আররহমা-নু‘আলাল ‘আরশিছ তাওয়া-।উচ্চারণ
তিনি পরম দয়াবান। (বিশ্ব-জাহানের) শাসন কর্তৃত্বের আসনে সমাসীন। ২ তাফহীমুল কুরআন
তিনি অতি দয়াময়, আরশে ‘ইসতিয়াওয়া’ গ্রহণ করেছেন। মুফতী তাকী উসমানী
দয়াময় (আল্লাহ্) আরশে সমুন্নত।মুজিবুর রহমান
তিনি পরম দয়াময়, আরশে সমাসীন হয়েছেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
দয়াময় র্আশে সমাসীন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরম করুণাময় আরশের ওপর উঠেছেন* ।আল-বায়ান
‘আরশে দয়াময় সমুন্নত আছেন।তাইসিরুল
পরম করুণাময় আরশের উপরে সুপ্রতিষ্ঠিত রয়েছেন।মাওলানা জহুরুল হক
২
অর্থাৎ সৃষ্টি করার পর তিনি কোথাও গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েননি। বরং সৃষ্টিজগতে সমস্ত ব্যবস্থা নিজেই পরিচালনা করছেন। এই সীমাহীন রাজ্যে তিনি নিজেই রাজত্ব করছেন। তিনি কেবল স্রষ্টাই নন, কার্যত শাসকও।
এর ব্যাখ্যা পূর্বে সূরা আরাফ (৭ : ৫৪)-এর টীকায় চলে গেছে। সেখানে দ্রষ্টব্য।
৫. দয়াময় (আল্লাহ) আরশের উপর উঠেছেন,(১)
(১) আল্লাহ্ তা'আলা আরশের উপর উঠেছেন বলে তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন। এর উপর বিশ্বাস রাখা ফরয। তিনি কিভাবে আরশে উঠেছেন সেটার ধরণ আমাদের জানা নেই। এটা ঈমান বিল গায়েবের অংশ। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা সূরা বাকারার ২৯ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় করা হয়েছে।
(৫) পরম দয়াময় আরশে সমাসীন। (1)
(1) তিনি আরশে সমাসীন; যেভাবে তাঁর মাহাত্ম্যের সাথে শোভনীয়। কিভাবে বা কিরূপে তা কারো জানা নেই। এই আরশ বা মহাসন আল্লাহর সবচেয়ে বড় সৃষ্টি। সর্বোচ্চ জান্নাত ফিরদাউসের উপরে বিদ্যমান। যার পায়া ও প্রান্ত আছে, ছায়া আছে।