۞وَٱذۡكُرُواْ ٱللَّهَ فِيٓ أَيَّامٖ مَّعۡدُودَٰتٖۚ فَمَن تَعَجَّلَ فِي يَوۡمَيۡنِ فَلَآ إِثۡمَ عَلَيۡهِ وَمَن تَأَخَّرَ فَلَآ إِثۡمَ عَلَيۡهِۖ لِمَنِ ٱتَّقَىٰۗ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّكُمۡ إِلَيۡهِ تُحۡشَرُونَ

ওয়াযকুরুল্লা-হা ফীআইয়া-মিম মা‘দূদা-তিন ফামান তা‘আজ্জালা ফী ইয়াওমাইনি ফালা-ইছমা ‘আলাইহি ওয়ামান তাআখখার ফালা-ইছমা ‘আলাইহি লিমানিত্তাক- ওয়াত্তাকুল্লা-হা ওয়া‘লামূআন্নাকুম ইলাইহি তুহশারূন।উচ্চারণ

এই হাতেগোণা কয়েকটি দিন, এ দিন ক’টি তোমাদের আল্লাহর স্মরণে অতিবাহিত করতে হবে। যদি কেউ তাড়াতাড়ি করে দু’দিনে ফিরে আসে, তাতে কোন ক্ষতি নেই। আর যদি কেউ একটু বেশীক্ষণ অবস্থান করে ফিরে আসে তবে তাতেও কোন ক্ষতি নেই। ২২২ তবে শর্ত হচ্ছে, এই দিনগুলো তাকে তাকওয়ার সাথে অতিবাহিত করতে হবে। আল্লাহর নাফরমানী করা থেকে বিরত থাকো এবং খুব ভালোভাবে জেনে রাখো, একদিন তাঁর দরবারে তোমাদের হাযির হতে হবে। তাফহীমুল কুরআন

এবং তোমরা আল্লাহকে গনা-গুণতি কয়েক দিন (যখন তোমরা মিনায় অবস্থানরত থাক) স্মরণ করতে থাক। অতঃপর যে ব্যক্তি তাড়াতাড়ি করে দু’দিনেই চলে যাবে, তার কোনও গুনাহ নেই এবং যে ব্যক্তি (এক দিন) পরে যাবে তারও কোনও গুনাহ নেই। #%১৫০%# এটা তার জন্য, যে তাকওয়া অবলম্বন করে। তোমরা সকলে আল্লাহভীতি অবলম্বন কর এবং বিশ্বাস রাখ যে, তোমাদের সকলকে তাঁরই কাছে নিয়ে একত্র করা হবে।মুফতী তাকী উসমানী

এবং নির্ধারিত দিনসমূহে আল্লাহকে স্মরণ কর; অতঃপর কেহ যদি দু’ দিনের মধ্যে (মাক্কায় ফিরে যেতে) তাড়াহুড়া করে তাহলে তার জন্য কোন পাপ নেই। পক্ষান্তরে কেহ যদি দু‘ দিন বিলম্ব করে তাহলে তার জন্যও পাপ নেই এবং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও জেনে রেখ যে, তোমাদের সকলকে তাঁরই সন্নিধানে সমবেত করা হবে।মুজিবুর রহমান

আর স্মরণ কর আল্লাহকে নির্দিষ্ট সংখ্যক কয়েকটি দিনে। অতঃপর যে লোক তাড়াহুড়া করে চলে যাবে শুধু দু, দিনের মধ্যে, তার জন্যে কোন পাপ নেই। আর যে লোক থেকে যাবে তাঁর উপর কোন পাপ নেই, অবশ্য যারা ভয় করে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করতে থাক এবং নিশ্চিত জেনে রাখ, তোমরা সবাই তার সামনে সমবেত হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তোমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক দিনগুলিতে আল্লাহ্কে স্মরণ করবে। যদি কেউ তাড়াতাড়ি করে দুই দিনে চলে আসে তবে তার কোন পাপ নেই, আর যদি কেউ দেরি করে তবে তারও কোন পাপ নেই। এটা তার জন্যে, যে তাক্ওয়া অবলম্বন করে। তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর আর জেনে রাখ যে, তোমাদেরকে অবশ্যই তাঁর নিকট একত্র করা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আল্লাহকে স্মরণ কর নির্দিষ্ট দিনসমূহে। অতঃপর যে তাড়াহুড়া করে দু’দিনে চলে আসবে। তার কোন পাপ নেই। আর যে বিলম্ব করবে, তারও কোন অপরাধ নেই। (এ বিধান) তার জন্য, যে তাকওয়া অবলম্বন করেছে। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমাদেরকে তাঁরই কাছে সমবেত করা হবে।আল-বায়ান

