উলাইকাল্লাযীনাশ তারউদ্দালা-লাতা বিলহুদা-ফামা-রবিহাত্তিজা-রতুহুম ওয়ামা ক-নূমুহতাদীন।উচ্চারণ
এরাই হিদায়াতের বিনিময়ে গোমরাহী কিনে নিয়েছে, কিন্তু এ সওদাটি তাদের জন্য লাভজনক নয় এবং এরা মোটেই সঠিক পথে অবস্থান করছে না। তাফহীমুল কুরআন
এরাই তারা, যারা হিদায়াতের পরিবর্তে গোমরাহী ক্রয় করেছে। ফলে তাদের ব্যবসায়ে লাভ হয়নি এবং তারা সঠিক পথও পায়নি।মুফতী তাকী উসমানী
এরা তারাই যারা সু-পথের পরিবর্তে কু-পথকে ক্রয় করেছে, সুতরাং তাদের বাণিজ্য লাভজনক হয়নি এবং তারা সরল সঠিক পথে চলেনি।মুজিবুর রহমান
তারা সে সমস্ত লোক, যারা হেদায়েতের বিনিময়ে গোমরাহী খরিদ করে। বস্তুতঃ তারা তাদের এ ব্যবসায় লাভবান হতে পারেনি এবং তারা হেদায়েতও লাভ করতে পারেনি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরাই হিদায়াতের বিনিময়ে ভ্রান্তি ক্রয় করেছে। সুতরাং তাদের ব্যবসা লাভজনক হয় নাই, তারা সৎপথেও পরিচালিত নয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এরাই তারা, যারা হিদায়াতের বিনিময়ে পথভ্রষ্টতা ক্রয় করেছে। কিন্তু তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি এবং তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না।আল-বায়ান
তারাই হিদায়াতের বিনিময়ে গোমরাহী ক্রয় করেছে, কিন্তু তাতে তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি, আর তারা সৎপথপ্রাপ্তও নয়।তাইসিরুল
এরাই তারা যারা পথনির্দেশের বদলে পথভ্রষ্টতার কেনাকাটা করে, তাই তাদের ব্যবসা মুনাফা আনে না, আর তারা সৎপথপ্রাপ্ত হয় না।মাওলানা জহুরুল হক
১৬. এরাই তারা, যারা হেদায়াতের বিনিময়ে ভ্ৰষ্টতা কিনেছে(১)। কাজেই তাদের ব্যবসা লাভজনক হয়নি। আর তারা হেদায়াতপ্রাপ্তও নয়।
১. ইবনে আব্বাস ও ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, হিদায়াতের বিনিময়ে ভ্ৰষ্টতা কেনার অর্থ, হিদায়াত ত্যাগ করে ভ্রষ্টতা গ্রহণ করা। মুজাহিদ বলেন, এর অর্থ, তারা ঈমান এনেছে তারপর কুফরী করেছে। কাতাদাহ বলেন, তারা হিদায়াতের উপর ভ্রষ্টতাকে পছন্দ করে নিয়েছে। এর সমর্থনে অন্য আয়াতে এসেছে, “আর সামূদ সম্প্রদায়, আমরা তাদেরকে পথনির্দেশ করেছিলাম, কিন্তু তারা সৎপথের পরিবর্তে অন্ধপথে চলা পছন্দ করেছিল”। (সূরা ফুসসিলাত: ১৭) মোটকথা তারা হিদায়াত বিমুখ হয়ে ভ্রষ্টতাকে গ্রহণ করেছে। তাফসীরে (ইবনে কাসীর)
১৬। এরাই সৎপথের বিনিময়ে ভ্রান্ত পথ ক্রয় করেছে। সুতরাং তাদের ব্যবসা(1) লাভজনক হয়নি, তারা সৎপথে পরিচালিতও নয়।
(1) ব্যবসা বলতে সৎপথ ছেড়ে ভ্রষ্টতার পথ গ্রহণ করাকে বুঝানো হয়েছে, যা আসলেই নোকসানমূলক কারবার। মুনাফিক্বরা মুনাফিক্বীর পোশাক পরে এই ক্ষতিকর ব্যবসা করেছে। তবে এ ক্ষতি হল আখেরাতের ক্ষতি। আর এটা কোন জরুরী নয় যে, এই ক্ষতির জ্ঞান তাদের দুনিয়াতে লাভ হবে, বরং দুনিয়াতে তো এই মুনাফিক্বীর কারণে তাদের যে নগদ লাভ হতো, তাতে তারা বড়ই আনন্দবোধ করতো এবং এরই ভিত্তিতে তারা নিজেদেরকে বড় বুদ্ধিমান মনে করতো আর মুসলিমদের ভাবতো অজ্ঞ-মুর্খ-বেঅকুফ!