ইয়াআবাতি লা-তা‘বুদিশশাইতা-না ইন্নাশশাইতা-না ক-না লিররহমা-নি আ‘সিইইয়া- ।উচ্চারণ
আব্বাজান! আপনি শয়তানের বন্দেগী করবেন না। ২৭ শয়তান তো করুণাময়ের অবাধ্য। তাফহীমুল কুরআন
আব্বাজী! শয়তানের ইবাদত করবেন না। #%২৩%# নিশ্চয়ই শয়তান দয়াময়ের অবাধ্য।মুফতী তাকী উসমানী
হে আমার পিতা! শাইতানের ইবাদাত করনা; শাইতান আল্লাহর অবাধ্য।মুজিবুর রহমান
হে আমার পিতা, শয়তানের এবাদত করো না। নিশ্চয় শয়তান দয়াময়ের অবাধ্য।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘হে আমার পিতা! শয়তানের ‘ইবাদত কর না। শয়তান তো দয়াময়ের অবাধ্য। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘হে আমার পিতা, তুমি শয়তানের ইবাদাত করো না। নিশ্চয় শয়তান হল পরম করুণাময়ের অবাধ্য’।আল-বায়ান
হে আমার পিতা! আপনি শয়তানের ‘ইবাদাত করবেন না, শয়তান হচ্ছে দয়াময়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী।তাইসিরুল
"হে আমার বাপা! শয়তানের উপাসনা করো না। নিশ্চয়ই শয়তান পরম করুণাময়ের অবাধ্য।মাওলানা জহুরুল হক
২৭
মূল শব্দ হচ্ছে, لَا تَعْبُدِ الشَّيْطَانَ অর্থাৎ “শয়তানের ইবাদাত করো না।” যদিও হযরত ইবরাহীমের পিতা এবং তাঁর জাতির অন্যান্য লোকেরা মূর্তি পূজা করতো কিন্তু যেহেতু তারা শয়তানের আনুগত্য করছিল তাই হযরত ইবরাহীম তাদের এ শয়তানের আনুগত্যকেও শয়তানের ইবাদাত গণ্য করেন। এ থেকে জানা যায় নিছক পূজাও উপসনা আরাধনারই নাম নয় বরং আনুগত্যের নামও। তাছাড়া এ থেকে জানা যায় যদি কোন ব্যক্তি কারোর প্রতি অভিশাপ বর্ষণরত থেকেও তার আনুগত্য করে তাহলে সে তার ইবাদাত করার অপরাধে অপরাধী হয়। কারণ শয়তান কোন কালেও মানুষের মাবুদ (প্রচলিত অর্থে) ছিল না বরং তার নামে প্রতি যুগে মানুষ অভিশাপ বর্ষণ করেছে। (অধিক ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন সূরা আল কাহাফ, ৪৯-৫০)
মূর্তিপূজার ধারণাটি মূলত শয়তানের উদ্ভাবিত। কাজেই মূর্তিপূজা প্রকারান্তরে শয়তানেরই পূজা। মানুষ যেন শয়তানকে আনুগত্যের উপযুক্ত মনে করে তারই ইবাদত করছে।
৪৪. হে আমার পিতা! শয়তানের ইবাদত করবেন না।(১) শয়তান তো দয়াময়ের অবাধ্য।
(১) বলা হচ্ছে, “শয়তানের ইবাদাত করবেন না” যদিও ইবরাহীমের পিতা এবং তার জাতির অন্যান্য লোকেরা মূর্তি পূজা করতো কিন্তু যেহেতু তারা শয়তানের আনুগত্য করছিল তাই ইবরাহীম তাদের এ শয়তানের আনুগত্যকেও শয়তানের ইবাদাত গণ্য করেন। আয়াতের অর্থ দাঁড়ায়, আপনি এ মূর্তিগুলোর ইবাদত করার মাধ্যমে তার আনুগত্য করবেন না। কেননা, সেই তো এগুলোর ইবাদতের প্রতি মানুষদেরকে আহবান জানায় এবং এতে সে সন্তুষ্ট। (ইবন কাসীর) বস্তুত: শয়তান কোন কালেও মানুষের মাবুদ (প্রচলিত অর্থে) ছিল না। বরং তার নামে প্রতি যুগে মানুষ অভিশাপ বর্ষণ করেছে। তবে বর্তমানে মিশর, ইরাক, সিরিয়া, লেবাননাসহ বিভিন্ন আরব ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রে শয়তানের ইবাদতকারী ‘ইয়াযীদিয়্যাহ’ ফের্কা নামে একটি দলের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা শয়তানের কাল্পনিক প্রতিকৃতি স্থাপন করে তার ইবাদাত করে।
(৪৪) হে আমার পিতা! শয়তানের উপাসনা করো না; নিশ্চয় শয়তান পরম দয়াময়ের অবাধ্য। (1)
(1) অর্থাৎ শয়তানের কুমন্ত্রণা ও তার প্রলোভনে পড়ে তুমি এমন সব দেবদেবীর পূজা করছ, যারা না শুনতে ও দেখতে পায়, আর না লাভ-নোকসানের ক্ষমতা রাখে। বাস্তবে এটা তো সেই শয়তানেরই পূজা; যে আল্লাহর অবাধ্য এবং অন্যদেরকে তাঁর অবাধ্য করে নিজের মত করতে চেষ্টা করে।