ইয়াখলুদ ফীহি মুহা-না-।উচ্চারণ
কিয়ামতের দিন তাকে উপর্যুপরি শাস্তি দেয়া হবে ৮৫ এবং সেখানেই সে পড়ে থাকবে চিরকাল লাঞ্ছিত অবস্থায়। তাফহীমুল কুরআন
কিয়ামতের দিন তার শাস্তি বৃদ্ধি করে দ্বিগুণ করা হবে এবং সে লাঞ্ছিত অবস্থায় তাতে সদা-সর্বদা থাকবে। #%৩১%#মুফতী তাকী উসমানী
কিয়ামাত দিবসে তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায়।মুজিবুর রহমান
কেয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দ্বিগুন হবে এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কিয়ামতের দিন এর শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায় ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিয়ামতের দিন তার আযাব বর্ধিত করা হবে এবং সেখানে সে অপমানিত অবস্থায় স্থায়ী হবে।আল-বায়ান
ক্বিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে আর সে সেখানে লাঞ্ছিত হয়ে চিরবাস করবে।তাইসিরুল
আর কিয়ামতের দিনে তার জন্য শাস্তি বাড়িয়ে দেওয়া হবে, আর সেখানে সে হীন অবস্থায় স্থায়ী হয়ে রইবে, --মাওলানা জহুরুল হক
৮৫
এর দু’টি অর্থ হতে পারে। এক, এ শান্তির ধারা খতম হবে না বরং একের পর এক জারী থাকবে। দুই, যে ব্যক্তি কুফরী, শিরক বা নাস্তিক্যবাদের সাথে হত্যা ও অন্যান্য গোনাহের বোঝা মাথায় নিয়ে যাবে সে বিদ্রোহের শাস্তি আলাদাভাবে ভোগ করবে এবং অন্যান্য প্রত্যেকটি অপরাধের শাস্তি ভোগ করবে আলাদা আলাদাভাবে। তার ছোট বড় প্রত্যেকটি অপরাধ শুমার করা হবে। কোন একটি ভুলও ক্ষমা করা হবে না। হত্যার জন্য একটি শাস্তি দেয়া হবে না বরং হত্যার প্রত্যেকটি কর্মের জন্য পৃথক পৃথক শাস্তি দেয়া হবে। যিনার শাস্তিও একবার হবে না বরং যতবারই সে এ অপরাধটি করবে প্রত্যেকবারের জন্য পৃথক পৃথক শাস্তি পাবে। তার অন্যান্য অপরাধ ও গোনাহের শাস্তিও এ রকমই হবে।
এর দ্বারা কাফের ও মুশরিকদেরকে বোঝানো হয়েছে। কেননা মুমিনগণ জাহান্নামের স্থায়ী শাস্তি ভোগ করবে না। তাদেরকে যদি তাদের গুনাহের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়, তবে সে শাস্তি ভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে।
৬৯. কিয়ামতের দিন তার শাস্তি বর্ধিতভাবে প্ৰদান করা হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায়;
(৬৯) কিয়ামতের দিন ওদের শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে।