قَالَ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِي غُلَٰمٞ وَكَانَتِ ٱمۡرَأَتِي عَاقِرٗا وَقَدۡ بَلَغۡتُ مِنَ ٱلۡكِبَرِ عِتِيّٗا

ক-লা রব্বি আন্না-ইয়াকূনুলী গুলা-মুওঁ ওয়াক-নাতিমরআতী ‘আ-কিরওঁ ওয়া কাদ বালাগতুমিনাল কিবারি ‘ইতিইইয়া-।উচ্চারণ

সে বললো, “হে আমার রব‍‌! আমার ছেলে হবে কেমন করে যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা এবং আমি বুড়ো হয়ে শুকিয়ে গেছি?” তাফহীমুল কুরআন

যাকারিয়া বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমার কিভাবে পুত্র-সন্তান জন্ম নেবে, যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা এবং আমি এমন বার্ধক্যে উপনীত হয়েছি যে, আমার দেহ শুকিয়ে গেছে? মুফতী তাকী উসমানী

সে বললঃ হে আমার রাব্ব! কেমন করে আমার পুত্র হবে যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা এবং আমি বার্ধক্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি!মুজিবুর রহমান

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা কেমন করে আমার পুত্র হবে অথচ আমার স্ত্রী যে বন্ধ্যা, আর আমিও যে বার্ধক্যের শেষ প্রান্তে উপনীত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! কেমন করে আমার পুত্র হবে যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা ও আমি বার্ধক্যের শেষ সীমায় উপনীত।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হে আমার রব, কিভাবে আমার পুত্র সন্তান হবে, আমার স্ত্রী তো বন্ধ্যা, আর আমিও তো বার্ধক্যের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি’।আল-বায়ান

সে বলল, ‘হে আমার পালনকর্তা! আমার পুত্র হবে কেমন করে, আমার স্ত্রী তো বন্ধ্যা, আর আমি বার্ধক্যের শেষ স্তরে পৌঁছে গেছি।’তাইসিরুল

তিনি বললেন -- "আমার প্রভু! কেমন ক’রে আমার ছেলে হবে যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা আর আমিও বার্ধক্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি!মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালামের এ বিস্ময় প্রকাশ নাউযুবিল্লাহ আল্লাহ তাআলার কুদরতের ব্যাপারে কোনরূপ সন্দেহ থেকে উৎপন্ন নয়; বরং এটা ছিল আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে এ অভাবনীয় নি‘আমতের কারণে আনন্দ প্রকাশের ভাষা এবং শোকর আদায়ের এক বিশেষ ভঙ্গি।

তাফসীরে জাকারিয়া

৮. তিনি বললেন, হে আমার রব! কেমন করে আমার পুত্র হবে যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা ও আমি বার্ধক্যের শেষ সীমায় উপনীত!

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮) সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! কেমন করে আমার পুত্র হবে যখন আমার স্ত্রী বন্ধ্যা ও আমি বার্ধক্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি।’ (1)

(1) عاقِر ঐ মহিলাকে বলা হয় যে বার্ধক্যের কারণে সন্তান জন্মাতে সক্ষম নয়, আর ঐ মহিলাকেও বলা যায়, যে প্রথম হতেই বন্ধ্যা। এখানে দ্বিতীয় অর্থে ব্যবহার হয়েছে। যে কাঠ শুকিয়ে যায় তাকে عِتي বলা হয়। এখানে অর্থ বার্ধক্যের শেষ পর্যায়, যখন শরীরের গোশত শুকিয়ে যায়। বলার উদ্দেশ্য হল, আমার স্ত্রী তো যৌবন কাল হতেই বন্ধ্যা, আর আমিও বৃদ্ধ ব্যক্তি। এখন আমাদের সন্তান হবে কিভাবে? কথিত আছে যাকারিয়া (আঃ)-এর স্ত্রীর নাম ছিল আশা’ বিনতে ফাক্বূদ বিন মীল। ইনি ছিলেন মারয়্যামের মা হান্নার বোন। কিন্তু সঠিক কথা হল আশা’ও মারয়্যামের পিতা ইমরানেরই কন্যা ছিলেন। অতএব (মারয়্যাম ও আশা’ দুই বোন এবং) য়্যাহয়্যা (আঃ) ও ঈসা (আঃ) আপোসে খালাতো ভাই। যেমন সহীহ হাদীসেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়। (ফাতহুল কাদীর)