وَقَدِمۡنَآ إِلَىٰ مَا عَمِلُواْ مِنۡ عَمَلٖ فَجَعَلۡنَٰهُ هَبَآءٗ مَّنثُورًا

ওয়া কাদিমনাইলা-মা-‘আমিলূমিন ‘আমালিন ফাজা‘আলনা-হু হাবাআম মানছূর-।উচ্চারণ

এবং তাদের সমস্ত কৃতকর্ম নিয়ে আমি ধূলোর মতো উড়িয়ে দেবো। ৩৭ তাফহীমুল কুরআন

তারা (দুনিয়ায়) যা-কিছু আমল করেছে, আমি তার ফায়সালা করতে আসব এবং সেগুলোকে শূন্যে বিক্ষিপ্ত ধুলোবালি (-এর মত মূল্যহীন) করে দেব। #%১১%#মুফতী তাকী উসমানী

আমি তাদের কৃতকর্মগুলি বিবেচনা করব, অতঃপর সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করব।মুজিবুর রহমান

আমি তাদের কৃতকর্মের প্রতি মনোনিবেশ করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলিকণারূপে করে দেব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি এদের কৃতকর্মের প্রতি লক্ষ্য করব, এরপর সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করব।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তারা যে কাজ করেছে আমি সেদিকে অগ্রসর হব। অতঃপর তাকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দেব।আল-বায়ান

তারা (দুনিয়ায়) যে ‘আমাল করেছিল আমি সেদিকে অগ্রসর হব, অতঃপর তাকে বানিয়ে দেব ছড়ানো ছিটানো ধূলিকণা (সদৃশ)।তাইসিরুল

আর তারা কাজকর্মের যা করেছে তা আমরা বিবেচনা করব, তারপর তাকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা বানিয়ে দেব।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৭

ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা ইবরাহীম ৩৫ ও ৩৬ টীকা।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ, তারা যে সকল কাজকে পুণ্য মনে করত, আখেরাতে তা ধুলোবালির মত মিথ্যা মনে হবে। আর তাদের যেসব কাজ বাস্তবিকই ভালো ছিল তার ফল তো তাদেরকে দুনিয়াতেই দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আখেরাতে তার বিনিময়ে কিছু পাবে না। কেননা আখেরাতে কোন কাজ গৃহীত হওয়ার জন্য ঈমান শর্ত। তা তো তাদের ছিল না। তাই সেখানে এসব কোন কাজে আসবে না।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৩. আর আমরা তাদের কৃতকর্মের প্রতি অগ্রসর হয়ে সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করব।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৩) আমি ওদের কৃতকর্মগুলির প্রতি অভিমুখ করে সেগুলিকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা (স্বরূপ নিষ্ফল) করে দেব। (1)

(1) هباء এমন ধূলিকণাকে বলা হয়, যা শুধু কোন ছিদ্র দিয়ে ঘরের ভিতরে সূর্যের আলো প্রবেশ করলে দেখা যায়। কিন্তু হাত দিয়ে ধরা যায় না। কাফেরদের আমলও কিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত ধূলিকণার মত নগণ্য ও মূল্যহীন হবে। কারণ তা ছিল ঈমান ও ইখলাস হতে খালি ও শরীয়তের বিপরীত। অথচ কোন আমল গৃহীত হওয়ার জন্য দুটি শর্ত জরুরী, ঈমান, ইখলাস ও শরীয়তের নিয়ম মাফিক হওয়া। এখানে কাফেরদের আমলকে যেমন মূল্যহীন ধূলিকণার সাথে তুলনা করা হয়েছে, অনুরূপ অন্যান্য জায়গায় কোথাও ছাই, কোথাও মরীচিকা আবার কোথাও মসৃণ পাথরের মত বলা হয়েছে। উক্ত সকল উদাহরণ পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।

 (দেখুনঃ সূরা বাকারাহ ২৬৪, সূরা ইবরাহীম ১৮ ও সূরা নূর ৩৯নং আয়াত)