কুল কুল্লুম মুতারব্বিসুন ফাতারব্বাসূ ফাছাতা‘লামূনা মান আসহা-বুসসির-তিছ ছাবিইয়ি ওয়া মানিহতাদা-উচ্চারণ
হে মুহাম্মাদ! এদেরকে বলো, সবাই কাজের পরিণামের প্রতীক্ষায় রয়েছে। ১১৭ কাজেই এখন প্রতীক্ষারত থাকো। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে, কারো সোজা-সঠিক পথ অবলম্বনকারী এবং কারা সৎপথ পেয়ে গেছে। তাফহীমুল কুরআন
(হে নবী! তাদেরকে) বলে দাও, (আমাদের) সকলেই প্রতীক্ষা করছে। সুতরাং তোমরাও প্রতীক্ষা কর। #%৬৮%# কেননা তোমরা অচিরেই জানতে পারবে কারা সরল পথের অনুসারী এবং কারা হিদায়াতপ্রাপ্ত?মুফতী তাকী উসমানী
বলঃ প্রত্যেকেই প্রতীক্ষা করছে, সুতরাং তোমরাও প্রতীক্ষা কর, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কারা রয়েছে সরল পথে এবং কারা সৎ পথ প্রাপ্ত হয়েছে।মুজিবুর রহমান
বলুন, প্রত্যেকেই পথপানে চেয়ে আছে, সুতরাং তোমরাও পথপানে চেয়ে থাক। অদূর ভবিষ্যতে তোমরা জানতে পারবে কে সরল পথের পথিক এবং কে সৎপথ প্রাপ্ত হয়েছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বল, ‘প্রত্যেকেই প্রতীক্ষা করতেছে, সুতরাং তোমরাও প্রতীক্ষা কর। এরপর তোমরা জানতে পারবে কাহারা রয়েছে সরল পথে এবং কারা সৎপথ অবলম্বন করেছে।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘প্রত্যেকেই প্রতীক্ষা করছে, অতএব তোমরাও প্রতীক্ষায় থাক। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কারা সঠিক পথের উপর রয়েছে এবং কারা হিদায়াতপ্রাপ্ত’।আল-বায়ান
বল, (ইসলামের অনুসারীদের পরিণতি দেখার জন্য চারপাশের) সবাই অপেক্ষা করছে, কাজেই তোমরাও অপেক্ষা কর, তাহলেই তোমরা জানতে পারবে যে, কারা সরল পথের পথিক আর কারা সঠিক পথপ্রাপ্ত।তাইসিরুল
তুমি বলো -- " প্রত্যেকেই প্রতীক্ষা করছে, সুতরাং তোমরাও প্রতীক্ষা কর, তাহলে অচিরেই তোমরা জানতে পারবে কারা সঠিক পথের লোক এবং কারা সৎপথে চলেছে।"মাওলানা জহুরুল হক
১১৭
অর্থাৎ যখন থেকে এ দাওয়াতটি তোমাদের শহরে পেশ করা হয়েছে তখন থেকে শুধুমাত্র এ শহরের নয় বরং আশেপাশে এলাকারও প্রতিটি লোক এর শেষ পরিণতি দেখার জন্য অপেক্ষা করছে।
অর্থাৎ, দলীল-প্রমাণ তো সবই চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এখন বাকি রয়েছে কেবল আল্লাহ তাআলার ফায়সালা। আমরা তাঁর সেই ফায়সালার অপেক্ষায় আছি। তোমরাও তার অপেক্ষা করতে থাক। সেই সময় দূরে নয়, যখন প্রত্যেকের সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে কোনটা খাঁটি আর কোনটা ভেজাল।
১৩৫. বলুন, প্রত্যেকেই প্রতীক্ষা করছে, কাজেই তোমরাও প্রতিক্ষা কর(১)। তারপর অচিরেই তোমরা জানতে পারবে কারা রয়েছে সরল পথে এবং কারা সৎপথ অবলম্বন করেছে।(২)
(১) অর্থাৎ যখন থেকে এ দাওয়াতটি তোমাদের শহরে পেশ করা হয়েছে তখন থেকে শুধুমাত্র এ শহরের নয় বরং আশেপাশের এলাকারও প্রতিটি লোক এর শেষ পরিণতি দেখার জন্য অপেক্ষা করছে। কার জন্য বিজয় রয়েছে এটা মুমিন, কাফের সবাই দেখার অপেক্ষায় আছে। (কুরতুবী)
(২) অর্থাৎ আজ তো আল্লাহ্ তা'আলা প্রত্যেককে মুখ দিয়েছেন, প্রত্যেকেই তার তরীকা ও কর্মকে উৎকৃষ্ট ও বিশুদ্ধ বলে দাবী করতে পারে। কিন্তু এই দাবী কোন কাজে আসবে না। উৎকৃষ্ট ও বিশুদ্ধ তরীকা তা-ই হতে পারে, যা আল্লাহর কাছে প্রিয় ও বিশুদ্ধ। আল্লাহর কাছে কোনটি বিশুদ্ধ, তার সন্ধান কেয়ামতের দিন প্রত্যেকেই পেয়ে যাবে। তখন সবাই জানতে পারবে যে, কে ভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট ছিল এবং কে বিশুদ্ধ ও সরল পথে ছিল। কে জান্নাতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। (কুরতুবী) এটা কুরআনের অন্য আয়াতের মত হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, “আর যখন তারা শান্তি প্রত্যক্ষ করবে, তখন জানতে পারবে কে অধিক পথভ্রষ্ট।” (সূরা আল-ফুরকান: ৪২) (ইবন কাসীর)
(১৩৫) বল, ‘প্রত্যেকেই প্রতীক্ষা করছে(1) সুতরাং তোমরাও প্রতীক্ষা কর। অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কারা আছে সরল পথে এবং কারা সৎপথ অবলম্বন করেছে।’ (2)
(1) অর্থাৎ, কাফের ও মুসলিম প্রত্যেকেই এই অপেক্ষায় আছে যে, দেখা যাক, কুফর বিজয়ী হয়, না ইসলাম।
(2) অর্থাৎ, সে জ্ঞান তোমাদের হয়ে যাবে যে, আল্লাহর সাহায্যে সফল ও কৃতকার্য কারা হবে। বলা বাহুল্য, এই সফলতা মুসলিমদের ভাগে এসেছিল। আর তাতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, ইসলামই সরল পথ এবং তার অনুসারীরাই সৎপথপ্রাপ্ত।