ওয়াবাররম বিওয়া-লিদাতী ওয়ালাম ইয়াজ‘আলনী জাব্বা-রন শাকিইইয়া-।উচ্চারণ
আর নিজের মায়ের হক আদায়কারী করেছেন, ২০(ক) এবং আমাকে অহংকারী ও হতভাগা করেননি। তাফহীমুল কুরআন
এবং আমাকে আমার মায়ের প্রতি অনুগত বানিয়েছেন। আমাকে উদ্ধত ও রূঢ় বানাননি।মুফতী তাকী উসমানী
আর আমার মাতার প্রতি অনুগত থাকতে এবং তিনি আমাকে করেননি উদ্ধত ও হতভাগা।মুজিবুর রহমান
এবং জননীর অনুগত থাকতে এবং আমাকে তিনি উদ্ধত ও হতভাগ্য করেননি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘আর আমাকে আমার মাতার প্রতি অনুগত করেছেন এবং তিনি আমাকে করেন নাই উদ্ধত ও হতভাগ্য; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর আমাকে মায়ের প্রতি অনুগত করেছেন এবং তিনি আমাকে অহঙ্কারী, অবাধ্য করেননি’।আল-বায়ান
আর (তিনি আমাকে করেছেন) আমার মাতার প্রতি সদয়, তিনি আমাকে দাম্ভিক হতভাগ্য করেননি।তাইসিরুল
"আর আমার মায়ের প্রতি অনুগত থাকতে, আর তিনি আমাকে বিদ্রোহীভাবাপন্ন হতভাগ্য করেন নি।মাওলানা জহুরুল হক
২০(ক)
পিতামাতার হক আদায়কারী বলেননি, শুধুমাত্র মাতার হক আদায়কারী বলেছেন। একথাটিও হযরত ঈসার কোন পিতা ছিল না একথাই প্রমাণ করে। আর কুরআনের সর্বত্র তাঁকে মারয়াম পুত্র ঈসা বলা হয়েছে, এও এরই একটি সুস্পষ্ট প্রমাণ।
৩২. আর আমাকে আমার মায়ের প্রতি অনুগত করেছেন এবং তিনি আমাকে করেননি উদ্ধত, হতভাগ্য;
(৩২) এবং আমার মাতার প্রতি অনুগত থাকতে।(1) আর তিনি আমাকে করেননি উদ্ধত, হতভাগ্য। (2)
(1) শুধু মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার কথা উল্লেখ হওয়াতেও স্পষ্ট যে, ঈসা (আঃ)-এর পিতা ছিল না। বরং তাঁর জন্ম বিনা পিতায়, এক অলৌকিক মু’জিযার ব্যাপার। অন্যথা তিনিও য়্যাহয়্যা (আঃ)-এর মত بَرًا بوالدَيه (পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারকারী) বলতেন এবং শুধু মাতার সাথে সদ্ব্যবহারকারী বা মাতার অনুগত হিসাবে উল্লেখ করতেন না।
(2) এর মর্মার্থ এই যে, যে ব্যক্তি মাতা-পিতার সেবাকারী ও অনুগত হয় না, তার স্বভাব-চরিত্রে ঔদ্ধত্য এবং ভাগ্যে দুর্ভাগ্যই নির্ধারিত থাকে। ঈসা (আঃ) সমস্ত কথোপকথনের শব্দে অতীত কাল ব্যবহার করেছেন; যদিও এ সমস্ত কথার সম্পর্ক হচ্ছে ভবিষ্যতের সাথে। আর তখন তিনি ছিলেন সবে মাত্র দুধ খাওয়া শিশু। তা এই কারণেই যে, আল্লাহর লিখিত তকদীরের এমন অটল ফায়সালা ছিল যে, যদিও তার কিছু বর্তমানে প্রকাশ পায়নি, তবুও ভবিষ্যতে এ সবের সত্য হয়ে প্রকাশ এমন সুনিশ্চিত ছিল, যেমন অতীত কালের ঘটে যাওয়া ঘটনায় সন্দেহের কোন অবকাশ থাকে না।