ওয়ামা-জা‘আলনা-হুম জাছাদাল্লা-ইয়া‘কুলূনাততা‘আ-মা ওয়ামা-ক-নূখা-লিদীন।উচ্চারণ
সেই রসূলদেরকে আমি এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে, তারা খেতো না এবং তারা চিরজীবিও ছিল না। তাফহীমুল কুরআন
এবং আমি তাদের (অর্থাৎ রাসূলদের)-কে এমন দেহবিশিষ্ট বানাইনি, যারা খাবার খাবে না। আর তারা চিরজীবীও ছিল না।মুফতী তাকী উসমানী
আর আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি যে, তারা আহার্য গ্রহণ করতনা। তারা চিরস্থায়ীও ছিলনা।মুজিবুর রহমান
আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাদ্য ভক্ষণ করত না এবং তারা চিরস্থায়ীও ছিল না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং আমি তাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করি নাই যে, তারা আহার্য গ্রহণ করত না; তারা চিরস্থায়ীও ছিল না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি তাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাদ্য গ্রহণ করত না, আর তারা স্থায়ীও ছিল না।আল-বায়ান
তাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে তারা খাদ্য খেত না আর তারা ছিল না চিরস্থায়ী।তাইসিরুল
আর আমরা তাঁদের এমন শরীর দিই নি যে তাঁরা খাদ্য খাবেন না, আর তাঁরা চিরস্থায়ীও ছিলেন না।মাওলানা জহুরুল হক
৮. আর আমরা তাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাবার গ্ৰহণ করত না; আর তারা চিরস্থায়ীও ছিল না।(১)
(১) এটা তাদের আরেক প্রশ্নের উত্তর। তারা বলত যে, এটা কেমন নবী হলেন যে, খাওয়া-দাওয়া করেন? বলা হচ্ছে যে, যত নবী-রাসূলই পাঠিয়েছি তারা সবাই শরীর বিশিষ্ট লোক ছিলেন। তারা খাবার খেতেন। যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, “আপনার আগে আমরা যে সকল রাসূল পাঠিয়েছি তারা সকলেই তো খাওয়া-দাওয়া করত ও হাটে-বাজারে চলাফেরা করত।” (সূরা আল-ফুরকান: ২০) অর্থাৎ তারাও মানুষদের মতই মানুষ ছিলেন। তারাও মানুষদের মতই খানা-পিনা করতেন। কামাই রোযগার করতে, ব্যবসা করতে বাজারে যেতেন। এটা তাদের কোন ক্ষতি করেনি। তাদের কোন মানও কমায়নি। কাফের মুশরিকরা যে ধারণা করে থাকে তা ঠিক নয়। তারা বলত: ‘এ কেমন রাসূল’ যে খাওয়া-দাওয়া করে এবং হাটে-বাজারে চলাফেরা করে; তার কাছে কোন ফিরিশতা কেন নাযিল করা হল না, যে তার সংগে থাকত সতর্ককারীরূপে? অথবা তার কাছে কোন ধনভাণ্ডার এসে পড়ল না কেন অথবা তার একটি বাগান নেই কেন, যা থেকে সে খেতো? যালিমরা আরো বলে, “তোমরা তো এক জাদুগ্ৰস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।” (সূরা আল-ফুরকান: ৭-৮) (ইবন কাসীর)
(৮) আমি তাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে, তারা আহার্য ভক্ষণ করত না এবং তারা চিরজীবীও ছিল না। (1)
(1) বরং তারা খাবারও খেত এবং মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে চিরস্থায়ী জীবনের পথে পাড়ি দিয়েছে। এ কথা বলে নবীগণের মানুষ হওয়ারই প্রমাণ পেশ করা হচ্ছে।