قَالُواْ يَٰمُوسَىٰٓ إِمَّآ أَن تُلۡقِيَ وَإِمَّآ أَن نَّكُونَ أَوَّلَ مَنۡ أَلۡقَىٰ

ক-লূইয়া-মূছাইম্মাআন তুলকিয়া ওয়া ইম্মাআন নাকূনা আওয়ালা মান আলক-।উচ্চারণ

যাদুকররা বললো, ৩৯ “হে মূসা! তুমি নিক্ষেপ করবে, নাকি আমরাই আগে নিক্ষেপ করবো?” তাফহীমুল কুরআন

যাদুকরগণ বলল, হে মূসা! হয় তুমি আগে (নিজ লাঠি) নিক্ষেপ কর অথবা প্রথমে আমরাই নিক্ষেপ করি।মুফতী তাকী উসমানী

তারা বললঃ হে মূসা! হয় তুমি নিক্ষেপ কর অথবা প্রথমে আমরাই নিক্ষেপ করি।মুজিবুর রহমান

তারা বললঃ হে মূসা, হয় তুমি নিক্ষেপ কর, না হয় আমরা প্রথমে নিক্ষেপ করি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরা বলল, ‘হে মূসা! হয় তুমি নিক্ষেপ কর বা প্রথমে আমরাই নিক্ষেপ করি।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা বলল, হে মূসা, হয় তুমি নিক্ষেপ কর, না হয় আমরাই প্রথমে নিক্ষেপ করি।আল-বায়ান

তারা বলল, ‘হে মূসা! তুমিই (প্রথমে) নিক্ষেপ করবে, না আমরাই প্রথমে নিক্ষেপ করব?’তাইসিরুল

তারা বললে -- "হে মূসা! তুমিই কি ছুড়ঁবে, না আমরাই হব প্রথমকার যে ছুড়ঁবে?"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৯

মাঝখানে বিস্তারিত বিবরণ এখানে বর্ণিত হয়নি, যা থেকে জানা যায় যে, উপরোক্ত বক্তব্যের ফলে ফেরাউনের দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে এবং প্রতিযোগিতা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে যাদুকরদেরকে প্রকাশ্য ময়দানে চলে আসার হুকুম দেয়া হয়।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৬৫. তারা বলল, হে মূসা! হয় তুমি নিক্ষেপ কর নতুবা আমরাই প্রথম নিক্ষেপকারী হই।(১)

(১) জাদুকররা তাদের ভ্ৰূক্ষেপহীনতা ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রথমে মূসা আলাইহিস সালাম-কে বললঃ প্রথমে আপনি নিজের কলাকৌশল প্রদর্শন করবেন, না আমরা করব? মূসা আলাইহিস সালাম জবাবে বললেনঃ بَلْ أَلْقُوا অর্থাৎ প্রথমে আপনারাই নিক্ষেপ করুন এবং জাদুর লীলা প্রদর্শন করুন। জাদুকররা মূসা আলাইহিস সালাম এর কথা অনুযায়ী তাদের কাজ শুরু করে দিল এবং তাদের বিপুল সংখ্যক লাঠি ও দড়ি একযোগে মাটিতে নিক্ষেপ করল। সবগুলো লাঠি ও দড়ি দৃশ্যতঃ সাপ হয়ে ইতস্ততঃ ছুটোছুটি করতে লাগল। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৬৫) ওরা বলল, ‘হে মূসা! হয় তুমি নিক্ষেপ কর অথবা প্রথমে আমরাই নিক্ষেপ করি।’