আল্লাযী খালাকাছছামা-ওয়া-তি ওয়ালা আরদা ওয়ামা-বাইনাহুমা-ফী ছিত্তাতি আইয়া-মিন ছু ম্মাছতাওয়া-‘আলাল ‘আরশি আররহমা-নূফাছআল বিহী খাবীর-উচ্চারণ
তিনিই ছয় দিনে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং তাদের মাঝখানে যা কিছু আছে সব তৈরি করে রেখে দিয়েছেন, তারপর তিনিই (বিশ্ব-জাহানের সিংহাসন) আরশে সমাসীন হয়েছেন, ৭২ তিনিই রহমান, যে জানে তাকে জিজ্ঞেস করো তাঁর অবস্থা সম্পর্কে। তাফহীমুল কুরআন
যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ছয় দিনে, তারপর তিনি আরশে ‘ইসতিওয়া’ #%২৭%# গ্রহণ করেছেন। তিনি ‘রহমান’। তাঁর (মহিমা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর কোন জ্ঞাতজনকে।মুফতী তাকী উসমানী
তিনি আকাশমন্ডলী, পৃথিবী এবং ওগুলির মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেন; অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হন; তিনিই রাহমান। তাঁর সম্বন্ধে যে অবগত আছে তাকে জিজ্ঞেস করে দেখ।মুজিবুর রহমান
তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের অন্তর্বর্তী সবকিছু ছয়দিনে সৃস্টি করেছেন, অতঃপর আরশে সমাসীন হয়েছেন। তিনি পরম দয়াময়। তাঁর সম্পর্কে যিনি অবগত, তাকে জিজ্ঞেস কর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও এদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিবসে সৃষ্টি করেন ; এরপর তিনি র্আশে সমাসীন হন। তিনিই ‘রাহমান’, তাঁর সম্বন্ধে যে অবগত আছে, তাকে জিজ্ঞাসা করে দেখ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যিনি আসমান, যমীন ও উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি আরশে উঠেছেন। পরম করুণাময়। সুতরাং তাঁর সম্পর্কে যিনি সম্যক অবহিত, তুমি তাকেই জিজ্ঞাসা কর।আল-বায়ান
তিনি আসমান, যমীন আর এ দু’য়ের ভিতরে যা আছে তা ছ’দিনে (ছ’টি সময় স্তরে) সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনিই রাহমান, কাজেই তাঁর সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস কর যে এ সম্পর্কিত জ্ঞান রাখে।তাইসিরুল
যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যের সবকিছুকে ছয় দিনে, তারপর তিনি অধিষ্ঠিত হলেন আরশের উপরে, -- তিনি পরম করুণাময়, অতএব তাঁর সন্বন্ধে জিজ্ঞাসা কর কোনো ওয়াকিফহালকে।মাওলানা জহুরুল হক
৭২
মহান আল্লাহর আরশের ওপর সমাসীন হবার বিষয়টি ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা আল আরাফ ৪১-৪২, ইউনূস ৪ এবং হূদ ৭ টীকা।
পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলী ছ’দিনে তৈরি করার বিষয়টি মুতাশাবিহাতের অন্তর্ভুক্ত। এর অর্থ নির্ধারণ করা কঠিন। হতে পারে একদিন অর্থ একটি যুগ, আবার এও হতে পারে, দুনিয়ায় আমরা একদিন বলতে যে সময়টুকু বুঝি একদিন অর্থ সেই পরিমাণ সময়। (বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন সূরা হা-মীম-আস্ সাজদাহ ১১-১৫ টীকা)।
‘ইসতিওয়া’-এর আভিধানিক অর্থ সোজা হওয়া, দৃঢ়ভাবে আসীন হওয়া। আরশে আল্লাহ তাআলার ‘ইসতিওয়া গ্রহণ’-এর ব্যাখ্যা কি এবং তা কিভাবে হয়ে থাকে, আমাদের সীমিত জ্ঞানবুদ্ধির দ্বারা তা বোঝা সম্ভব নয়। তা আমাদের জ্ঞানবুদ্ধির অতীত। সূরা আলে-ইমরানের শুরুতে যে ‘মুতাশাবিহাত’-এর কথা বলা হয়েছে, এটা তার অন্যতম। সুতরাং আয়াতে যতটুকু বলা হয়েছে ততটুকুর প্রতি ঈমান রাখাই যথেষ্ট। এর স্বরূপ উদ্ঘাটনের চেষ্টা বৃথা। বৃথা চেষ্টায় রত না হওয়াই ভালো।
৫৯. তিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেন; তারপর তিনি আরশের উপর উঠলেন। তিনিই রাহমান, সুতরাং তাঁর সম্বন্ধে যে অবহিত তাকে জিজ্ঞেস করে দেখুন।
(৫৯) তিনি আকাশমন্ডলী, পৃথিবী ও ওদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন; অতঃপর তিনি আরশে আরোহণ করেন। তিনিই দয়াময়, তাঁর সম্বন্ধে যে অবগত আছে তাকে জিজ্ঞাসা করে দেখ।