يَوۡمَ نَحۡشُرُ ٱلۡمُتَّقِينَ إِلَى ٱلرَّحۡمَٰنِ وَفۡدٗا

ইয়াওমা নাহশুরুল মুত্তাকীনা ইলাররহমা-নি ওয়াফদা-।উচ্চারণ

সেদিনটি অচিরেই আসবে যেদিন মুত্তাকীদেরকে মেহমান হিসেবে রহমানের সামনে পেশ করবো তাফহীমুল কুরআন

(সেই দিনকে ভুলো না) যে দিন আমি মুত্তাকীগণকে অতিথিরূপে দয়াময় (আল্লাহ)-এর কাছে একত্র করব।মুফতী তাকী উসমানী

যেদিন আমি দয়াময়ের নিকট মুত্তাকীদের সম্মানিত মেহমান রূপে সমবেত করব।মুজিবুর রহমান

সেদিন দয়াময়ের কাছে পরহেযগারদেরকে অতিথিরূপে সমবেত করব,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যেদিন দয়াময়ের নিকট মুত্তাকীদেরকে সম্মানিত মেহমানরূপে সমবেত করব, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন পরম করুণাময়ের নিকট মুত্তাকীদেরকে সম্মানিত মেহমানরূপে সমবেত করব,আল-বায়ান

যেদিন মুত্তাকীদেরকে দয়াময়ের নিকট একত্রিত করব সম্মানিত অতিথি হিসেবে।তাইসিরুল

সেদিন ধর্মপরায়ণদের আমরা সমবেত করব পরম করুণাময়ের কাছে রাজদূতরূপে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৫. যেদিন দয়াময়ের নিকট মুত্তাকীগণকে সম্মানিত মেহমানরূপে(১) আমরা সমবেত করব

(১) যারা বাদশাহ, অথবা কোন শাসনকতাঁর কাছে সম্মান ও মর্যাদা সহকারে বাহনে চড়ে গমন করে, তাদেরকে وفد বলা হয়। (ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর) আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, ঈমানদারদেরকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে তাদের প্রভুর সমীপে নিয়ে যাওয়া হবে। তাদেরকে জান্নাত ও সম্মানিত ঘরে প্রবেশ করানো হবে। (ফাতহুল কাদীর) পরবর্তী আয়াতে এর উল্টো চিত্ৰই ফুটে উঠেছে। সেখানে অপরাধীদেরকে তৃষ্ণার্ত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করানোর কথা বলা হয়েছে। (ইবন কাসীর; ফাতহুল কাদীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৫) (স্মরণ কর,) যেদিন আমি পরম দয়াময়ের নিকট সাবধানীদেরকে অতিথিরূপে (সওয়ার অবস্থায়) সমবেত করব।