কাল্লা- ছাইয়াকফুরূনা বি‘ইবা-দাতিহিম ওয়া ইয়াকূনূনা ‘আলাইহিম দিদ্দা-।উচ্চারণ
কেউ পৃষ্ঠপোষক হবে না। তারা সবাই এদের ইবাদতের কথা অস্বীকার করবে ৫০ এবং উল্টো এদের বিরোধী হয়ে পড়বে। তাফহীমুল কুরআন
এসব তাদের ভ্রান্ত ধারণা। তারা তো তাদের ইবাদতকেই অস্বীকার করবে এবং উল্টো তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।মুফতী তাকী উসমানী
কখনই নয়; তারা তাদের ইবাদাত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।মুজিবুর রহমান
কখনই নয়, তারা তাদের এবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিপক্ষে চলে যাবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
কখনই নয়; এরা তো তাদের ‘ইবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কখনো নয়, এরা তাদের ইবাদাতের কথা অস্বীকার করবে এবং তাদের বিপক্ষ হয়ে যাবে।আল-বায়ান
কক্ষনো না, তারা তাদের ‘ইবাদাত অস্বীকার করবে আর তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।তাইসিরুল
কখনোই না! তারা শীঘ্রই তাদের বন্দনা অস্বীকার করবে। আর তারা হবে এদের বিরোধিপক্ষ।মাওলানা জহুরুল হক
৫০
অর্থাৎ তারা বলবে, আমরা কখনো এদেরকে বলিনি আমাদের ইবাদাত করো এবং এ আহাম্মকের দল যে, আমাদের ইবাদাত করছে তাও তো আমরা জানতাম না।
৮২. কখনই নয়, ওরা তো তাদের ইবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।(১)
(১) অর্থাৎ সহায় হওয়ার আশায় কাফেররা যাদের ইবাদত করত, তারা এই আশার বিপরীত তাদের শত্রু হয়ে যাবে। তারা বলবে, আল্লাহ এদেরকে শাস্তি দিন। কেননা, এরা আপনার পরিবর্তে আমাদেরকে উপাস্য করে নিয়েছিল। আমরা কখনো এদেরকে বলিনি আমাদের ইবাদাত করো এবং এরা যে আমাদের ইবাদাত করছে তাও তো আমরা জানতাম না। অন্য আয়াতেও আল্লাহ সেটা বলেছেন, “আর সে ব্যক্তির চেয়ে বেশী বিভ্রান্ত কে যে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তাকে সাড়া দেবে না এবং এগুলো তাদের আহবান সম্বন্ধেও গাফেল। আর যখন কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্র করা হবে তখন সেগুলো হবে এদের শত্রু এবং এরা তাদের ইবাদাত অস্বীকার করবে।” (সূরা আল-আহকাফ: ৫–৬)
(৮২) কখনই নয়, তারা তাদের উপাসনা অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।(1)
(1) عِزّ এর মমার্থ হল এই সব উপাস্য (দেবদেবী)রা তাদের ইয্যত-সম্মানের কারণ ও সহায় হবে। আর ضَدّ এর অর্থ হল শত্রু, অস্বীকারকারী, প্রতিবাদী তথা ওদের বিরুদ্ধে অন্যদের সহায়ক হবে। অর্থাৎ এই সব দেবদেবী তাদের ধারণার বিপরীত তাদের পক্ষ অবলম্বন না করে তাদের শত্রু, অস্বীকারকারী, প্রতিপক্ষ ও বিরোধী হিসাবে প্রকাশ পাবে।