قَالَ مَوۡعِدُكُمۡ يَوۡمُ ٱلزِّينَةِ وَأَن يُحۡشَرَ ٱلنَّاسُ ضُحٗى

ক-লা মাও‘ইদুকুম ইয়াওমুঝ ঝীনাতি ওয়া আইঁ ইউহশারন্না-ছুদু হা-।উচ্চারণ

মূসা বললো, “উৎসবের দিন নির্ধারিত হলো এবং পূর্বাহ্নে লোকদেরকে জড়ো করা হবে। ৩১ তাফহীমুল কুরআন

মূসা বলল, যে দিন আনন্দ উদযাপন করা হয়, #%২৪%# তোমাদের সাথে সে দিনই স্থিরীকৃত রইল এবং এটা স্থির থাকল যে, দিন চড়ে ওঠা মাত্রই মানুষকে সমবেত করা হবে।মুফতী তাকী উসমানী

মূসা বললঃ তোমাদের নির্ধারিত সময় উৎসবের দিন এবং সেদিন পূর্বাহ্নে জনগণকে সমবেত করা হোক।মুজিবুর রহমান

মূসা বললঃ তোমাদের ওয়াদার দিন উৎসবের দিন এবং পূর্বাহেߠলোকজন সমবেত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মূসা বলল, ‘তোমাদের নির্ধারিত সময় উৎসবের দিন এবং যেই দিন পূর্বাহ্নে জনগণকে সমবেত করা হবে।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘তোমাদের নির্ধারিত সময় হল উৎসবের দিন। আর সেদিন পূর্বাহ্নেই যেন লোকজনকে সমবেত করা হয়’।আল-বায়ান

মূসা বলল, ‘তোমাদের (সঙ্গে) ওয়া‘দার নির্ধারিত সময় হল উৎসবের দিন আর দুপুরের আগেই মানুষ যেন পৌঁছে যায়।’তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "তোমাদের নির্ধারিত দিনক্ষণ হোক উৎসবের দিন, আর লোকজন যেন জমায়েৎ হয় সকালের দিকে।"মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩১

ফেরাউনের উদ্দেশ্য ছিল, একবার যাদুকরদের লাঠি ও দড়ি দড়ার সাহায্যে সাপ বানিয়ে দেখিয়ে দেই তাহলে মূসার মু’জিযার যে প্রভাব লোকদের ওপর পড়েছে তা তিরোহিত হয়ে যাবে। হযরত মূসাও মনেপ্রাণে এটাই চাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, এ জন্য কোন পৃথক দিন ও স্থান নির্ধারণ করার দরকার নেই। উৎসবের দিন কাছেই এসে গেছে। সারা দেশের লোক এদিন রাজধানীতে চলে আসবে। সেদিন যেখানে জাতীয় মেলা অনুষ্ঠিত হবে সেই ময়দানেই এই প্রতিযোগিতা হবে। সমগ্র জাতিই এ প্রতিযোগিতা দেখবে। আর সময়টাও এমন হতে হবে যখন দিনের আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে, যাতে কারো সন্দেহ ও সংশয় করার কোন অবকাশই না থাকে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এটা কোন উৎসবের দিন ছিল, যে দিন ফির‘আউনের সম্প্রদায় আনন্দ উদযাপন করত। সে দিন যেহেতু প্রচুর লোক সমাগম হয়, তাই হযরত মূসা আলাইহিস সালাম এ দিনকেই বেছে নিলেন, যাতে উপস্থিত জনম-লীর সামনে সত্যকে পরিস্ফুট করা যায় এবং সত্যের জয় সকলে সচক্ষে দেখতে পায়।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৯. মূসা বললেন, তোমাদের নির্ধারিত সময় হলো উৎসবের দিন এবং যাতে সকালেই জনগণকে সমবেত করা হয়।(১)

(১) ফিরআউনের উদ্দেশ্য ছিল, একবার জাদুকরদের লাঠি ও দড়িদড়ার সাহায্যে সাপ বানিয়ে দেখিয়ে দেই তাহলে মূসার মু'জিযার যে প্রভাব লোকদের উপর পড়েছে তা তিরোহিত হয়ে যাবে। মূসাও মনেপ্ৰাণে এটাই চাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, এ জন্য কোন পৃথক দিন ও স্থান নির্ধারণ করার দরকার নেই। উৎসবের দিন কাছেই এসে গেছে। সারা দেশের লোক এদিন রাজধানীতে চলে আসবে। সেদিন যেখানে জাতীয় মেলা অনুষ্ঠিত হবে সেই ময়দানেই এই প্রতিযোগিতা হবে। সমগ্র জাতিই এ প্রতিযোগিতা দেখবে। আর সময়টাও এমন হতে হবে যখন দিনের আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে, যাতে কারো সন্দেহ ও সংশয় প্রকাশ করার কোন অবকাশই না থাকে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৯) মূসা বলল, ‘তোমাদের নির্ধারিত সময় উৎসবের দিন(1) এবং সেই দিন পুর্বাহ্নে জনগণকে সমবেত করা হবে।’

(1) অর্থাৎ, নওরোজ অথবা বাৎসরিক কোন মেলা বা অনুষ্ঠানের দিন; যাকে তারা ঈদরূপে পালন করত।