লাইছা ‘আলাইকুম জুনা-হুন আন তাদখুলূবুয়ূতান গাইর মাছকূনাতিন ফীহা-মাতা-‘উল লাকুম ওয়াল্লা-হু ইয়া‘লামুমা-তুবদূ না ওয়ামা-তাকতুমূন।উচ্চারণ
তবে তোমাদের জন্য কোন ক্ষতি নেই যদি তোমরা এমন গৃহে প্রবেশ করো যেখানে কেউ বাস করে না এবং তার মধ্যে তোমাদের কোন কাজের জিনিস আছে ২৮ তোমরা যা কিছু প্রকাশ করো ও যা কিছু গোপন করো আল্লাহ সবই জানেন। তাফহীমুল কুরআন
যে ঘরে কেউ বাস করে না এবং তার ভেতর তোমাদের কোন উপকার (বা প্রয়োজন) আছে, #%১৮%# তাতে তোমাদের (অনুমতি ছাড়া) প্রবেশে কোন গুনাহ নেই। তোমরা যে কাজ প্রকাশ্যে কর এবং যা গোপনে কর আল্লাহ তা জানেন।মুফতী তাকী উসমানী
যে গৃহে কেহ বাস করেনা তাতে তোমাদের জন্য দ্রব্য সামগ্রী থাকলে সেখানে তোমাদের প্রবেশে কোনো পাপ নেই এবং আল্লাহ জানেন যা তোমরা প্রকাশ কর এবং যা তোমরা গোপন কর।মুজিবুর রহমান
যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই এবং আল্লাহ জানেন তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে গৃহে কেউ বাস করে না তাতে তোমাদের জন্যে দ্রব্যসামগ্রী থাকলে সেখানে তোমাদের প্রবেশে কোনও পাপ নেই এবং আল্লাহ্ জানেন যা তোমরা প্রকাশ কর এবং যা তোমরা গোপন কর। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ঘরে কেউ বাস করে না, তাতে তোমাদের কোন ভোগসামগ্রী থাকলে, সেখানে তোমাদের প্রবেশে কোন পাপ হবে না। আর আল্লাহ জানেন যা তোমরা প্রকাশ কর আর যা তোমরা গোপন কর।আল-বায়ান
সে ঘরে কেউ বাস করে না, তোমাদের মালমাত্তা থাকে, সেখানে প্রবেশ করলে তোমাদের কোন পাপ হবে না, আল্লাহ জানেন তোমরা যা প্রকাশ কর আর যা তোমরা গোপন কর।তাইসিরুল
তোমাদের উপরে কোনো অপরাধ হবে না যদি তোমরা এমন ঘরে প্রবেশ কর যেখানে কোনো বাসিন্দা নেই, তোমাদের জন্য সেখানে প্রয়োজন রয়েছে। আর আল্লাহ্ জানেন যা তোমরা প্রকাশ কর ও যা তোমরা গোপন রাখ।মাওলানা জহুরুল হক
২৮
এখানে মূলত হোটেল, সরাইখানা, অতিথিশালা, দোকান, মুসাফির খানা ইত্যাদি যেখানে লোকদের জন্য প্রবেশের সাধারণ অনুমতি আছে সেখানকার কথা বলা হচ্ছে।
এর দ্বারা এমন পাবলিক নিবাস বোঝানো হয়েছে, যা ব্যক্তিবিশেষের মালিকানাধীন নয়; বরং সাধারণভাবে তা যে-কারও ব্যবহার করার অনুমতি আছে, যেমন গণ-মুসাফিরখানা, হোটেলের বহিরাংশ, হাসপাতাল, ডাকঘর, পার্ক, মাদরাসা ইত্যাদি। অনুমতি গ্রহণ-সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধি-বিধানের জন্য ‘মা‘আরিফুল কুরআন’ গ্রন্থে আলোচ্য আয়াতসমূহের তাফসীর দেখুন। তাতে বিশদ আলোচনা ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের সাথে এ সংক্রান্ত জরুরী মাসাইল উল্লেখ করা হয়েছে।
২৯. যে ঘরে কেউ বাস করে না(১) তাতে তোমাদের কোন ভোগ করা(২) বা উপকৃত হওয়ার অধিকার থাকলে সেখানে তোমাদের প্রবেশে কোন পাপ নেই। আর আল্লাহ জানেন যা তোমরা প্ৰকাশ কর এবং যা তোমরা গোপন কর।
(১) আয়াতে (بُيُوتًا غَيْرَ مَسْكُونَةٍ) বলে এমন গৃহ বুঝানো হয়েছে, যা কোন বিশেষ ব্যক্তি অথবা গোষ্ঠীর বাসগৃহ নয়; বরং সেটাকে ভোগ করার ও সেখানে অবস্থান করার অধিকার প্রত্যেকের আছে। যেমন বিভিন্ন শহরে ও প্রান্তরে এই উদ্দেশ্যে নির্মিত মুসাফিরখানাসমূহ, হোটেল, বাজার এবং একই কারণে মসজিদ, দ্বীনী পাঠাগার ইত্যাদি সব জনহিতকর প্রতিষ্ঠানও এই বিধানের অন্তর্ভুক্ত। যেখানে লোকদের জন্য প্রবেশের সাধারণ অনুমতি আছে এসব স্থানে প্রত্যেকেই বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে। (তাবারী, ফাতহুল কাদীর, মুয়াস্সার)
(২) مَتَاعٌ শব্দের আভিধানিক অর্থ কোন বস্তুকে ভোগ করা, ব্যবহার করা এবং তা দ্বারা উপকৃত হওয়া। যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় তাকেও مَتَاعٌ বলা হয়। (কুরতুবী, বাগভী)
(২৯) যে গৃহে কেউ বাস করে না, তাতে তোমাদের জন্য উপকার (বা আসবাব-পত্র) থাকলে সেখানে তোমাদের প্রবেশে কোনও পাপ নেই(1) এবং আল্লাহ জানেন, যা তোমরা প্রকাশ কর এবং যা তোমরা গোপন কর। (2)
(1) এ গৃহ থেকে কোন্ গৃহ বা ঘর উদ্দেশ্য, যে ঘরে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে? কেউ কেউ বলেন, সেই ঘর উদ্দেশ্য, যা শুধু মাত্র অতিথিদের জন্য তৈরী করা হয়েছে। এর জন্য মালিকের নিকট হতে প্রথমবার অনুমতি চেয়ে নেওয়াই যথেষ্ট। কেউ কেউ বলেন, এর অর্থ পান্থশালা (মুসাফিরখানা, হোটেল) বা বাণ্যিজিক (দোকান) ঘর। مَتَاع শব্দের অর্থ উপকার, আসবাব-পত্র।
(2) এতে সেই সব লোকদের সতর্ক করা হয়েছে, যারা অন্যের ঘরে প্রবেশ করার সময় উক্ত আদবের খেয়াল রাখে না।