ওয়ালাওলা-কালিমাতুন ছাবাকাত মির রব্বিকা লাক-না লিঝা-মাওঁ ওয়া আজালুম মুছাম্মা-।উচ্চারণ
যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে আগেই একটি সিদ্ধান্ত না করে দেয়া হতো এবং অবকাশের একটি সময়সীমা নির্ধারিত না করা হতো, তাহলে অবশ্যই এরও ফায়সালা চুকিয়ে দেয়া হতো। তাফহীমুল কুরআন
তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে পূর্ব থেকেই যদি একটা কথা স্থিরীকৃত না থাকত এবং (তার ভিত্তিতে শাস্তির জন্য) একটা কাল নির্ধারিত না থাকত, তবে অবশ্যম্ভাবী শাস্তি (তাদেরকে) লেপটে ধরত। #%৬৪%#মুফতী তাকী উসমানী
তোমার রবের পূর্ব সিদ্ধান্ত এবং এক নির্ধারিত সময় না থাকলে অবশ্যম্ভাবী হত ত্বরিত শাস্তি।মুজিবুর রহমান
আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত এবং একটি কাল নির্দিষ্ট না থাকলে শাস্তি অবশ্যম্ভাবী হয়ে যেত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তোমার প্রতিপালকের পূর্বসিদ্ধান্ত ও একটা কাল নির্ধারিত না থাকলে অবশ্যম্ভাবী হত আশু শাস্তি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত ও একটি কাল নির্ধারিত হয়ে না থাকত, তবে আশু শাস্তি অবশ্যম্ভাবী হত।আল-বায়ান
তোমার প্রতিপালকের নিকট থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে (তাদের শাস্তি) অবশ্যই এসে পড়ত, কিন্তু এর জন্য নির্দিষ্ট আছে একটি সময়।তাইসিরুল
আর যদি ঘোষণাটি তোমার প্রভুর তরফ থেকে আগেই সাব্যস্ত না হতো তবে এটি অবশ্যাবী হতো, কিন্তু একটি নির্ধারিত কাল রয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ, কাফেরদেরকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলা একটি সময় নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সে সময় না আসবে, তাদেরকে অবকাশ দেওয়া হতে থাকবে। এ কারণেই এত সব নাফরমানী ও অবাধ্যতা সত্ত্বেও কাফেরদের উপর শাস্তি অবতীর্ণ হচ্ছে না। স্থিরীকৃত কথা বলতে নির্দিষ্ট সময় আসার আগে শাস্তি না দেওয়া বোঝানো হয়েছে। একথা যদি পূর্ব থেকে স্থিরীকৃত না থাকত, তবে তারা যে গুরুতর অপরাধ করছে, সেজন্য তাৎক্ষণিক শাস্তিতে তারা অবশ্যই আক্রান্ত হত।
১২৯. আর আপনার রব-এর পূর্ব সিদ্ধান্ত ও একটা সময় নির্ধারিত না থাকলে অবশ্যম্ভাবী হত আশু শাস্তি।
(১২৯) তোমার প্রতিপালকের পূর্ব-ঘোষণা না থাকলে এবং একটি কাল নির্ধারিত না হলে (শাস্তি) অবশ্যম্ভাবী হত। (1)
(1) মক্কার মুশরিক ও মিথ্যাজ্ঞানকারীরা কি এটা চিন্তা করে না যে, তাদের আগে অনেক জাতি গুজরে গেছে যাদের এরা স্থলাভিষিক্ত এবং এরা তাদের বসতির উপর দিয়ে যাতায়াত করে, যাদেরকে আমি মিথ্যাজ্ঞান করার জন্যই ধ্বংস করেছি। যাদের ভয়ানক পরিণামে বুদ্ধিমান ও জ্ঞানীদের জন্য রয়েছে অনেক নির্দশন। কিন্তু এ মক্কাবাসীরা নিজেদের চক্ষু বন্ধ করে তাদেরই অনুকরণ করে যাচ্ছে। যদি আল্লাহ পূর্বেই এরূপ সিদ্ধান্ত না নিতেন যে, তিনি কোন প্রমাণ পূর্ণ হওয়া ছাড়া এবং ঐ সময় আসার আগে যা তিনি অবকাশ হিসাবে কোন জাতিকে (ঢিল) দিয়ে রেখেছেন কাউকে ও ধ্বংস করবেন না, তাহলে হঠাৎ আল্লাহর আযাব তাদের উপর এসে পড়ত এবং তারা ধ্বংস হয়ে যেত। অর্থ এই যে, নবীকে মিথ্যাজ্ঞান করা সত্ত্বেও তাদের উপর কোন আযাব না এলে তারা যেন এটা না মনে করে যে, আগামীতেও তা আসবে না। বরং আল্লাহ তাদেরকে এখন ঢিল দিয়ে রেখেছেন; যেমন তিনি প্রত্যেক জাতিকে দিয়ে থাকেন। ঢিল ও অবকাশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আল্লাহর আযাব হতে তাদেরকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না।