ছূরতুন আনঝালনা-হা-ওয়া ফারদনা-হা-ওয়া আনঝালনা-ফীহাআ-য়া-তিম বাইয়িনাতিল লা‘আল্লাকুম তাযাক্কারূন।উচ্চারণ
এটি একটি সূরা, আমি এটি নাযিল করেছি এবং একে ফরয করে দিয়েছি আর এর মধ্যে সুস্পষ্ট নির্দেশসমূহ নাযিল করেছি, ১ হয়তো তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে। তাফহীমুল কুরআন
এটি একটি সূরা, যা আমি নাযিল করেছি এবং যা (অর্থাৎ যার বিধানাবলী) আমি ফরয করেছি এবং এতে আমি নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।মুফতী তাকী উসমানী
এটি একটি সূরা, এটি আমি অবতীর্ণ করেছি এবং এর বিধানকে অবশ্য পালনীয় করেছি, এতে আমি অবতীর্ণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।মুজিবুর রহমান
এটা একটা সূরা যা আমি নাযিল করেছি, এবং দায়িত্বে অপরিহার্য করেছি। এতে আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটা একটি সূরা, এটা আমি অবতীর্ণ করেছি এবং এটার বিধান-কে অবশ্যপালনীয় করেছি, এতে আমি অবতীর্ণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এটি একটি সূরা, যা আমি নাযিল করেছি এবং এটাকে অবশ্য পালনীয় করেছি। আর আমি এতে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।আল-বায়ান
একটি সূরাহ যা আমি নাযিল করেছি আর তা ফরয করে দিয়েছি, আর তার ভেতরে আমি সুস্পষ্ট আয়াত নাযিল করেছি, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।তাইসিরুল
একটি সূরাহ্ -- আমরা এটি অবতারণ করেছি এবং এটিকে অবশ্য-পালনীয় করেছি, আর এতে আমরা অবতারণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যেন তোমরা মনোনিবেশ করতে পার।মাওলানা জহুরুল হক
১
এসব বাক্যাংশের মধ্যে “আমি”র ওপর জোর দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ আর কেউ এটি নাযিল করেনি বরং “আমিই” নাযিল করেছি। তাই কোন শক্তিহীন উপদেশকের বাণীর মতো একে হালকা জিনিস মনে করে বসো না। ভালো করে জেনে রাখো, এমন এক সত্ত্বা এটি নাযিল করেছেন যার মুঠোর মধ্যে রয়েছে তোমাদের প্রাণ ও কিসমত এবং তোমরা মরেও যার পাকড়াও থেকে বাঁচতে পারবে না।
দ্বিতীয় বাক্যাংশে বলা হয়েছে, এ সূরায় যেসব কথা বলা হয়েছে সেগুলো “সুপারিশ” পর্যায়ের জিনিস নয়। তোমার ইচ্ছা হলে মেনে নিলে অন্যথায় যা ইচ্ছা তাই করতে থাকলে, ব্যাপারটা তেমন নয়। বরং এটি হচ্ছে অকাট্য ও চূড়ান্ত বিধান। এ বিধান মেনে চলা অপরিহার্য। যদি তুমি মু’মিন ও মুসলিম হয়ে থাকো, তাহলে এ বিধান অনুযায়ী কাজ করা তোমার জন্য ফরয।
তৃতীয় বাক্যাংশে বলা হয়েছে, এ সূরায় যেসব নির্দেশ দেয়া হচ্ছে তার মধ্যে কোন অস্পষ্টতা নেই। পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট নির্দেশনামা। এগুলো সম্পর্কে তোমরা এ ওজর পেশ করতে পারবে না যে, অমুক কথাটি বুঝতে পারিনি কাজেই সেটিকে কেমন করে কার্যকর করতাম?
যে মহান ঘোষণার পরে আইনগত বিধান শুরু হয়ে যায় এই হচ্ছে তার ভূমিকা (Preamble)। সূরা নূরের বিধানগুলো মহান আল্লাহ কত গুরুত্ব সহকারে পেশ করছেন এ ভূমিকার বর্ণনাভঙ্গী নিজেই তা জানিয়ে দিচ্ছে। আইন-বিধান সম্বলিত অন্য কোন সূরার ভূমিকা এত বেশী জোরদার নয়।
১. এটা একটি সূরা, এটা আমরা নাযিল করেছি এবং এর বিধানকে আমরা অবশ্য পালনীয় করেছি, আর এতে আমরা নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ যাতে তোমরা উপদেশ গ্ৰহণ কর।
(১) এ একটি সূরা; যা আমি অবতীর্ণ করেছি(1) এবং এতে দিয়েছি অবশ্য পালনীয় বিধান, এতে আমি সুস্পষ্ট বাক্যসমূহ অবতীর্ণ করেছি; যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
(1) কুরআন কারীমের সমস্ত সূরাই আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। কিন্তু এই সূরার ব্যাপারে বিশেষভাবে এ কথা বলার তাৎপর্য হল, এ সূরায় আলোচিত বিধি-বিধানের বিশেষ গুরুত্ব আছে।