তোমরা নির্দিষ্ট দিনগুলোতে আল্লাহকে স্মরণ করবে; অতঃপর যে ব্যক্তি তাড়াতাড়ি ক’রে দু’দিনে চলে যায় তার প্রতি কোন গুনাহ নেই এবং যে ব্যক্তি অধিক সময় পর্যন্ত বিলম্ব করবে, তার প্রতিও গুনাহ নেই, এটা তার জন্য যে ব্যক্তি তাকওয়া অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ্কে ভয় করতে থাকবে এবং জেনে রেখ, তোমরা সকলেই তাঁরই দিকে একত্রিত হবে।তাইসিরুল

আর আল্লাহ্‌কে স্মরণ করো নির্ধারিত দিনগুলোতে। কিন্তু যে দু’দিনে তাড়াতাড়ি করে, তাতে তার অপরাধ হবে না, আর যে দেরী করে তার উপরেও কোনো অপরাধ হবে না, -- যে ভয়-ভক্তি করে। আর তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয়-ভক্তি করো, আর জেনে রেখো নিঃসন্দেহ তোমরা তাঁরই কাছে একত্রিত হবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২২২

অর্থাৎ ‘আইয়ামে তাশরীকে’ মিনা থেকে মক্কার দিকে ১২ই বা ১৩ই যিলহজ্জ যেদিনেই ফিরে আসা হোক না কেন তাতে কোন ক্ষতি নেই। কতদিন অবস্থান করা হয়েছিল, এটা কোন মৌলিক গুরুত্বের বিষয় নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই যে, যতদিন অবস্থান করা হয়েছিল, সেই দিনগুলোয় আল্লাহর সাথে তোমাদের সম্পর্ক কেমন ছিল? সেই দিনগুলোয় তোমরা আল্লাহর যিকিরে মশগুল ছিলে, না মেলা দেখে আর উৎসব অনুষ্ঠানে ফূর্তি করে দিন কাটিয়ে দিয়েছো?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

মিনায় তিন দিন কাটানো সুন্নত এবং এ সময়ে জামারাতে পাথর নিক্ষেপ ওয়াজিব। তবে ১২ তারিখের পর মিনা থেকে চলে আসা জায়েয। ১৩ তারিখ পর্যন্ত থাকা জরুরী নয়। কেউ থাকতে চাইলে ১৩ তারিখে পাথর নিক্ষেপ করে চলে আসতে পারে।

তাফসীরে জাকারিয়া

২০৩. আর তোমরা গোনা দিনগুলোতে আল্লাহকে স্মরণ করবে। অতঃপর যদি কেউ তাড়াতাড়ি করে দুই দিনে চলে আসে তবে তার কোন পাপ নেই এবং যে ব্যক্তি বিলম্ব করে আসে তারও কোন পাপ নেই। এটা তার জন্য যে তাকওয়া অবলম্বন করে। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ যে, তোমাদেরকে তাঁর নিকট সমবেত করা হবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২০৩) তোমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক দিনগুলিতে (যিলহজ্জ মাসের ১১,১২ ও ১৩ তারীখ --এই তিন দিন মীনায় অবস্থান কালে) আল্লাহকে স্মরণ কর,(1) আর যদি কেউ তাড়াতাড়ি করে দুই দিনেই চলে আসে, তবে তাতে তার কোন পাপ নেই। আর যদি কেউ বিলম্ব করে, তবে তারও কোন পাপ নেই।(2) এ (নিয়ম) তার জন্য যে ধর্মভীরু। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ যে, তোমাদেরকে তাঁর কাছে সমবেত করা হবে।

(1) নির্দিষ্ট সংখ্যক দিন বলে তাশরীকের দিনগুলোকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, যুল-হজ্জের ১১, ১২ এবং ১৩ তারীখ। এই দিনগুলোতে আল্লাহর যিকর, অর্থাৎ, উচ্চৈঃস্বরে তকবীর পড়া সুন্নত। কেবল যে ফরয নামাযের পরই পড়া হবে তা নয়; বরং সব সময় এই তাকবীর ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, অল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, অলিল্লাহিল হামদ’ পড়া বাঞ্ছনীয়। কাঁকর মারার সময় প্রত্যেক কাঁকরের সাথে তাকবীর পড়া সুন্নত। (নায়লুল আওত্বার ৫/৮৬)

(2) রম্ই জিমার (জামরাতে কাঁকর মারা) তিন দিন উত্তম। কিন্তু কেউ যদি কেবল দু’দিন (১১ ও ১২ই যুলহজ্জ) কাঁকর মেরে মিনা থেকে প্রত্যাগমন করে, তবে তারও অনুমতি আছে।