ফা’তিয়া-হু ফাকূলাইন্না-রছূলা-রব্বিকা ফাআরছিল মা‘আনা বানি ইসরইলা ওয়ালা তুআযযিবহুম ক্বাদ জি'নাকা বিআয়াতিম মির রব্বিকা ওয়াস্সালামু আ'লা মানিত্যাবাআলহুদা।উচ্চারণ
যাও তার কাছে এবং বলো, আমরা তোমার রবের প্রেরিত, বনী ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যাওয়ার জন্য ছেড়ে দাও এবং তাদেরকে কষ্ট দিয়ো না। আমরা তোমার কাছে নিয়ে এসেছি তোমার রবের নিদর্শন এবং শান্তি তার জন্য যে সঠিক পথ অনুসরণ করে। তাফহীমুল কুরআন
সুতরাং তোমরা তার কাছে যাও এবং বল, আমরা তোমার প্রতিপালকের রাসূল। কাজেই বনী ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও এবং তাদেরকে শাস্তি দিও না। আমরা তোমার কাছে তোমার প্রতিপালকের নিদর্শন নিয়ে এসেছি। আর শান্তি তো তাদেরই প্রতি, যারা হিদায়াত অনুসরণ করে। #%২১%#মুফতী তাকী উসমানী
সুতরাং তোমরা তার নিকট যাও এবং বলঃ অবশ্যই আমরা তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রেরিত রাসূল। সুতরাং আমাদের সাথে বানী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে কষ্ট দিওনা, আমরাতো তোমার নিকট এনেছি তোমার রবের নিকট হতে নিদর্শন। এবং শান্তি তাদের প্রতি যারা সৎ পথের অনুসরণ করে।মুজিবুর রহমান
অতএব তোমরা তার কাছে যাও এবং বলঃ আমরা উভয়েই তোমার পালনকর্তার প্রেরিত রসূল, অতএব আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে নিপীড়ন করো না। আমরা তোমার পালনকর্তার কাছ থেকে নিদর্শন নিয়ে তোমার কাছে আগমন করেছি। এবং যে সৎপথ অনুসরণ করে, তার প্রতি শান্তি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সুতরাং তোমরা তার নিকট যাও এবং বল, ‘আমরা তোমার প্রতিপালকের রাসূল, সুতরাং আমাদের সঙ্গে বনী ইস্রাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে কষ্ট দিও না, আমরা তো তোমার নিকট এনেছি তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে নিদর্শন এবং শান্তি তাদের প্রতি যারা অনুসরণ করে সৎপথ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং তোমরা দু’জন তার কাছে যাও অতঃপর বল, ‘আমরা তোমার রবের দু’জন রাসূল। সুতরাং তুমি বনী ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও এবং তাদেরকে নির্যাতন করো না। আমরা তোমার কাছে এসেছি তোমার রবের আয়াত নিয়ে। আর যারা সৎ পথ অনুসরণ করে, তাদের প্রতি শান্তি’।আল-বায়ান
কাজেই তোমরা দু’জন তার কাছে এসো আর বল- আমরা তোমার প্রতিপালকের রসূল, কাজেই বানী ইসরাঈলকে আমাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দাও, তাদের প্রতি উৎপীড়ন করো না। তোমার প্রতিপালকের নিদর্শনসহই আমরা তোমার কাছে এসেছি, আর শান্তি বর্ষিত হোক তাদের প্রতি যারা সৎ পথ অনুসরণ করে।তাইসিরুল
"সুতরাং তোমরা উভয়ে তার কাছে যাও এবং বলো -- 'আমরা তোমার প্রভুর বার্তাবাহক, তাই আমাদের সঙ্গে ইসরাইলের বংশধরদের পাঠিয়ে দাও, আর তাদের অত্যাচার করো না। আমরা নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছি তোমার প্রভুর কাছ থেকে নির্দেশ নিয়ে। আর শান্তি তার উপরে যে পথনির্দেশ অনুসরণ করে।মাওলানা জহুরুল হক
এ আয়াতে তিনটি বিষয়ের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে (ক) ফিরআউন ও সমস্ত মাখলুকের একজন সৃষ্টিকর্তা ও মালিক আছেন, যিনি মানুষের হিদায়াতের জন্য রাসূল পাঠিয়ে থাকেন। (খ) আমরা দু’জন তাঁর রাসূল বিধায় আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আল্লাহ তাআলার ‘ইবাদত-আনুগত্য করা তোমাদের অবশ্যকর্তব্য। (গ) বনী ইসরাঈল একটি স্বাধীন মানবগোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও তোমরা জোরপূর্বক তাদেরকে দাস বানিয়ে রেখেছ। এটা তাদের প্রতি চরম অবিচার। আল্লাহ তাআলার নির্দেশ হল তোমরা তাদেরকে এই অন্যায় দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে আমাদের হাতে সমর্পণ কর। তারা তাদের যেখানে ইচ্ছা স্বাধীন জীবন যাপন করুক (-অনুবাদক তাফসীরে উসমানী অবলম্বনে)।
৪৭. সুতরাং আপনারা তার কাছে যান এবং বলুন, আমরা তোমার রব এর রাসূল, কাজেই আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে কষ্ট দিও না, আমরা তো তোমার কাছে এনেছি তোমার রব এর কাছ থেকে নিদর্শন। আর যারা সৎপথ অনুসরণ করে তাদের প্রতি শান্তি।
(৪৭) সুতরাং তোমরা তার নিকট যাও এবং বল, অবশ্যই আমরা তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত রসূল, সুতরাং আমাদের সাথে বানী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে কষ্ট দিয়ো না। আমরা তো তোমার নিকট এনেছি তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে নিদর্শন এবং সালাম (শান্তি) তাদের প্রতি যারা সৎ পথের অনুসরণ করে।(1)
(1) এ সালাম অভিবাদনের জন্য নয়; বরং শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি আমন্ত্রণ। যেমন মহানবী (সাঃ) রোমসম্রাট হিরাকলকে পত্রে লিখেছিলেন أَسلِم تَسلَم অর্থাৎ, ইসলাম গ্রহণ করে নাও, শান্তিতে বসবাস করবে। এভাবে তিনি পত্রের শুরুতে {وَالسَّلَامُ عَلَى مَنِ اتَّبَعَ الْهُدَى} (শান্তি তাদের প্রতি যারা সৎপথের অনুসরণ করে) এ কথাগুলো লিখতেন। (ইবনে কাসীর) এর অর্থ এই যে, কোন অমুসলিমকে পত্র লিখলে বা কোন সভায় সম্বোধন করতে হলে উক্ত শব্দাবলী দ্বারা সালাম দেওয়া যেতে পারে; যা সৎপথ গ্রহণের সাথে শর্ত-সাপেক্ষ।