ইয়াওমাইযিইঁ ইয়াত্তাবি‘ঊনাদ্দা-‘ইয়া লা-‘ইওয়াজালাহূ ওয়াখাশা‘আতিল আসওয়া-তু লিররহমা-নি ফালা-তাছমা‘উ ইল্লা-হামছা-।উচ্চারণ
--সেদিন সবাই নকীবের আহবানে সোজা চলে আসবে, কেউ সামান্য দর্পিত ভংগীর প্রকাশ ঘটাতে পারবে না এবং করুণাময়ের সামনে সমস্ত আওয়াজ স্তব্ধ হয়ে যাবে, মৃদু খসখস শব্দ ৮৪ ছাড়া তুমি কিছুই শুনবে না। তাফহীমুল কুরআন
সে দিন সকলে আহ্বানকারীর অনুসরণ করবে এমনভাবে যে, তার কাছে কোন বক্রতা পরিদৃষ্ট হবে না #%৫৩%# এবং দয়াময় আল্লাহর সামনে সব আওয়াজ স্তব্ধ হয়ে যাবে। ফলে তুমি পায়ের মৃদু আওয়াজ ছাড়া কিছুই শুনতে পাবে না।মুফতী তাকী উসমানী
সেদিন তারা আহবানকারীর অনুসরণ করবে, এ ব্যাপারে এদিক ওদিক করতে পারবেনা; দয়াময়ের সামনে সব শব্দ স্তদ্ধ হয়ে যাবে; সুতরাং মৃদু পদধ্বনি ছাড়া তুমি কিছুই শুনতে পাবেনা।মুজিবুর রহমান
সেই দিন তারা আহবানকারীর অনুসরণ করবে, যার কথা এদিক-সেদিক হবে না এবং দয়াময় আল্লাহর ভয়ে সব শব্দ ক্ষীণ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু গুঞ্জন ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেই দিন এরা আহ্বানকারীর অনুসরণ করবে, এই ব্যাপারে এদিক-ওদিক করতে পারবে না। দয়াময়ের সামনে সকল শব্দ স্তব্ধ হয়ে যাবে; সুতরাং মৃদু পদধ্বনি ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেদিন তারা আহবানকারীর (ফেরেশতার) অনুসরণ করবে। এর কোন এদিক সেদিক হবে না এবং পরম করুণাময়ের সামনে সকল আওয়াজ নিচু হয়ে যাবে। তাই মৃদু আওয়াজ ছাড়া তুমি কিছুই শুনতে পাবে না।আল-বায়ান
সেদিন তারা (সোজাসুজি) আহবানকারীর অনুসরণ করবে যার কথা এদিক ওদিক হবে না। দয়াময়ের সম্মুখে সেদিন যাবতীয় আওয়াজ স্তব্ধ হয়ে যাবে (এমনভাবে) যে মৃদু গুঞ্জন ছাড়া তুমি কিছুই শুনবে না।তাইসিরুল
সেইদিন তারা আহানকারীর অনুসরণ করবে, তাঁর মধ্যে কোনো আঁকানো-বাঁকানো নেই, আর গলার আওয়াজ হবে ক্ষীণ পরম করুণাময়ের সামনে, তারফলে তুমি মৃদু গুন ছাড়া আর কিছুই শুনবে না।মাওলানা জহুরুল হক
৮৪
মূলে ‘হাম্স’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এ শব্দটি পায়ের আওয়াজ, চুপিচুপি কথা বলার আওয়াজ, উটের চলার আওয়াজ এবং আরো এ ধরনের হালকা আওয়াজের জন্য বলা হয়। এর অর্থ এ দাঁড়ায় যে, সেখানে চলাচলকারীদের পায়ের আওয়াজ ছাড়া চুপিচুপি গুনগুন করে কথা বলার কোন আওয়াজ শোনা যাবে না। চতুর্দিকে একটি ভয়ংকর ভীতিপ্রদ পরিবেশ বিরাজ করবে।
অর্থাৎ হাশরের ময়দানে সমবেত হওয়ার জন্য যখন ফিরিশতা ডাক দেবে, তখন সকল মানুষ এদিক-ওদিক ছোটাছুটি না করে সোজা তার পিছনে পিছনে ছুটবে। ফলে তাদের চলায় তার দৃষ্টিতে কোন বক্রতা পরিলক্ষিত হবে না। আহা! আজ ইহজগতেও যদি মানুষ আল্লাহর পক্ষ হতে আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দিয়ে সোজাসুজি তাদের দেখানো পথে চলত! (আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল বক্রতা থেকে হেফাজত করে সরল সোজা পথে পরিচালিত করুন (আমীন)। -অনুবাদক
১০৮. সেদিন তারা আহ্বানকারীর অনুসরণ করবে, এ ব্যাপারে এদিক ওদিক করতে পারবে না। আর দয়াময়ের সামনে সমস্ত শব্দ স্তব্ধ হয়ে যাবে; কাজেই মৃদু ধ্বনি(১) ছাড়া আপনি কিছুই শুনবেন না।
(১) মূলে ‘হাম্স’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এ শব্দটি পায়ের আওয়াজ, চুপিচুপি কথা বলার আওয়াজ, আরো এ ধরনের হালকা আওয়াজের জন্য বলা হয়। এর অর্থ এ দাঁড়ায় যে, সেখানে চলাচলকারীদের পায়ের আওয়াজ, হাল্কা শব্দ ছাড়া কোন আওয়াজ শোনা যাবে না। (ইবন কাসীর)
(১০৮) সেই দিন ওরা আহবানকারীর অনুসরণ করবে,(1) এই ব্যাপারে (তাদের) কোন বক্রতা থাকবে না।(2) আর পরম দয়াময়ের নিকট সকল শব্দ স্তব্ধ হয়ে যাবে। সুতরাং মৃদু পদধ্বনি ব্যতীত তুমি কিছুই শুনবে না। (3)
(1) যে দিন উঁচু-নিচু, পর্বত-উপত্যকা, আকাশ-ছোঁয়া অট্টালিকা, সব বরাবর ও সমতল হয়ে যাবে। সমুদ্র ও নদ-নদী শুকিয়ে যাবে, সমস্ত পৃথিবী সমতলভূমিতে পরিণত হবে। তারপর একজন আহবানকারীর শব্দ আসবে, যার পিছু পিছু সমস্ত লোক চলতে শুরু করবে।
(2) অর্থাৎ, সেই আহবানকারী থেকে এদিক-ওদিক হবে না।
(3) সম্পূর্ণ নিস্তব্ধতা বিরাজ করবে, মৃদু পদধ্বনি আর কানাকানি ছাড়া কিছুই শোনা যাবে না।