وَوَهَبۡنَا لَهُم مِّن رَّحۡمَتِنَا وَجَعَلۡنَا لَهُمۡ لِسَانَ صِدۡقٍ عَلِيّٗا

ওয়া ওয়াহাবনা-লাহুম মির রহমাতিনা- ওয়া জা‘আলনা- লাহুম লিছা-না সিদকিন ‘আলিইইয়া-।উচ্চারণ

আর তাদেরকে নিজের অনুগ্রহ দান করলাম এবং তাদেরকে দিলাম যথার্থ নাম-যশ। ২৮ তাফহীমুল কুরআন

এবং তাদেরকে দান করলাম আমার রহমত আর তাদের দিলাম সমুচ্চ সুখ্যাতি। #%২৭%#মুফতী তাকী উসমানী

এবং তাদেরকে আমি দান করলাম আমার অনুগ্রহ ও তাদের দিলাম সমুচ্চ বংশ।মুজিবুর রহমান

আমি তাদেরকে দান করলাম আমার অনুগ্রহ এবং তাদেরকে দিলাম সমুচ্চ সুখ্যাতি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং তাদেরকে আমি দান করলাম আমার অনুগ্রহ ও তাদের নাম-যশ সমুচ্চ করলাম।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে আমার অনুগ্রহ দান করলাম আর তাদের সুনাম সুখ্যাতিকে সমুচ্চ করলাম।আল-বায়ান

আমি তাদেরকে দান করলাম আমার অনুগ্রহ আর সত্যিকার নাম-যশের সুউচ্চ সুখ্যাতি।তাইসিরুল

আর তাঁদের আমরা দান করেছিলাম আমাদের করুণা থেকে, আর আমরা তাঁদের জন্য নির্ধারণ করেছিলাম সমুচ্চ সুখ্যাতি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২৮

যেসব মুহাজির গৃহত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন এগুলো তাদের জন্য সান্তনাবাণী। তাদেরকে বলা হচ্ছে, ইবরাহীম আলাইহিস সালাম যেমন তাঁর পরিবারবর্গ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধ্বংস হয়ে যান নি বরং উল্টা উন্নতশির ও সফলকাম হয়েছিলেন ঠিক তেমনি তোমরাও ধ্বংস হয়ে যাবে না বরং তোমরা এমন মর্যাদালাভ করবে জাহেলিয়াতের অন্ধকার আবর্তে মুখ গুঁজে পড়ে থাকা কুরাইশ বংশীয় কাফেররা যার কল্পনাই করতে পারে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

সুতরাং হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামকে কেবল মুসলিমগণই নয়, ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানরাও নিজেদের আদর্শ মনে করে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৫০. এবং তাদেরকে আমরা দান করলাম আমাদের অনুগ্রহ, আর তাদের নাম-যশ সমুচ্চ করলাম।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫০) এবং তাদেরকে আমি দান করলাম আমার বহু অনুগ্রহ(1) ও তাদেরকে দিলাম সমুচ্চ খ্যাতি। (2)

(1) অর্থাৎ, নবুঅত ছাড়া আরো অনেক অনুগ্রহ তাকে দান করেছিলাম। যেমন ধন-মাল, অতিরিক্ত সন্তান-সন্ততি, অতঃপর তারই বংশে বহু কাল পর্যন্ত নবুঅতের পরম্পরা বজায় রাখা; যা ছিল সব থেকে বড় অনুগ্রহ যা আমি তার উপর করেছি। আর সেই কারণে ইবরাহীম (আঃ)-কে ‘আবুল আম্বিয়া’ (নবীদের পিতা) বলা হয়ে থাকে।

(2) لِسَان صِدق অর্থঃ সুনাম ও সুখ্যাতি। لسان (জিহ্বা)র সম্বন্ধ صِدق (সত্য) এর দিকে জুড়ার পর তার বিশেষণ ‘সমুচ্চ’ উল্লেখের মাধ্যমে এই কথার দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, মানুষের মুখে তাঁদের যে সুনাম ও সুখ্যাতি আছে, বাস্তবেই তাঁরা তার যোগ্য অধিকারী। সুতরাং আসমানী ধর্মসমূহের সকল অনুসারীগণ এমন কি মুশরিকরা পর্যন্ত ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর সন্তানদের কথা উত্তম শব্দ দ্বারা ও অত্যধিক আদব ও সম্মানের সাথে আলোচনা করে থাকে। এটি নবুঅত ও সন্তান দানের পর অন্য একটি অনুগ্রহ, যা আল্লাহর পথে হিজরত করার জন্য তিনি প্রাপ্ত হয়েছেন।