ইন্নাহূমাইঁ ইয়া’তি রব্বাহূমুজরিমান ফাইন্না লাহূজাহান্নামা লা-ইয়ামূতুফীহা-ওয়ালাইয়াহইয়া-।উচ্চারণ
--প্রকৃতপক্ষে ৫০ যে ব্যক্তি অপরাধী হয়ে নিজের রবের সামনে হাযির হবে তার জন্য আছে জাহান্নাম, যার মধ্যে সে না জীবিত থাকবে, না মরবে। ৫১ তাফহীমুল কুরআন
বস্তুত যে ব্যক্তি নিজ প্রতিপালকের কাছে অপরাধী হয়ে আসবে, তার জন্য আছে জাহান্নাম, যার ভেতর সে মরবেও না, বাঁচবেও না। #%৩১%#মুফতী তাকী উসমানী
যে তার রবের নিকট অপরাধী হয়ে উপস্থিত হবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম, সেখানে সে মরবেও না, বাঁচবেও না।মুজিবুর রহমান
নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে তার প্রতিপালকের নিকট অপরাধী হয়ে উপস্থিত হবে তার জন্যে তো আছে জাহান্নাম, সেখানে সে মরবেও না, বাঁচবেও না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে তার রবের নিকট অপরাধী অবস্থায় আসবে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবেও না, বাঁচবেও না।আল-বায়ান
যে কেউ তার প্রতিপালকের নিকট অপরাধী অবস্থায় হাযির হবে তার জন্যে আছে জাহান্নাম, সেখানে সে না মরবে, আর না বাঁচবে।তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ যে কেউ তার প্রভুর কাছে আসে অপরাধী হয়ে তার জন্য তবে তো রয়েছে জাহান্নাম। সে সেখানে মরবে না, আর সে বাঁচবেও না।মাওলানা জহুরুল হক
৫০
যাদুকরদের উক্তির সাথে এটা আল্লাহর বাড়তি উক্তি। বক্তব্যের ধরন থেকেই এ কথা বুঝা যাচ্ছে যে, এ বাক্য যাদুকরদের উক্তির অংশ নয়।
৫১
অর্থাৎ জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে। পুরোপুরি মৃত্যু হবে না। যার ফলে তার কষ্ট ও বিপদের সমাপ্তি সূচিত হবে না। আবার জীবনকে মৃত্যুর ওপর প্রাধান্য দেবার মতো জীবনের কোন আনন্দও লাভ করবে না। জীবনের প্রতি বিরূপ হবে কিন্তু মৃত্যু লাভ করবে না। মরতে চাইবে কিন্তু মরতে পারবে না। কুরআন মজীদে জাহান্নামের আযাবের যে বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে এ অবস্থাটি হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভয়াবহ। এর কল্পনায়ও হৃদয়-মন কেঁপে ওঠে।
মৃত্যু হবে না এ কারণে যে, সেখানে কোন মৃত্যু নেই আর ‘বাঁচবে না’ বলা হয়েছে এ কারণে যে, জাহান্নামে তাদের যে জীবন কাটবে তা মরণ অপেক্ষাও নিকৃষ্টতর হবে। তাই তা বেঁচে থাকার মধ্যে গণ্য হওয়ারই উপযুক্ত নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তা থেকে রক্ষা করুন।
৭৪. যে তার রব-এর কাছে অপরাধী হয়ে উপস্থিত হবে তার জন্য তো আছে জাহান্নাম, সেখানে সে মরবেও না, বাঁচবেও না।(১)
(১) অর্থাৎ জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকবে। পুরোপুরি মৃত্যু হবে না। যার ফলে তার কষ্ট ও বিপদের সমাপ্তি সূচিত হবে না আবার জীবনকে মৃত্যুর উপর প্রাধান্য দেবার মতো জীবনের কোন আনন্দও লাভ করবে না। জীবনের প্রতি বিরূপ হবে কিন্তু মৃত্যু লাভ করবে না। মরতে চাইবে কিন্তু মরতে পারবে না। কুরআন মজীদে জাহান্নামের আযাবের যে বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে এ অবস্থাটি হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভয়াবহ। এর কল্পনায়ও হৃদয় মন কেঁপে উঠে। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আর যারা জাহান্নামের অধিবাসী হিসেবে জাহান্নামে যাবে তারা সেখানে মরবেও না বাঁচবেও না (মুসলিম: ১৮৫)
(৭৪) নিশ্চয় যে তার প্রতিপালকের নিকট অপরাধী হয়ে উপস্থিত হবে তার জন্য আছে জাহান্নাম; সেখানে সে মরবেও না এবং বাঁচবেও না।(1)
(1) অর্থাৎ, আমার আযাবে অতিষ্ঠ হয়ে তারা মরণ কামনা করবে, কিন্তু তাদের মরণ আসবে না। আর দিবারাত্রি আযাবের কষ্ট ভোগ করতে থাকা, পানাহারের জন্য যাক্কুমের মত অতি তিক্ত গাছ, জাহান্নামীদের দেহ হতে নির্গত রক্ত-পুঁজ পেতে থাকা, এটা কি কোন জীবন হল? হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব হতে বাঁচাও।