وَٱلۡخَٰمِسَةُ أَنَّ لَعۡنَتَ ٱللَّهِ عَلَيۡهِ إِن كَانَ مِنَ ٱلۡكَٰذِبِينَ

ওয়াল খা-মিছাতুআন্না লা‘নাতাল্লা-হি ‘আলাইহি ইন ক-না মিনাল ক-যিবীন।উচ্চারণ

এবং পঞ্চম বার বলবে, তার প্রতি আল্লাহ‌র লা’নত হোক যদি সে (নিজের অভিযোগে) মিথ্যাবাদী হয়ে থাকে। তাফহীমুল কুরআন

এবং পঞ্চমবার সে বলবে, সে যদি (তার দেওয়া অভিযোগে) মিথ্যুক হয়, তবে তার প্রতি আল্লাহর লানত।মুফতী তাকী উসমানী

আর পঞ্চম বারে বলবে যে, সে যদি মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহর লা’নত।মুজিবুর রহমান

এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং পঞ্চমবারে বলবে যে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার ওপর নেমে আসবে আল্লাহর লা‘নত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পঞ্চমবারে সাক্ষ্য দেবে যে, সে যদি মিথ্যাবাদী হয়, তবে নিশ্চয় তার উপর আল্লাহর লা‘নত।আল-বায়ান

আর পঞ্চমবারে বলবে যে, সে যদি মিথ্যেবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লা’নত পতিত হবে।তাইসিরুল

আর পঞ্চমবারে যে আল্লাহ্‌র অভিশাপ তার উপরে পড়ুক যদি সে মিথ্যাবাদীদের একজন হয়।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭. এবং পঞ্চমবারে বলবে যে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহর লা’নত।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭) এবং পঞ্চমবার বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ নেমে আসবে। (1)

(1) এখানে ‘লিআন’এর বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। যার অর্থ হলঃ কোন পুরুষ নিজ স্ত্রীকে নিজের চোখে অন্য কোন পুরুষের সাথে কুকর্মে লিপ্ত দেখে, যার প্রতক্ষ্যদর্শী সে নিজেই। কিন্তু ব্যভিচারের শাস্তি সাব্যস্ত করার জন্য চারজন সাক্ষীর প্রয়োজন। সেই কারণে নিজের সঙ্গে অতিরিক্ত তিনজন সাক্ষী সংগ্রহ না করতে পারলে স্ত্রীর উপর ব্যভিচারের শাস্তি প্রয়োগ করা যাবে না। কিন্তু নিজের চোখে দেখার পর এ রকম অসতী স্ত্রী নিয়ে সংসার করাও সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় শরীয়তে এর সমাধান দিয়েছে যে, স্বামী আদালতে কাযীর সামনে চারবার আল্লাহর নামে কসম (শপথ) করে বলবে যে, সে তার স্ত্রী উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়ায় সত্যবাদী। অথবা স্ত্রীর এই সন্তান বা গর্ভ তার নয়। আর পঞ্চমবারে বলবে যে, ‘আমি যদি এ ব্যাপারে মিথ্যাবাদী হই, তাহলে আমার উপর আল্লাহর অভিশাপ হোক।’ (অনুরূপ স্ত্রীও নিজের উপর লা’নত বা অভিশাপ দেবে। আর স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের এই লা’নত দেওয়ার নামই ‘লিআন’।)