ওয়ামা-জা‘আলনা-লিবাশারিম মিন কাবলিকাল খুলদা আফাইম মিত্তা ফাহুমুল খা-লিদূ ন।উচ্চারণ
আর ৩৬ (হে মুহাম্মাদ!) অনন্ত জীবন তো আমি তোমার পূর্বেও কোন মানুষকে দেইনি; যদি তুমি মরে যাও তাহলে এরা কি চিরকাল বেঁচে থাকবে? তাফহীমুল কুরআন
(হে নবী!) আমি তোমার আগেও কোন মানুষের জন্য চিরদিন বেঁচে থাকার ফায়সালা করিনি। #%২০%# সুতরাং তোমার মৃত্যু হলে তারা কি চিরজীবী হয়ে থাকবে?মুফতী তাকী উসমানী
আমি তোমার পূর্বেও কোন মানুষকে চিরস্থায়ী জীবন দান করিনি; সুতরাং তোমার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হয়ে থাকবে?মুজিবুর রহমান
আপনার পূর্বেও কোন মানুষকে আমি অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে?মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি তোমার পূর্বেও কোন মানুষকে অনন্ত জীবন দান করি নাই ; সুতরাং তোমার মৃত্যু হলে এরা কি চিরজীবী হয়ে থাকবে ? ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমার পূর্বে কোন মানুষকে আমি স্থায়ী জীবন দান করিনি; সুতরাং তোমার মৃত্যু হলে তারা কি অনন্ত জীবনসম্পন্ন হয়ে থাকবে ?আল-বায়ান
তোমার পূর্বেও আমি কোন মানুষকে চিরস্থায়ী করিনি। তুমি যদি মারা যাও, তাহলে তারা কি চিরস্থায়ী হবে?তাইসিরুল
আর তোমার আগে আমরা কোনো মানুষের জন্য স্থায়িত্ব দিই নি। সুতরাং যদি তোমাকেই মারা যেতে হয় তবে কি তারা চিরজীবী হবে?মাওলানা জহুরুল হক
৩৬
এখান থেকে আবার ভাষণের মোড় ঘুরে যাচ্ছে নবী ﷺ ও তাঁর বিরোধীদের মধ্যে যে সংঘাত চলছিল সেদিকে।
সূরা ‘তূর’ (৫২ : ৩০)-এ আছে, মক্কার কাফেরগণ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বলত, আমরা তার মৃত্যুর অপেক্ষা করছি। বোঝাতে চাচ্ছিল, তাঁর ইন্তিকালে তারা আনন্দ উদযাপন করবে। তারই উত্তরে এ আয়াত নাযিল হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মরণ সকলেরই হবে। যারা আনন্দ উদযাপনের জন্য উদ্গ্রীব হয়ে আছে, তারা নিজেরা কি মৃত্যু এড়াতে পারবে?
৩৪. আর আমরা আপনার আগেও কোন মানুষকে অনন্ত জীবন দান করিনি(১); কাজেই আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরজীবি হয়ে থাকবে?
(১) এ আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, খাদির আলাইহিস সালাম মারা গেছেন। কারণ, তিনি একজন মানুষ। মানুষদের মধ্যে কাউকেই আল্লাহ চিরঞ্জাব করেননি। (ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমু ফাতাওয়া ৪/৩৩৭)
(৩৪) আমি তোমার পূর্বে কোন মানুষকে অনন্ত জীবন দান করিনি; সুতরাং তোমার মৃত্যু হলে তারা কি চিরজীবী হয়ে থাকবে? (1)
(1) মক্কার কাফেররা নবী (সাঃ)-এর ব্যাপারে বলত যে, সে তো একদিন মারাই যাবে। এ আয়াত তারই উত্তর। আল্লাহ বললেন, মৃত্যু তো প্রত্যেক মানুষের জন্য অবধারিত। মুহাম্মাদ (সাঃ)ও এই নিয়ম-বহির্ভূত নয়। কারণ সেও একজন মানুষ। আর আমি কোন মানুষকে অমরতা দান করিনি। কিন্তু যারা এ কথা বলে তারা কি মরবে না? এ হতে মুশরিকদের মতবাদেরও খন্ডন হয়ে যায়; যারা দেবতা, আম্বিয়া ও আওলিয়াগণের চিরজীবী থাকার ধারণা পোষণ করে থাকে। আর সেই ভিত্তিতেই তারা তাঁদেরকে নিজেদের সাহায্যকারী ও বিপত্তারণ মনে করে। সুতরাং কুরআন-বিরোধী এই ভ্রষ্ট আকীদা হতে আমরা আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।